Showing posts with label Venezuela. Show all posts
Showing posts with label Venezuela. Show all posts

Wednesday, September 7, 2016

মেসির অনুপস্থিতিতে মেসি-মার্কা গোল ভেনেজুয়েলার খুনাপির

 

ভেনেজুয়েলা ২    আর্জেন্তিনা ২


(খুয়ানপি ৩৫, মার্তিনেজ ৫৩) (প্রাতো ৫৮, ওতামেন্দি ৮৩)


 

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

Juanpi-Añor-Venezuela-Vinotinto-Perú-2016

লিওনেল মেসি ছিলেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর মতোই গোল করে শিরোনামে ভেনেজুয়েলার ২২ বছরের তরুণ প্রতিভা খুয়ানপি আনিওর আকোস্তা!

চোট নিয়েই উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গোল করে আর্জেন্তিনাকে প্রাক বিশ্বকাপ পর্বে দক্ষিণ আমেরিকার শীর্ষে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন মেসি, আগের ম্যাচে। এবার খেলা ছিল তালিকায় সবার শেষে-থাকা ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। মেসি খেলতে পারবেন না, আগেই জানিয়ে দিয়েছিল আর্জেন্তিনা। দিমারিয়া-বানেগারা তালিকায় শেষ দলের বিরুদ্ধেও জিততে পারলেন না, অধিনায়ককে ছাড়া।

উল্টে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ০-২ পিছিয়ে আর্জেন্তিনা! প্রথম গোল খুয়ানপির। দুর্দান্ত বললেও কম। দুজনকে কাটালেন, বক্সের ডানদিক থেকে বাঁপায়ের দুরন্ত শট রাখলেন দূরের পোস্টে। অবিকল মেসি-মার্কা গোল! নিজেদের দেশে ভেনেজুয়েলা ওই গোলের পর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, এবারের বাছাইপর্বে প্রথম জয় পাওয়ার। যা আরও নিশ্চিত মনে হয়েছিল মার্তিনেজের গোলের পর। আর্জেন্তিনা তখন দিশাহারা!

কিন্তু, অতিরিক্ত উৎসাহে ৫৮ মিনিটেই গোল খেয়ে যায় ভেনেজুয়েলা। বক্সের মধ্যে ভেনেজুয়েলার ডিফেন্ডার ভেলাসকেজের পায়ে লেগে ছিটকে আসা বল ধরে প্রথম পোস্টে পরাস্ত করেন ভেনেজুয়েলার গোলরক্ষককে। তারপর আক্রমণের ঝড় তুললেও সমতা ফেরাতে পারছিল না আর্জেন্তিনা। ৮৩ মিনিটে স্বস্তি ওতামেন্দি কর্নারে পা ছুঁইয়ে ২-২ করায়।

নতুন কোচ বাউসা-র প্রথম দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট এল। আর্জেন্তিনা পিছিয়ে এখন তৃতীয় স্থানে। আবারও প্রমাণিত হল দল হিসাবে আর্জেন্তিনা ঠিক কতটা খারাপ! মেসি না-থাকলে দক্ষিণ আমেরিকার শেষ স্থানে-থাকা দলের বিরুদ্ধেই বাকিরা জেতাতে পারেন না!

Sunday, June 19, 2016

১ গোলের সঙ্গে ২ অ্যাসিস্ট, মেসি ছুঁয়ে ফেললেন বাতিগোলকে! কাশীনাথ ভট্টাচার্য

[caption id="attachment_177" align="alignleft" width="300"] মেসি। ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে গোল করার ঠিক আগে মেসি। ছবি - টুইটার[/caption]

আর্জেন্তিনা ৪ (ইগাইন ৯, ২৭, মেসি ৬০, লামেলা ৭১)
ভেনেজুয়েলা ১ (রনদন ৬৯)


চার ম্যাচে ১৪ গোল দিয়ে শতবার্ষিকী কোপার সেমিফাইনালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মুখমোমুখি আর্জেন্তিনা। অপ্রতিরোধ্য মনে হচ্ছে লিওনেল মেসির আর্জেন্তিনাকে!
প্রতিযোগিতা শুরুর সময় দিয়েগো মারাদোনা বলেছিলেন, মেসি একেবারেই ভাল নেতা নন। পরপর তিন বছর তিনটি প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে নিয়ে গেলেন সেই খারাপ নেতা-ই! ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল আর্জেন্তিনা, ২০১৫ কোপার ফাইনালেও। এবার আপাতত আয়োজকদের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল খেলবে ভারতীয় সময়ানুসারে ২২ জুন। মারাদোনা এবার কি মত বদলাবেন?
১৯৯৩-এর পর আর্জেন্তিনা আর কোনও কোপা জেতেনি। মারাদোনা নিজে জেতেননি কোপা একবারও। মেসির সামনে সেই সুযোগ আসতে পারে, যদি য়ুরগেন ক্লিন্সম্যানের আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে আবার উঠতে পারেন ফাইনালে। কিন্তু, তার আগে কোয়ার্টার ফাইনালে যেভাবে ভেনেজুয়েলাকে উড়িয়ে দিল আর্জেন্তিনা, সমর্থকরা বুক বাঁধতেই পারেন আশায়।
এবারের কোপার শুরুতে আহত ছিলেন মেসি। প্রথম ম্যাচে খেলেননি। পরিবর্ত হিসাবে নামেন পানামার বিরুদ্ধে, ৬১ মিনিটে। নেমেই হ্যাটট্রিক! তৃতীয় ম্যাচে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে এসেছিলেন দ্বিতীয়ার্ধে। নকআউটের জন্য তৈরি থাকতে। এবার ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে তাই শুরু থেকেই মাঠে। আর ৯০ মিনিট শেষে তাঁর পারফরম্যান্স, চুম্বকে – ১ গোল, ২ গোলের পাস! প্রতিযোগিতায় মোট ৪ গোল, আপাতত সর্বোচ্চ। সঙ্গে, অ্যাসিস্ট তালিকাতেও সর্বোচ্চ। তা-ও আবার একটা ম্যাচ না-খেলে, তিন ম্যাচে মোট ১৬৫ মিনিট মাঠে থেকেই!
গোনজালো ইগাইন আগের তিন ম্যাচে গোল পাননি। নাপোলির হয়ে রেকর্ড গোল করে আসার পর ইগাইনকে খেলাতেই হত। ম্যানেজার জেরার্দো মার্তিনোর ভাবনায় ভুল ছিল না। কিন্তু, ইগাইন গোল পাচ্ছিলেন না। আর্জেন্তিনার জার্সিতে এই এক অদ্ভুত সমস্যা দেখা দেয় ইগাইনের। বেশিরভাগ ম্যাচেই গোল পান না, একটি ম্যাচে আবার আগের সব ম্যাচের কথা ভুলিয়ে দেন। যেমন ভোলালেন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। নকআউট পর্যায়ের ম্যাচে শুরুতেই ৯ ও ২৭ মিনিটে দুটো গোলে চাপটা সম্পূর্ণ সরিয়ে দিলেন আর্জেন্তিনার ফুটবলারদের মাথা থেকে। গাইতানের পাস থেকে দলের তৃতীয় গোল মেসি করে ফেলার পরই তাঁকে তুলে নিতে চেয়েছিলেন মার্তিনো। কিন্তু রনদনের গোল, তার পরেই আর্জেন্তিনার আবার ৪-১ করে ফেলা লামেলার গোলে, ইগাইনকে এবার নিশ্চিন্তে তুলে নিয়ে মার্তিনো সুযোগ দিলেন কুন আগেরোকে। প্রতিযোগিতায় আগেরোর গোলসংখ্যা আর বাড়েনি, থেমে থাকল সেই একেই।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে বেশ চাপ বাড়িয়েছিল ভেনেজুয়েলা। ম্যাচে ওই সময়ই শুধু, মিনিট দশেকের একটা স্পেল। আর্জেন্তিনার গোলরক্ষক সের্খিও রোমেরো দুবার দুর্দান্ত ‘সেভ’ করলেন। দুবারই রনদনের প্রচেষ্টা, একবার শট, অন্যটা হেড। তারপর নিজেই পেনাল্টি দিলেন ভেনেজুয়েলাকে, বক্সের মধ্যে জোসেফ মার্তিনেজকে ফেলে দিয়ে। তবে, বল ধরতে গিয়ে মার্তিনেজের পায়ে লেগে যায় হাত, মার্তিনেজ পড়ে যান। তাই পেনাল্টি কিন্তু লাল কার্ড নয়। ৪৪ মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ তখন ভেনেজুয়েলার সামনে, বিরতির ঠিক আগে ১-২ করে ফেলার। লুইস সেইখাস অবশ্য প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। পানেনকা-পেনাল্টি নিতে চেয়েছিলেন সেইখাস। আলতো চিপ করে দিয়েছিলেন, সোজা। রোমেরো ঝাঁপাতে একটু দেরি করায় আর ঝাঁপানোর দরকারই পড়েনি। একেবারে সোজা হাতের মধ্যে পেয়ে যান। আর্জেন্তিনাকেও পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আর!
অধিনায়ক মেসি পেলেন দেশের জার্সিতে ৫৪তম গোল। ছুঁয়ে ফেললেন গাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে, দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসাবে। এতদিন পর্যন্ত উইকিপিডিয়া বলছিল, বাতিস্তুতার গোলসংখ্যা ৫৬। পানামার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিকের পর জানা যায়, বাতিগোলের আলবিসেলেস্তে জার্সিতে গোলসংখ্যা নাকি আসলে ৫৪। তাই, মেসি এখন যুগ্ম সর্বোচ্চ। সেমিফাইনালে কি পারবেন একক সর্বোচ্চ হয়ে উঠতে?

Saturday, June 18, 2016

ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে শিবিরে আত্মতুষ্টি চাইছেন না মেসি

কাশীনাথ ভট্টাচার্য

messi

শতবার্ষিকী কোপায় প্রথমবার শুরু থেকেই নামবেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্তিনার অধিনায়কের ওপর চাপও তাই শুরু থেকেই। নকআউট শুরু হয়ে যাচ্ছে যে!

গ্রুপ লিগে তিনটি ম্যাচে প্রায়-নিখুঁত থেকেছে আর্জেন্তিনা। তিনটি জয়, ১০ গোল, মেসির হ্যাটট্রিক পরিবর্ত হিসাবে, শেষ ম্যাচে ৪৫ মিনিট মাঠে-থাকা অধিনায়কের। এবার শুরু থেকেই খেলবেন কোয়ার্টার ফাইনালে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিল আর উরুগুয়ে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর প্রচারের আলো এখন পুরোটাই মেসির ওপর। ১৯৯৩ সালে শেষবার কোপা আমেরিকা জিতেছিল আর্জেন্তিনা। ২৩ বছর পর দেশকে আরও একটি ট্রফি দেওয়ার ভার নিয়েই মাঠে নামতে হবে মেসিকে।

ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনার রেকর্ড খুবই ভাল। ২১ ম্যাচে ২০ বার জিতেছে! ২২তম ম্যাচে ২১তম জয় তুলে নেওয়ার পথে যদিও কাঁটা অনেক। আর্জেন্তিনা সাম্প্রতিক অতীতে নকআউটে পৌঁছে হারিয়ে ফেলছিল তীব্রতা। বিশ্বকাপ ও গতবারের কোপায় একই দৃশ্য দেখেছিল ফুটবল-বিশ্ব। এবার যদিও বিপক্ষে ভেনেজুয়েলা, সেমিফাইনালে ওটার পথে কোনও ঝুঁকিই নিতে রাজি নন কেউ, এমনকি মেসিও। বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলা ভাল দল। যোগ্য বলেই তো প্রথম আট দলের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে, তাই না? নকআউট মানে ভুল করার সম্ভাবনা যত কমানো যায়, ভাল। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই, সে আমরা গ্রুপ পর্যায়ে যতই ভাল খেলে থাকি না কেন।’

চোট নিয়ে সামান্য সমস্যা ছিল, আছেও। ওতামেন্দি আর রোখোকে গ্রুপের শেষ ম্যাচে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে খেলাননি। দিমারিয়ারও চোট আছে। যদিও কোয়ার্টার ফাইনালে শুরু থেকেই তাঁকে চাইবেন জেরার্দো মার্তিনো। আর্জেন্তিনা এমনিতে মাথা-ভারী দল। আক্রমণে আগেরোকেও শুরু করানো যাচ্ছে না, ইগাইন আছেন বলে। ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড যদিও তা নিয়ে চিন্তিত নন। ‘কোচ যেটা ভাল বুঝবেন, করবেন। আমি দুটো ম্যাচেই বেঞ্চ থেকে এসেছিলাম। কোয়ার্টার ফাইনালেও হয়ত তেমনই হবে কারণ ইগাইন দুর্দান্ত ফর্মে ছিল নাপোলিতে। তা নিয়ে অসুবিধাও নেই। শুধু, নিজেকে তৈরি রাখছি এই ভেবে যে, কোচ যখনই মাঠে ডাকবেন, নেমে যেন নিজের খেলাটা খেলতে পারি।’

ভেনেজুয়েলায় চোটজনিত কোনও সমস্যা নেই। সবাই সুস্থ এবং কোপা আমেরিকার শতবার্ষিকী প্রতিযোগিতায় নিজেদের তুলে ধরতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে লাতিন আমেরিকায় ভেনেজুয়েলা তালিকায় সবার নিচে থাকলেও, এমন প্রতিযোগিতায়, তা-ও আবার নকআউটে, সবই সম্ভব। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর আর্জেন্তিনাকে চাপে ফেলতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখবে না রাফায়েল দুদামেলের দল, সন্দেহ নেই। আর্জেন্তিনার ভঙ্গুর রক্ষণ আলাদা করে নজর দিতে পারে সলোমন রোনদনের দিকে। ওয়েস্ট ব্রমউইচের এই ফুটবলারের গোলেই উরুগুয়েকে ছিটকে দিয়েছিল ভেনেজুয়েলা!

Wednesday, June 15, 2016

মেসি গোল না পেলেও ছন্দে আর্জেন্তিনা

 

কাশীনাথ ভট্টাচার্য

messi hedbutta

আর্জেন্তিনা ৩ (লামেলা ১৩, লাভেজি ১৫, কুয়েস্তা ৩২)

বলিভিয়া ০

গোলরক্ষককেও কাটিয়ে নিলেন। দুপায়ের ফাঁক দিয়ে বলটা বের করে নিয়ে গোলের দিকে। ততক্ষণে সহকারী রেফারি পতাকা তুলে ধরেছেন। রেফারির বাঁশি। লিওনেল মেসির ৫৪তম গোল এল না আর্জেন্তিনা জার্সিতে। কিন্তু, ছন্দে আছেন বিলক্ষণ বোঝাতে, ওই ‘নাটমেগ’ আবারও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ল, সঙ্গে সঙ্গেই!

অঘটন কিছু ঘটেনি। গ্রুপ ডি-র শীর্ষে থেকে নকআউটে যাওয়া প্রত্যাশিত ছিল আর্জেন্তিনার কাছে। গেলও আলবিসেলেস্তে। গ্রুপ সি-র শীর্ষে-থাকা মেহিকোর বিরুদ্ধে আপাতত খেলতে হচ্ছে না। কোয়ার্টার ফাইনালে সামনে ভেনেজুয়েলা। মেসিকে ৪৫ মিনিট খেলিয়ে তৈরি রাখলেন কোচ তাতা মার্তিনো। দিমারিয়া, মাসচেরানো, রোখো – কাউকেই খেলালেন না। তাঁদের ছাড়াই প্রথমার্ধে তিন গোল। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়েনি। ততটা চেষ্টাও করেননি আর্জেন্তিনীয়রা। আরও একটি গোল পেতে চেয়েছিলেন মেসি। তা অবশ্য হল না!

পানামা-কে ৪-২ ব্যবধানে চিলে হারানোর পরই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, বলিভিয়ার বিরুদ্ধে তেমন বড় ব্যবধানে না হারলেই গ্রুপের শীর্ষে থাকবে আর্জেন্তিনা। তাই কোচকে আর কোনও ঝুঁকিই নিতে হয়নি। বলিভিয়া আগের দুটি ম্যাচ হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছিল। তা ছাড়া, মাটিতে নেমে এলে বলিভিয়ার পারফরম্যান্স কখনও সেই উচ্চতায় পৌঁছয় না, ঘরের মাঠে উচ্চতাকে কাজে লাগিয়ে যেখানে যেতে পারে। গোটা ম্যাচে বলিভিয়ার পারফরম্যান্স বলতে যা মনে পড়বে, কাম্পোস আর মেসির মাথায় মাথা লাগিয়ে যুদ্ধং দেহি মনোভাব। চোট সারিয়ে সবে মাঠে ফেরা মেসিকে আটকাতে অবৈধ উপায় এর সাহায্য নিয়েছিলেন কাম্পোস। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর উঠে রাগে গরগর করতে করতেই এগিয়ে আসেন মেসি। দুজনের মাথা তখন একই জায়গায়। দুহাত দিয়ে মেসিকে ঠেলে সরিয়েও দিলেন কাম্পোস। কী কী বলেছিলেন দুজনে দুজনকে, বলা অসম্ভব। কিন্তু, খুব একটা ভাল ভাল কথা যে বলেননি, শরীরী ভাষায় পরিষ্কার!

অপ্রীতিকর মুহূর্ত বলতে ওইটুকুই। আর্জেন্তিনা অনেক আগেই ম্যাচ শেষ করে ফেলেছিল। ১৩ মিনিটে এরিক লামেলা গোল করলেন ফ্রি কিক থেকে। আগের ম্যাচে মেসি করেছিলেন। ফলে, কোপায় এবার দুটি গোল হল আর্জেন্তিনার, ফ্রি কিক থেকে। ঠিক দুমিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোল। লাভেজি, যিনি আগের দুটি ম্যাচে শুরু থেকে খেলার সুযোগ পাননি, মেসি না-থাকায় তাঁকেও প্রথম এগারোয় সুযোগ দিয়েছিলেন কোচ। সম্মান রাখলেন লাভেজি, দলের দ্বিতীয় গোল করে। আর তৃতীয় গোলের পাস ভিকতর কুয়েস্তাকে বাড়িয়ে ম্যাচের সেরা।

চিন্তা বলতে একটাই। ইগাইন-আগেরোর গোল না-পাওয়া। নকআউটে ছন্দ পেলেই চলবে আর্জেন্তিনার, ২৩ বছর পর বড় ট্রফি পেতে হলে। বেঞ্চে বসে থাকা একেবারেই পছন্দ নয় মেসির। তাই-ই হয়ত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে-নামানো। একেবারেই না-নামালেই বা কী ক্ষতি হত আর্জেন্তিনার? তাঁকে পুরোপুরি ছন্দে তো দরকার ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে, তাই না?

কোপার কোয়ার্টার ফাইনাল

১৭ জুন – আমেরিকা-ইকুয়েদর, সকাল ৭-০০

১৮ জুন – পেরু-কলম্বিয়া, সকাল ৫-৩০

১৯ জুন – আর্জেন্তিনা-ভেনেজুয়েলা, ভোর ৪-০০

১৯ জুন – মেহিকো-চিলে, সকাল ৭-৩০

Friday, June 10, 2016

মাঠে না নামতে পেরে কোচের সঙ্গে তর্কাতর্কি সুয়ারেজের । অভীক রায়

046c04b45a6e366d1c9c940d868a7b29-5753dbf277bfaকোচ অস্কার তাবারেজের সঙ্গে বিতর্কে জড়ালেন লুইস সুয়ারেজ। ভেনেজুয়েলার কাছে টিম হারছে দেখেও তাঁকে না নামানো নিয়ে।চোটের জন্য মেক্সিকো ম্যাচে সুয়ারেজকে খেলেননি উরুগুয়ে কোচ।

ভেনেজুয়েলা ম্যাচেও তাঁকে বেঞ্চে বাইরে রাখেন তাবারেজ। কিন্তু বিরতির পর টিম হারছে দেখে মাঠে নামতে চেয়েছিলেন সুয়ারেজ। কোচ তাবারেজ

বার্সেলোনার স্ট্রাইকারকে নামাননি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা ভেনেজুয়েলার কাছে ০-১ হেরে যায় উরুগুয়ে। কোপা থেকে ছিটকে গেল ১৫ বারের

চ্যাম্পিয়নরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে যখন টিম হারছে, দেখা যায় সুয়ারেজ উত্তেজিত হয়ে কথা বলছেন সহকারী কোচের সঙ্গে। পাশে বসে কোচ তাবারেজ। বোঝাই

যাচ্ছিল, শেষ দিকে টিমকে জেতানোর জন্য নামতে চেয়েছিলেন সুয়ারেজ।কিন্তু উরুগুয়ে স্ট্রাইকারের কথায় কোনও কর্ণপাত করেননি। পরিবর্ত হিসেবে করুজোকে নামিয়ে দেন ৮০ মিনিটে। বিরক্তিতে তখন সুয়ারেজকে ডাগআউটের কাঁচের দেওয়ালে ঘুষি মারতে দেখা যায়।ভেনেজুয়েলার কাছে হেরে ছিটকে যাওয়ায় সুয়ারেজ বিতর্ক বড় আকার নিয়েছে। ম্যাচের পর তাবারেজকে এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করে হলে তিনি বলেছেন, ‘যে ফুটবলার একশো শতাংশ ফিট নয়, তাকে আমি মাঠে নামাই না।’

মুখে যতই বলুন তাবারেজ, উরুগুয়ের কোপা থেকে ছিটকে যাওয়া ও সুয়ারেজ বিতর্ক তাঁকে চাপের মুখে ফেলে দিল।