ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে শিবিরে আত্মতুষ্টি চাইছেন না মেসি
কাশীনাথ ভট্টাচার্য

শতবার্ষিকী কোপায় প্রথমবার শুরু থেকেই নামবেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্তিনার অধিনায়কের ওপর চাপও তাই শুরু থেকেই। নকআউট শুরু হয়ে যাচ্ছে যে!
গ্রুপ লিগে তিনটি ম্যাচে প্রায়-নিখুঁত থেকেছে আর্জেন্তিনা। তিনটি জয়, ১০ গোল, মেসির হ্যাটট্রিক পরিবর্ত হিসাবে, শেষ ম্যাচে ৪৫ মিনিট মাঠে-থাকা অধিনায়কের। এবার শুরু থেকেই খেলবেন কোয়ার্টার ফাইনালে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিল আর উরুগুয়ে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর প্রচারের আলো এখন পুরোটাই মেসির ওপর। ১৯৯৩ সালে শেষবার কোপা আমেরিকা জিতেছিল আর্জেন্তিনা। ২৩ বছর পর দেশকে আরও একটি ট্রফি দেওয়ার ভার নিয়েই মাঠে নামতে হবে মেসিকে।
ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনার রেকর্ড খুবই ভাল। ২১ ম্যাচে ২০ বার জিতেছে! ২২তম ম্যাচে ২১তম জয় তুলে নেওয়ার পথে যদিও কাঁটা অনেক। আর্জেন্তিনা সাম্প্রতিক অতীতে নকআউটে পৌঁছে হারিয়ে ফেলছিল তীব্রতা। বিশ্বকাপ ও গতবারের কোপায় একই দৃশ্য দেখেছিল ফুটবল-বিশ্ব। এবার যদিও বিপক্ষে ভেনেজুয়েলা, সেমিফাইনালে ওটার পথে কোনও ঝুঁকিই নিতে রাজি নন কেউ, এমনকি মেসিও। বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলা ভাল দল। যোগ্য বলেই তো প্রথম আট দলের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে, তাই না? নকআউট মানে ভুল করার সম্ভাবনা যত কমানো যায়, ভাল। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই, সে আমরা গ্রুপ পর্যায়ে যতই ভাল খেলে থাকি না কেন।’
চোট নিয়ে সামান্য সমস্যা ছিল, আছেও। ওতামেন্দি আর রোখোকে গ্রুপের শেষ ম্যাচে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে খেলাননি। দিমারিয়ারও চোট আছে। যদিও কোয়ার্টার ফাইনালে শুরু থেকেই তাঁকে চাইবেন জেরার্দো মার্তিনো। আর্জেন্তিনা এমনিতে মাথা-ভারী দল। আক্রমণে আগেরোকেও শুরু করানো যাচ্ছে না, ইগাইন আছেন বলে। ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড যদিও তা নিয়ে চিন্তিত নন। ‘কোচ যেটা ভাল বুঝবেন, করবেন। আমি দুটো ম্যাচেই বেঞ্চ থেকে এসেছিলাম। কোয়ার্টার ফাইনালেও হয়ত তেমনই হবে কারণ ইগাইন দুর্দান্ত ফর্মে ছিল নাপোলিতে। তা নিয়ে অসুবিধাও নেই। শুধু, নিজেকে তৈরি রাখছি এই ভেবে যে, কোচ যখনই মাঠে ডাকবেন, নেমে যেন নিজের খেলাটা খেলতে পারি।’
ভেনেজুয়েলায় চোটজনিত কোনও সমস্যা নেই। সবাই সুস্থ এবং কোপা আমেরিকার শতবার্ষিকী প্রতিযোগিতায় নিজেদের তুলে ধরতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে লাতিন আমেরিকায় ভেনেজুয়েলা তালিকায় সবার নিচে থাকলেও, এমন প্রতিযোগিতায়, তা-ও আবার নকআউটে, সবই সম্ভব। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর আর্জেন্তিনাকে চাপে ফেলতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখবে না রাফায়েল দুদামেলের দল, সন্দেহ নেই। আর্জেন্তিনার ভঙ্গুর রক্ষণ আলাদা করে নজর দিতে পারে সলোমন রোনদনের দিকে। ওয়েস্ট ব্রমউইচের এই ফুটবলারের গোলেই উরুগুয়েকে ছিটকে দিয়েছিল ভেনেজুয়েলা!
শতবার্ষিকী কোপায় প্রথমবার শুরু থেকেই নামবেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্তিনার অধিনায়কের ওপর চাপও তাই শুরু থেকেই। নকআউট শুরু হয়ে যাচ্ছে যে!
গ্রুপ লিগে তিনটি ম্যাচে প্রায়-নিখুঁত থেকেছে আর্জেন্তিনা। তিনটি জয়, ১০ গোল, মেসির হ্যাটট্রিক পরিবর্ত হিসাবে, শেষ ম্যাচে ৪৫ মিনিট মাঠে-থাকা অধিনায়কের। এবার শুরু থেকেই খেলবেন কোয়ার্টার ফাইনালে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিল আর উরুগুয়ে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর প্রচারের আলো এখন পুরোটাই মেসির ওপর। ১৯৯৩ সালে শেষবার কোপা আমেরিকা জিতেছিল আর্জেন্তিনা। ২৩ বছর পর দেশকে আরও একটি ট্রফি দেওয়ার ভার নিয়েই মাঠে নামতে হবে মেসিকে।
ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনার রেকর্ড খুবই ভাল। ২১ ম্যাচে ২০ বার জিতেছে! ২২তম ম্যাচে ২১তম জয় তুলে নেওয়ার পথে যদিও কাঁটা অনেক। আর্জেন্তিনা সাম্প্রতিক অতীতে নকআউটে পৌঁছে হারিয়ে ফেলছিল তীব্রতা। বিশ্বকাপ ও গতবারের কোপায় একই দৃশ্য দেখেছিল ফুটবল-বিশ্ব। এবার যদিও বিপক্ষে ভেনেজুয়েলা, সেমিফাইনালে ওটার পথে কোনও ঝুঁকিই নিতে রাজি নন কেউ, এমনকি মেসিও। বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলা ভাল দল। যোগ্য বলেই তো প্রথম আট দলের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে, তাই না? নকআউট মানে ভুল করার সম্ভাবনা যত কমানো যায়, ভাল। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই, সে আমরা গ্রুপ পর্যায়ে যতই ভাল খেলে থাকি না কেন।’
চোট নিয়ে সামান্য সমস্যা ছিল, আছেও। ওতামেন্দি আর রোখোকে গ্রুপের শেষ ম্যাচে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে খেলাননি। দিমারিয়ারও চোট আছে। যদিও কোয়ার্টার ফাইনালে শুরু থেকেই তাঁকে চাইবেন জেরার্দো মার্তিনো। আর্জেন্তিনা এমনিতে মাথা-ভারী দল। আক্রমণে আগেরোকেও শুরু করানো যাচ্ছে না, ইগাইন আছেন বলে। ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড যদিও তা নিয়ে চিন্তিত নন। ‘কোচ যেটা ভাল বুঝবেন, করবেন। আমি দুটো ম্যাচেই বেঞ্চ থেকে এসেছিলাম। কোয়ার্টার ফাইনালেও হয়ত তেমনই হবে কারণ ইগাইন দুর্দান্ত ফর্মে ছিল নাপোলিতে। তা নিয়ে অসুবিধাও নেই। শুধু, নিজেকে তৈরি রাখছি এই ভেবে যে, কোচ যখনই মাঠে ডাকবেন, নেমে যেন নিজের খেলাটা খেলতে পারি।’
ভেনেজুয়েলায় চোটজনিত কোনও সমস্যা নেই। সবাই সুস্থ এবং কোপা আমেরিকার শতবার্ষিকী প্রতিযোগিতায় নিজেদের তুলে ধরতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে লাতিন আমেরিকায় ভেনেজুয়েলা তালিকায় সবার নিচে থাকলেও, এমন প্রতিযোগিতায়, তা-ও আবার নকআউটে, সবই সম্ভব। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর আর্জেন্তিনাকে চাপে ফেলতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখবে না রাফায়েল দুদামেলের দল, সন্দেহ নেই। আর্জেন্তিনার ভঙ্গুর রক্ষণ আলাদা করে নজর দিতে পারে সলোমন রোনদনের দিকে। ওয়েস্ট ব্রমউইচের এই ফুটবলারের গোলেই উরুগুয়েকে ছিটকে দিয়েছিল ভেনেজুয়েলা!
No comments