Showing posts with label India. Show all posts
Showing posts with label India. Show all posts

Sunday, October 25, 2026

India begin FIFA U15 World Cup & Festival with win over Laos


Laos 2 (Anavin Xayyasone 12', Souksavanh Siliseng 24')
lost to
India 4 (Macdonnish Ngairangbam 7', R Lalremruatfela 11', 31', Soumojit Sarkar 33')

AIFF Media Release

BAKU, AZERBAIJAN: India began their campaign at the inaugural FIFA U15 World Cup & Festival Azerbaijan 2026 with a 4-2 victory over Laos in their Group K opener at the Hovsan Competition Complex Pitch 1B in Baku on Saturday, October 24, 2026.

Captain Macdonnish Ngairangbam (7') and R Lalremruatfela (11') handed the Blue Colts an early two-goal advantage before Anavin Xayyasone (12') halved the deficit for Laos. Souksavanh Siliseng (24') equalised for the Southeast Asians soon after half-time, but India finished strong, with Lalremruatfela (31') and Soumojit Sarkar (33') firing from long range to restore the lead and secure the nation's first three points at a FIFA tournament.

The tournament features 189 national teams divided into 32 groups, with matches played in an eight-a-side format. Each match consists of two 20-minute halves, with rolling substitutions permitted.

Bibiano Fernandes' Blue Colts made a bright start on Saturday morning and created two chances in the opening four minutes. A powerful left-footed effort from inside the box by Deepak Singh Arambam was pushed away by the Laos goalkeeper Anousith Souksavanh in the third minute, before Macdonnish was denied by the advancing custodian a minute later.

India took the lead in the seventh minute after brilliant footwork from Deepak, who worked his way into the small box before cutting the ball back for Macdonnish to tap home.

The pressure continued to pay off, with India doubling their advantage in the 11th minute. A Laos clearance was blocked by Deepak, and the ball fell to R Lalremruatfela, who took a touch before slamming home with his left boot.

Laos responded almost immediately, pulling a goal back in the 12th minute through Anavin Xayyasone, whose long-range effort left India goalkeeper Jenit Ningthoujam rooted to the spot.

The tempo dropped following the early flurry of goals, with neither side creating a clear-cut opportunity before the five-minute half-time break.

India threatened again after the restart, with a header from Macdonnish drifting inches wide following a corner in the 21st minute. Laos, however, drew level three minutes later when Souksavanh Siliseng struck first time from outside the box, finding the bottom corner.

The equaliser prompted India to raise their intensity, with much of the play taking place in the Laos half.

The Blue Colts regained the lead in the 31st minute, with R Lalremruatfela collecting a pass from Soumojit Sarkar before firing left-footed into the far corner from outside the box to make it 3-2.

India extended their advantage in the 33rd minute when Sarkar struck from just inside the halfway line, sending the ball over the goalkeeper and into the net.

The Blue Colts managed the remainder of the match well to preserve their two-goal advantage and secure all three points.

India will next face Cameroon on Sunday, October 25, at 10:30 IST, before taking on Grenada later the same day at 17:15 IST. They will conclude the qualification stage against Bahrain and Senegal on October 26. Their results across the five matches will determine which performance tier they enter for the second phase. All matches are streamed live for free on dazn.com.

India U15 men's starting 8 vs Laos: Jenit Ningthoujam (GK), Pratham Kumar, Nara Meitei Loushambam, Soumojit Sarkar, R Lalremruatfela, Macdonnish Ngairangbam (C), C Lalhmingropuia, Deepak Singh Arambam.

Substitutes: Dhannya Desai (GK), Muhammad Sohil Khan, Birjit Singh Amom, Nibas Meetei Wahengbam, Victor Lalawmpuia, Ronandev Aheibam.

PC: AIFF

Wednesday, October 7, 2026

কাশীনাথ ভট্টাচার্য /‌ উরুগুয়ের হাফডজন!‌ মানসকে ছুঁলেন অনিরুধ


উরুগুয়ে — ৬ (‌নুনিয়েজ পে.‌ ১২, ম্যাক্সিমিলিয়ানো ২৯, ৫৯, সালাসার ৫৩, সানাব্রিয়া ৭১, আগির ৮৬)‌

ভারত — ১ (‌অনিরুধ ২২)‌


মানস ভট্টাচার্যকে ছুঁয়ে ফেললেন অনিরুধ থাপা!

বিরাশি সালে নেহরু কাপে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গোল পেয়েছিলেন মানস। ভারত অবশ্য হেরেছিল ১–‌৩। কিন্তু, দু’‌বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে গোল করার নজির এত দিন ছিল মানসের একা। ৬ অক্টোবরের পর অনিরুধের নামও জুড়ে গেল সিনিয়র ফুটবলে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গোলে।

২২ মিনিটে ভারতের ১–‌১ সমতা ফেরানোর মূল কাণ্ডারি অবশ্যই রায়ান উইলিয়ামস। অস্ট্রেলিয়ায় জন্মে ভারতের হয়ে খেলছেন। পানামার বিরুদ্ধে ১–‌১ ড্র ম্যাচে গোল ছিল তাঁর। উরুগুয়ের বিরুদ্ধে শট নিলেন তিনি, সরাসরি গোলরক্ষক থিয়াগো ব্রুগমানের দিকে। থিয়াগো বলটা থামালেন বটে, বেশি দূর পাঠাতে পারেননি। অনিরুধ সজাগ ছিলেন, বল অনুসরণ করেছিলেন। তাই গোলরক্ষকের ফেরানো বল একেবারে ফাঁকায় পেয়ে বাঁপায়ে জালে রেখে যান।

প্রথমার্ধে ভারত খারাপ খেলেনি বললে ভুল। বেশ ভাল খেলেছিল খালিদ জামিলের ভারত। হার নিয়ে সংশয় ছিল না বলেই হয়তো তেড়েফুঁড়ে খেলতে পেরেছিল। দেখতেও ভাল লাগছিল, ২০ নম্বরে থাকা দেশের বিরুদ্ধে ১৩৮–‌এ থাকা ভারত ক্রমাগত আক্রমণে আসার চেষ্টা করছে। এডমান্ড এই মাঠে কয়েক সপ্তাহ আগে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে। এবার শুরুতে তিনি গোল পেয়ে গেলে ভারত এগিয়ে যেতে পারত। পরে আরও একবার সুযোগ পেয়েছিলেন, যদিও শুরুর মতো নয়, কিন্তু, সুযোগ তো বটেই। তবু বিপক্ষ বক্সে ওই ছটফটানিটা জরুরি ছিল, খালিদ তাঁকে তুলে নিয়ে সাহাল আবদুল সামাদকে নামানোর পর ম্যাচ ততক্ষণে হাতের বাইরে তো বটেই, সেই চেষ্টাগুলোও হল না।



৬–‌১ জিতল উরুগুয়ে, ব্রাজিলের চেয়ে দুটো গোল বেশি দিল, আবার একটা গোল খেলও। তবে, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে র‌্যাঙ্কিংয়ে ১১৮ এগিয়ে–‌থাকা দলের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ভারতীয়দের ওই প্রচেষ্টাগুলো মনে রাখার মতোই। যথারীতি গুরপ্রীত সিং আবারও প্রথম পোস্টে দাঁড়িয়ে প্রথম পোস্টেই গোল খেলেন, ব্রাজিল ম্যাচের মতোই। মঙ্গলবার অবশ্য তাঁকে মাঠে রাখা হল ৭৫ মিনিট পর্যন্ত। বারদুয়েক গোল বাঁচিয়েও ছিলেন। কিন্তু, ভারতের অধিনায়কের পারফরম্যান্স নিয়ে ভাবার সময় বোধহয় এসে গিয়েছে এবার।

উরুগুয়ের গোলগুলোর প্রথমটি পেনাল্টি থেকে যখন প্রমবীর বক্সের মধ্যে ট্যাকল করতে গিয়ে পায়ে পা লেগে গিয়েছিল। নুনিয়েজ গুরপ্রীতকে পরাস্ত করতে ভুল করেননি। পরের গোলগুলো প্র‌্যাকটিস গোল!‌ অর্থাৎ, অনুশীলনে যেমন করা হয়, পাস আসে বা থ্রু, স্ট্রাইকার গোল করে যান, তেমন। ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোর জোড়া গোল, সালাসার এবং পরিবর্ত সানাব্রিয়ার গোলের সময় ভারতীয় রক্ষণও প্রথমার্ধের তেজ, ক্ষিপ্রতা এবং জায়গা ধরে রাখতে ব্যর্থ। আরও একটা গোলের সন্ধানে ছুটতে চেয়ে রক্ষণে জায়গা ফাঁকা রাখায় ফোরলানের উরুগুয়ে সেই সুযোগগুলো নিল পাক্কা পেশাদারদের মতো। লা সেলেস্তের হয়ে ষষ্ঠ গোল রোদরিগো আগির সোতোর, বড় বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁপায়ের শটে আলবিনো গোমসকে পরাস্ত করে।

তিনটি প্রীতি ম্যাচ থেকে প্রাপ্তি পানামর বিরুদ্ধে একটি পয়েন্ট। এর বেশি প্রত্যাশাও ছিল না। যদি কেউ ভেবে থাকেন ব্রাজিল এবং উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ড্র–‌ও করতে পারে ভারত, নিশ্চিতভাবেই কষ্টকল্পনা। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন দেখল দু’‌ম্যাচে ১০ গোল খেতে, ভারতকে। ব্রাজিল নেহাত গা লাগায়নি, হাফডজনের বেশি হতে পারত সেই দিনও। কতটা এগোল ভারতীয় ফুটবল, পরিষ্কার হবে আগামী ম্যাচগুলোয়!‌‌



Monday, October 5, 2026

কাশীনাথ ভট্টাচার্য / ‘মাত্র’ চার গোলে হারার ‘সন্তুষ্টি’ নিয়েই থাকল ভারত!


 

ব্রাজিল – ৪ (এস্তেবাও ২৯, পেদ্রো ৪২, লিনো ৫৮, ৯০+৫)

ভারত – ০


৩ অক্টোবর, ২০২৬

কতটা পথ পেরলে তবে ফুটবলের অভিজাত শ্রেণিতে উত্তরণ ঘটানো যায়?

প্রশ্নটা সহজ, উত্তরও জানা। দুর্গম গিরি, কান্তার মরু, দুস্তর পারাবার পেরতে হয়, ফুটবল মাঠে। কীভাবে, সেটাই আসল। সে জন্য এমন কিছু ম্যাচ খেলতে হয়। বিপক্ষের সঙ্গে যেখানে র্যা্ঙ্কিং-এ ১৩২ ধাপের দুর্লঙ্ঘ্য ব্যবধান। চার গোলের ব্যবধান আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়। ব্রাজিলের জায়গায় কোনও ইওরোপীয় দল হলে পেশাদারিত্বের চূড়ান্ত নজির দেখিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলত শুরু থেকেই বিনিসিউস, গিমারায়াস এবং মার্তিনেইকে মাঠে রেখে। ব্রাজিল তেমন করেনি।

ভারতের প্রাপ্তি বলতে ব্রাজিলের গোলমুখে পৌঁছনো, সেলেকাওদের গোলকিপারের বার তিনেক ১৮ গজের বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসে বল বিপদসীমার বাইরে পাঠাতে বাধ্য হওয়া, গোললাইন সেভ একবার, মনবীর সিং, রায়ান উইলিয়ামসদের তিনকাঠি দেখতে পাওয়া ইত্যাদি। সবই সান্ত্বনাসূচক। একসময় কোচ পিকে ব্যানার্জির কথায় শিরোনাম হত - আমরা হেরেছি কিন্তু খেলেছি দুর্দান্ত! প্রাপ্তি খুঁজে নেওয়ার একমাত্র এবং শেষ পথ।


আসলে, অভিজাত শ্রেণির সঙ্গে পার্থক্যটা মিটিয়ে ফেলার যদি কোনও রাস্তা থাকে ফুটবলে, যতবার সম্ভব এমন এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলে যাওয়াই একমাত্র। এই যে ইওরোপে মাঝেমাঝে ছোট ছোট দেশগুলো হারিয়ে দেয় তুলনায় অনেক এগিয়ে থাকা দেশগুলোকে, প্রধান কারণ নিয়মিত খেলা। বিশ্বকাপ, ইওরোর বাছাইপর্ব এবং এখন নেশনস লিগ, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপে, লামিন ইয়ামালদের বিরুদ্ধে খেলে ফেলে লাটভিয়া-লিথুয়ানিয়া-আর্মেনিয়া। এক-দু’বারের পর নামভীতিটা কেটে যায়, সাত-আটবারে পৌঁছে মনে হয়, আমরাও কিছু করতেই পারি। তখন আর র্যা ঙ্কিংয়ের ব্যবধান দুস্তর হয় না।

গত শতাব্দীর আটের দশকে নেহরু কাপ খেলা হত কলকাতায়। উরুগুয়ে এবং আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে খেলেছিল ভারত। খারাপ তো নয়ই মনে রাখার মতোই খেলেছিলেন ভাস্কর গাঙ্গুলি, প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যরা। কিন্তু প্রসেস বা প্রক্রিয়াটা থেমে যায়। গত চল্লিশ বছরে বারকয়েক কাতার-কুয়েত বা জাপানের বিরুদ্ধে খেলা ছাড়া সেই অর্থে বড় দলের বিরুদ্ধে খেলা হয়ইনি। যুবভারতীতে তো সেই ২০০৪ সালে জিকোর জাপানের বিরুদ্ধে খেলার ২২ বছর পর খেলল ব্রাজিলের বিরুদ্ধে। সেই জাপানের তুলনায়ও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা অভিজাত, নিঃসন্দেহে! তাঁরা তাই প্রচুর পরিবর্তন করল দ্বিতীয়ার্ধের দলে, দেখাদেখি ভারতও। কিন্তু, বিশেষ গা ঘামায়নি ব্রাজিল, মাথা তো নয়ই! এই ম্যাচগুলো তাদের কাছে এমনই, হঠাৎ কখনও গতি বাড়িয়ে বা টানা পনেরটা পাস খেলে গোলমুখ খুলে ফেলার চিরাচরিত রীতি মেনে ঝলক দেখানো - ব্যস!


দুই অর্ধে দু’টো করে, মোট চার গোল খেল ভারত, যার মধ্যে প্রথম তিনটি গোলই উপহার দেওয়া। অধিনায়ক গুরপ্রীত সিং প্রথম দুই গোলের ক্ষেত্রে আরও ভাল কিছু করতে পারতেন হয়তো। শুক্রবারই মারকিনিওস আলাদা করে বলেছিলেন বিপক্ষের অধিনায়কের কথা যিনি ৯০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়ামে শনিবার। তাঁর ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতা আন্তর্জাতিক স্তরের গোলকিপার হিসাবে ঠিকঠাক। কিন্তু গোলকিপারের উচ্চতা বেশি হলে নীচের দিকে বলে শরীর নামানোর সমস্যা থেকেই যায়। প্রথম পোস্টে গোল খেলেন এস্তেবাওয়ের শটে, পেদ্রোর শটটা সামনে থেকে পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলে। বেশি কিছু করার ছিল না, সত্যি। কিন্তু আত্মবিশ্বাস টলে গেল বলে খালিদ জামিল দ্বিতীয়ার্ধে তুলেই নিলেন, সুযোগ দিলেন প্রভসুখন গিলকে। ব্রাজিলও কাউকেই বেশি ব্যথা দিল না, পরে গিলকেও জোড়া গোল দিয়ে।

সুতরাং, সরকারি মতে যুবভারতীতে হাজির ৫১ হাজার ৪০২ জন দর্শক পাঁচবারের বিশ্বজয়ীদের কাছে মাত্র চার গোল খাওয়ার ‘আনন্দ’ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন, আসলে দুরু দুরু বুকে। তিন দিন পর এই মাঠেই সামনে দিয়েগো ফোরলানের কোচিংয়ে উরুগুয়ে যাদের শরীরে ব্রাজিলের মতো দয়ামায়া আছে এমন অভিযোগ কস্মিনকালেও ছিল না!

ছবি - এআইএফএফ

Saturday, October 3, 2026

কাশীনাথ ভট্টাচার্য / ভারতের শেষ ৬ ম্যাচই নাকি দেখেছেন আনচেলোত্তিরা!‌

 




কাশীনাথ ভট্টাচার্য ●‌ কলকাতা

২ অক্টোবর ২০২৬


‘‌ব্রাজিলকে আমরা হাল্কাভাবে নিচ্ছি না’!‌

বলে ফেললেন ভারতের কোচ খালিদ জামিল।‌ কলকাতার জেডব্লু ম্যারিয়টের হোটেলের গঙ্গা ব্যাঙ্কোয়েট হলের সেই মুহূর্তে তৈরি হওয়া ফিসফাস শেষ পর্যন্ত কানে কানে পল্লবিত হতে হতে ছড়িয়ে পড়ল বাইপাস ধরে আরও অনেকটা এসে বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের প্রেস সেন্টারেও।‌ অবাক হলেও কেউই অবশ্য খালিদকে দোষারোপ করেননি। ‘‌বলেছেন, তবে না–‌বুঝে’, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দরাজ শংসাপত্র খালিদের জন্য। সহানুভূতির সঙ্গে থাকল অবশ্য সতর্কতাও, ভবিষ্যতে এমন আর না বললেই ভাল!‌

বিপক্ষকে হাল্কাভাবে নেওয়ার প্রশ্ন থাকে দুটি ক্ষেত্রে। এক, বিপক্ষের চেয়ে অনেক এগিয়ে। দুই, বারবার দেখায় বিপক্ষকে বারবার হারানোর পর। শ্রেয়স আয়ারের ভারত যেমন টি২০–‌তে পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার আগে বলতেই পারে, আগে সাতাশবার হারানোর পরও ‘‌হাল্কাভাবে’‌ না–‌নেওয়ার কথা। কিংবা, ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পঞ্চম ব্রাজিল বলতে পারে ১৩৮ নম্বরে–‌থাকা ভারত সম্পর্কে। কিন্তু, এমন তো ব্রাজিলের ইতালীয় কোচ কার্লো ‘‌ডন’‌ আনচেলোত্তিও বলেননি! উল্টে, বিশ্বকাপে আর্লিং হাল্যান্ডকে থামানোর চিন্তা করছিলেন, ভারতের কোনও ফুটবলারকে নিয়ে চিন্তা করছেন কিনা প্রশ্নে তো রায়ান উইলিয়ামসের নামও বললেন আনচেলোত্তি। এমনকি জানালেনও, ভারতের শেষ ছয়টি ম্যাচ নাকি তিনি ও তাঁরা অর্থাৎ ব্রাজিলের সঙ্গে থাকা বিশেষজ্ঞের দল দেখেছেন, কাটাছেঁড়াও করেছেন। দেশ হিসাবে ভারতের তুমুল প্রশংসাও করলেন আনচেলোত্তি এবং তাঁর অধিনায়ক মারকিনিওস‌।

খালিদের অবশ্য অত ভাবনার ব্যাপার নেই। ফুটবলার জীবন থেকেই কম কথার মানুষ। সহজ কথা সহজে বলেন। বিতর্ক থেকে হাজার মাইল দূরে তাঁর ঠিকানা। ‘‌ইতিবাচক থাকতে হবে, যতটা সম্ভব কম ভুল করতে হবে, মাঠে নেমে ১০০ শতাংশ দিতে হবে, ব্রাজিল দুর্ধর্ষ দল, আক্রমণ ও রক্ষণে দুর্দান্ত ভারসাম্য’‌ গোছের কথাগুলো একেবারেই খালিদসুলভ। শুধু, এই হাল্কাভাবে না–‌নেওয়ার প্রসঙ্গেই যেটুকু অফস্টাম্পের অনেক বাইরের বলে ব্যাট চালানো!‌ অপ্রয়োজনীয়। দেশের কোচ হলে কী বলতে হবে না, জানাও দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে, হয়তো এই মন্তব্যের পর তাঁকে বুঝিয়ে দেবেন উচ্চপদস্থ কর্তারা। অবশ্যই যদি তাঁরাও বুঝতে পারেন!‌

যাই হোক, রাত পোহালেই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতীয় সিনিয়র ফুটবল দলের সামনে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দেশের নেইমার অবসর নিয়েছেন, কাসেমিরোকে জাতীয় দলের হয়ে আর খেলাবেন না জানিয়ে দিয়েছেন আনচেলোত্তি, চোট পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে বার্সেলোনায় ফিরে গিয়েছেন রাফিনিয়া। ২০২৬ বিশ্বকাপে যাঁরা ছিলেন তাঁদের মধ্যে এগারজন আছেন কলকাতায় এসে পৌঁছনো ব্রাজিল দলে যাঁদের আটজনের নাম রীতিমতো ভয়ধরানো — মারকিনিওস, মার্গালায়েস, দোগলাস সানতোস, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সানতোস, বিনিসিউস জুনিয়র, এনদ্রিক, গাব্রিয়েল মার্তিনেই। আনচেলোত্তি অবশ্য কোনও প্ররোচনাতেই কান দেননি এবং শনিবারের প্রথম একাদশ সম্পর্কে বারদুয়েক প্রশ্নে এক–‌শব্দে উত্তর দিয়েছেন — ‘‌নো’‌!


ভদ্রতার প্রতিমূর্তি আনচেলোত্তি তো চির–‌অচেনা খালিদকে জড়িয়ে ধরে ‘‌বেস্ট অফ লাক’‌ বলেই মঞ্চ থেকে নেমেছিলেন। ২০০২–‌এর পর কেন ব্রাজিল আর বিশ্বকাপ জেতেনি প্রসঙ্গে আনচেলোত্তি যদিও বললেন তাঁর পক্ষে সব কারণ বোঝা সম্ভব নয়, কিন্তু ফুটবলপ্রেমীদের মন জিতে নিলেন ব্রাজিল–‌ফুটবলের কোন জিনিসটা পাল্টাতে চান না প্রশ্নের উত্তরে — ‘‌চাই, ফুটবল খেলার খুশিটা চিরকাল জুড়ে থাকুক ব্রাজিলের ফুটবলের সঙ্গে।’‌

জোগো বোনিতো বা সুন্দর ফুটবলের দেশে এখনও ফল্গুর মতোই অন্তঃসলিলা, বয়ে চলে সেই পায়ে–‌বলের আনন্দধারা, যা, হয়তো, ভারতকে সেই ১৯৫২ অলিম্পিকে যুগোস্লাভিয়ার বিরুদ্ধে ১–‌১০ হারানোর গ্লানি মনে করাবে না শনিবার যুবভারতীতে!

Tuesday, March 10, 2026

India ready for ‘final’ against Chinese Taipei in AFC Women’s Asian Cup




AIFF Media Release

Sydney, Australia, 9 March, 2026:A virtual final awaits the Indian senior women’s national team, as they take on Chinese Taipei in their third and final Group C encounter of the AFC Women’s Asian Cup Australia 2026, at the Western Sydney Stadium in Sydney, Australia, on Tuesday, March 10, 2026. The match will kick off at 14:30 IST, and will be streamed live on FanCode.

India are currently bottom of the group at fourth place with zero points from two matches after having lost against Vietnam (1-2) and Japan (0-11). Japan are at the top of the group with six points from two games, while Chinese Taipei and Vietnam are second and third, respectively, with both sides tied on three points apiece.

However the Blue Tigresses still have a chance to make it to the quarter-finals, should they defeat Chinese Taipei by a margin of two goals or more, and if Japan defeat Vietnam on Tuesday in the simultaneous kick-off. The top two teams from each of the three groups, along with the two best third-place finishers will make it to the last eight.

India head coach Amelia Valverde highlighted the importance of putting the past results behind, after the last two results.

“The two matches (against Vietnam and Japan) were very different. The first thing we have to do is try to turn the page on what has happened as quickly as possible. We need to prepare well for this match, and we have no doubt about that,” said Valverde.



For the Blue Tigresses, the clash against Chinese Taipei is akin to a virtual final.

“We are aware of the importance of the match. We have already turned the page from our previous game, and now have this opportunity, which we must approach with the seriousness it deserves,” she said.

“The players are focused, and we are working on finishing our chances. We know that it is like a final for us,” said Valverde. “They have been working hard to create history for their country for many months. So we must be aware that we have a clear opportunity to qualify and a clear opportunity to finish this phase well, and hopefully achieve it.”

While the India head coach wants her side to play a certain brand of football, she is aware of the threats that Chinese Taipei pose.

“If we reproduce the version of football we showed in the second half of the first match, we will be very close to achieving success. On the other hand, Chinese Taipei are well organised in their style of play,” she said. “They had a very strong defensive phase in their first match and adjusted their formation slightly, but they played a very intelligent game against Japan.

“We need to bring intensity, be a team that want the ball, and try to take it forward into attack. That is one of our advantages, especially considering the abilities of our players, and we will try to make the most of that,” said Valverde.

India midfielder Shilky Devi Hemam echoed the coach’s feelings of the Chinese Taipei match being a virtual final for the Blue Tigresses.

“We have learned our lessons from the last game, and I think this (Chinese Taipei) will be a special match for us,” said Shilky. “It’s a great opportunity for us, and we have to make the most of it.”

Chinese Taipei, on the other hand, have a much easier task. A draw will be enough for them to seal progression to the knockout stage. Head coach Prasobchoke Chokemor, though, is egging his side for a win.

He said, “The team are more confident after bouncing back in the last match, but I must make sure they don’t end up being over-confident. Of course, while we have a good chance of qualifying even with a draw, we will still go on the pitch and play to win the match and not worry about other factors in the other matches.”

While they may be going for the victory, the Chinese Taipei head coach was wary of the Indian threat, especially from forward Manisha Kalyan.

“We don’t expect our tie against India to be easy, as I am familiar with their game. I watched them during the Qualifiers in Thailand, and they are very good. We are particularly focused on containing Manisha Kalyan, who has demonstrated tremendous speed, and our eyes will definitely be on her.” 

Saturday, March 7, 2026

Indian women routed by Japan 0-11

 


AIFF Media Release

India - 0

Japan - 11 (Yuzuki Yamamoto 4’, Yui Hasegawa 13’, Hinata Miyazawa 20’, 35’, 81’, Kiko Seike 45+5’ p, 55’, Riko Ueki 47’, 50’, 65’, Maya Hijikata 62’)

Perth, Australia, Saturday, March 7, 2026: The Indian senior women’s national team suffered a 0-11 loss at the hands of Japan in their second Group C match of the AFC Women’s Asian Cup Australia 2026 at the Perth Rectangular Stadium in Perth, Australia, on Saturday, March 7, 2026. The former World Cup and Asian Cup champions led by five goals at half-time.

Japan’s Hinata Miyazawa (20’, 35’, 81’) and Riko Ueki (47’, 50’, 65’) scored a hat-trick each. Kiko Seike (45+5’ p, 55’) scored two, while Yuzuki Yamamoto (4’), Yui Hasegawa (13’), and Maya Hijikata (62’) netted one each.

The Blue Tigresses are currently bottom of Group C with zero points and a -12 goal difference. However, the result is not a killer blow for India, as a victory against Chinese Taipei by a two-goal margin in their final Group Stage match on Tuesday, March 10, will see India finish second in the group and progress to the quarter-finals.

ndia head coach Amelia Valverde made three changes to the starting XI, bringing in Juli Kishan, along with debutants Aveka Singh and Sarita Yumnam, in place of Grace Dangmei, Nirmala Devi Phanjoubam, and Shilky Devi Hemam.



The Nadeshiko got off the blocks quickly and never really let their foot off the pedal, taking the lead in the fourth minute with a quality curler from Yamamoto, who cut inside from the right and placed the ball into the top corner with her left foot.

India had little chance to venture out of their box, playing with five defenders, with Manisha Kalyan the lone figure up top, trying to catch stray clearances to play to her teammates. The Japan defence, however, were quick to nip any fledgling Indian attack in the bud, a trend that lasted the majority of the 90 minutes.

The world number eight team doubled their lead in the 13th minute, when Yamamoto turned provider, swerving past Sanju from the right again, before cutting it back for her captain Hasegawa to score from inside the box. Hasegawa, in turn, became the provider for the next goal, setting up Miyazawa for Japan’s third in the 20th minute.

The Blue Tigresses were well and truly pinned back, with centre-backs Sweety Devi Ngangbam, Juli Kishan, and Martina Thokchom fighting tooth and nail. Goalkeeper Panthoi Chanu Elangbam made a flurry of saves to prevent Japan from inflicting further damage.

However, the 2014 and 2018 Asian Cup champions combined their wingers and midfielders to isolate the India wing-backs and create chances, especially down both flanks. Midfielder Honoka Hayashi, in the 35th minute, slipped one between the lines to Miyazawa, who poked it past Panthoi to score the fourth at the near post.

Seconds before the half-time whistle, Japan were awarded a penalty after the Video Assistant Referee (VAR) deemed Sweety to have committed a foul on Saki Kumagai inside the India box. Seike calmly sent Panthoi the wrong way from the spot-kick.

Not much changed in the second half, as Ueki, who came on as a substitute at half-time, scored two in quick succession, before Seike added the eighth goal with a tap-in.

Just over the hour mark, Hijikata scored the ninth with her header, while Ueki completed her hat-trick in the 65th minute with yet another header from inside the box.

Miyazawa also completed her hat-trick with nine minutes of regulation time left, scoring another tap-in, as Japan’s superior wingplay opened up the Indian defence.

India: Panthoi Chanu Elangbam (GK), Sweety Devi Ngangbam (C), Juli Kishan, Sangita Basfore, Soumya Guguloth (Kaviya Pakkirisamy 73’), Sanju (Astam Oraon 73’), Pyari Xaxa (Grace Dangmei 57’), Martina Thokchom, Manisha (Lynda Kom Serto 88’), Aveka Singh (Babina Devi Lisham 57’), Sarita Yumnam.

PC - AIFF 

Monday, October 1, 2018

আশাহত হলেও বাড়ল ভারতবাসীর আশা । কাশীনাথ ভট্টাচার্য

কাশীনাথ ভট্টাচার্য

দক্ষিণ কোরিয়ার বালকদের দলে কোনও ‘ভিভ রিচার্ডস’ ছিল না! ভারতের অনূর্ধ্ব১৬ অধিনায়ক বিক্রম প্রতাপকে যদি সে সে-ই যাচিত সুযোগ দিত হাতে তুলে! কিংবা, গিভসন সিংয়ের শট যদি ৫২ মিনিটে ধরতে না পারত দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক শিন সোং। হয়ত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক নিত দেশের ফুটবল ইতিহাস।
এএফসি অনূর্ধ্ব১৬ প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ০-১ হারল ভারত। ছিটকে গেল প্রতিযোগিতা থেকে। পেরুতে ২০১৯-এ অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব১৭ বিশ্বকাপ থেকেও। এএফসি থেকে চার দেশ সুযোগ পাবে অনূর্ধ্ব১৭ বিশ্বকাপে। সেমিফাইনালে উঠতেই হত তাই। মালয়েশিয়ার পেতালিং জয়া স্টেডিয়ামে পরিবর্ত জেওং সাং-বিনের ৬৮ মিনিটের গোলে স্বপ্নভঙ্গ আপাতত। শুরু নতুন করে স্বপ্ন দেখা। এত কাছে এসে ফিরে যাওয়ার যন্ত্রণাই বুনে দিল নতুন স্বপ্নের বীজ!
নামগুলো মনে রাখুন। যারা ভারতকে নিয়ে এসেছিল বিশ্বকাপের দোরগোড়ায়।
ছবি - টুইটার থেকে
খাবিয়ের সেপ্পি টুইট করেছিলেন ২৭ সেপ্টেম্বর। যে রাতে ভারতীয় কিশোরদের সামনে খুলে গিয়েছিল বিশ্বকাপের দুয়ার। অনূর্ধ্ব১৬ দল গ্রুপে রানার্স হয়ে এএফসি প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র আদায় করেছিল। ভারতে ফুটবল দেখানোর অন্যতম প্রধান টেলিভিশন সংস্থাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন সেপ্পি, ‘ এএফসি-র সব ম্যাচ দেখানোর স্বত্ত্ব কি স্টার স্পোর্টসের নয়? সোমবার ভারত এমন ম্যাচ খেলবে যা খুলে দিতে পারে বিশ্বকাপের দরজা।’ যাঁরা ভুলে গিয়েছেন, মনে করিয়ে দেওয়া যাক, এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে সফল অনূর্ধ্ব১৭ বিশ্বকাপ ভারতে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেপ্পির প্রশাসনিক নেতৃত্বে। ভারত তাঁকে এতটাই প্রভাবিত করেছে, ভারতীয় ফুটবলের সরব সমর্থক এখন।  কাজ হয়েছিল তাঁর টুইটে। স্টার বাধ্য হয় আইএসএল সরিয়ে রেখে কুয়ালালামপুর থেকে এই ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করতে।
ভারতের ফুটবলমহল সুযোগ হাতছাড়া করেনি। টেলিভিশনের সামনেই ছিলেন সবাই বুঝিয়ে দিয়েছিল সোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। ভারতের সিনিয়র দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী তো ইনস্টাগ্রামে বার্তাই দিয়ে রেখেছিলেন বাচ্চাদের জন্য, ‘নিশ্চিন্তে খেলো, আমরা দেখছি তোমাদের’।
খেললও তারা। অনূর্ধ্ব১৬ বা সদ্য-ষোল। জান লড়িয়েই দিল প্রতিযোগিতার শ্রেষ্ঠ দলের বিরুদ্ধে। গ্রুপে তিন ম্যাচে যারা করেছিল ১২ গোল, একটিও না-খেয়ে। ভারতও খায়নি গোল সেই তিন ম্যাচে। কোয়ার্টার ফাইনালে রক্ষণের অন্যতম সেরা বিকাশ ইউমনামকে না-পেয়েও প্রথম ৪৫ মিনিট গোল দিতে দেয়নি দক্ষিণ কোরিয়াকে। তিনকাঠির তলায় নীরজ কুমার দুর্ভেদ্য তখন। অন্তত চারবার নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে নায়ক।
দ্রুতগতিতে আক্রমণ প্রধান অস্ত্র দক্ষিণ কোরিয়ার, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন ম্যাচের আগেই। বিবিয়ানো ফেরনানদেসের প্রশিক্ষণে ভারত প্রস্তুত ছিল সামলাতে। গোল পেতে দক্ষিণ কোরিয়াকে অপেক্ষা করতে হল ৬৮ মিনিট, তা-ও পড়ে-পাওয়া গোল।  নিচু হয়ে-আসা শট বাঁচিয়েছিল নীরজ। ফিরতি বল চলে গিয়েছিল আগুয়ান অরক্ষিত জেওংয়ের পায়ে।
প্রথমার্ধে নিজেদের অর্ধে নিচে নেমে খেলে আক্রমণ শুষে নেওয়ার কাজ করতে করতে দ্বিতীয়ার্ধে বিশেষত গোল খাওয়ার পর আক্রমণেও এসেছিল ভারতীয়রা। দু-অর্ধে যদিও দুটির বেশি সুযোগ আসেনি বিপক্ষের গোলে শট নেওয়ার। ওই দুবারই যা কোরীয় গোলরক্ষককে ব্যস্ত দেখা গিয়েছিল। পাসিং দুরন্ত এবং দ্রুত, বল মাটিতে এবং পায়ে রেখে খেলতে অভ্যস্ত দক্ষিণ কোরিয়াকে কিন্তু গোলের পরও ব্যবধান বাড়াতে দেয়নি ভারত। কৌশলগত লড়াইয়ে কোনও দলের চেয়ে একফোঁটাও পিছিয়ে, মনে হয়নি চার ম্যাচে। নিশ্চিতভাবেই যা সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ২০১৭ অনূর্ধ্ব১৭ বিশ্বকাপ থেকে উঠে এসেছিলেন গোলরক্ষক ধীরজ সিং মৈরাংথেম। ২০১৮ এএফসি কাপ দিয়ে গেল নীরজ কুমারকে।
এশীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় চার ম্যাচে একটিই গোল, তা-ও নকআউটে, নিয়ে ফিরছে নীরজ-বিক্রম-গিভসনরা। নিজেরা আশাহত হলেও বাড়িয়ে দিয়েছে দেশবাসীর আশা। ‘পৃথিবী তাকিয়ে দ্যাখো’। ঘুমন্ত দৈত্য জাগছে। এমন দিনেই তো বলা যায়, জোরগলায়!

Friday, August 4, 2017

মেহিকোর কাছে ১-৫ হারল ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৭ দল

শান্তনু ব্যানার্জি


চারদেশীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মেহিকোর কাছে ১-৫ ব্যবধানে হেরে গেল ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৭ দল। লুইস নর্তন দে মাতোসের প্রশিক্ষণে ভারতীয় যুব দল মেহিকো সিটি-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রায় উড়েই গেল। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোল পেয়ে যায় মেহিকো। পিছিয়ে পড়েও ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ৮ মিনিটে কোমল এবং ২৭ মিনিটে সঞ্জীব গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টে, ২৩ মিনিটে ২-০ এগিয়ে যায় মেহিকো। বিরতির পরে মাতোসের ফুটবলাররা গোলের জন্যে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে উঠে আসে এবং ৫২ মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে ফেলে। পেনাল্টি থেকে অমরজিৎ সিং এর করা গোলে। কিন্তু এরপর মেহিকোর যুব দল আর ভারতকে ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ দেয়নি। ৫৮ এবং ৮৮ মিনিটে আরও দুটি গোলে ৪-১। ম্যাচ শেষের এক মিনিট আগে ফের গোল। অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে এই চতুর্দেশীয় প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়েছে ভারত। পরের খেলা ৪ অগাস্ট কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে। দেশের মাঠে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে ভারতের গ্রুপেই আছে কলম্বিয়া। মেহিকো সিটিতেই এই ম্যাচ হবে। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের পর ভারতীয় দল শেষ ম্যাচ খেলবে চিলে-র বিরুদ্ধে, আগামী ৬ অগাস্ট।

Wednesday, July 19, 2017

বিশ্বকাপে ভাল ফলের আশায় দক্ষিণেশ্বরে পুজো তমালের

শান্তনু ব্যানার্জি


দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন তমাল নস্কর। বাঙালি এই তরুণ আছেন ভারতের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ দলে, আগামী ৬ অক্টোবর থেকে যিনি দাঁড়াতেই পারেন তিনকাঠির তলায়, ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে।

ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনজন। অভিজিৎ সরকার, জিতেন্দ্র সিং ও তমাল নস্কর। অভিজিৎ ও জিতেন্দ্র এখন যোগ দিয়েছেন দিল্লিতে ভারতীয় শিবিরে। তমাল যাবেন কয়েক দিন পর। তার আগে, দক্ষিণেশ্বরে মাকালীর কাছে প্রার্থনা সেরে এলেন তমাল, বাবা-মা’কে সঙ্গে নিয়ে।

‘ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করে এলাম, বিশ্বকাপে যেন আমার সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে দেশকে জেতাতে পারি। বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে পারি নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে, উজ্জ্বল করতে পারি তাঁদের নামও’, বলছিলেন তমাল।

ভক্ত ইকের কাসিয়াসের। স্পেনের অধিনায়ক হিসেবে যিনি জিতেছিলেন বিশ্বকাপ ও ইউরো এবং রেয়াল মাদ্রিদের হয়ে যাঁর সাফল্য আকাশছোঁয়া। বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক কাসিয়াসের ভক্ত তমালের মনপ্রাণ জুড়ে এখন শুধুই যুব বিশ্বকাপ। নিজেকেও ছাপিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ। অদম্য জেদ আর লড়াকু মানসিকতা দিয়ে যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলতে চান তমাল।

তাঁর ছোটবেলার কোচ কৃষ্ণেন্দু কুমার মিত্র (গোপু) বলছিলেন, ‘আমার কাছে ফুটবল শিখতে আসত ওর দাদা। সঙ্গে গুটিগুটি পায়ে খুব ছোট্ট তমালও। দেখতে ভাল লাগত যে, ওই ছোট বয়সেই তমাল বড়দের গ্লাভস পরে মাঠে নেমে পড়ত! প্রতিভা তো নিশ্চয়ই ছিল। নিরলস অনুশীলনে আজ এখানে পৌঁছেছে। বিশ্বকাপের দলে জায়গা পেয়েছে।’

২০১৩ সালে কল্যাণীতে হয়েছিল ট্রায়াল। সেখান থেকেই তমালের সুযোগ পাওয়া, জাতীয় দলে। পাশে সবসময় আছেন বাবা-মা। বাবা প্রদীপ নস্কর বলছিলেন, ‘বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিক, আর কী-ই বা চাইতে পারি।’ মা সমিতা-ও খুশি, যিনি শুরুর দিনগুলোয় ছেলে যখন শিবিরে যেত বাইরে, খুব চিন্তায় থাকতেন। ‘ছোট থেকেই কিন্তু গোলকিপার হতে চাইত, গোল আটকাতেই চাইত, গোল করতে নয়’, বললেন।

তমাল অবশ্য এখন আর পেছনে তাকাতে রাজি নন। একটাই লক্ষ্য, বিশ্বকাপে নিজেকে চেনানো আর দেশের মুখ উজ্জ্বল করা।

Thursday, July 13, 2017

অনূর্ধ্ব ১৭ ফিফা বিশ্বকাপের সূচির লটারি অনুষ্ঠানের অ্যালবাম / সন্দীপ দত্ত

মুম্বই গিয়েছিলেন রাইট স্পোর্টসের আলোকচিত্রী সন্দীপ দত্ত।


তুলে আনলেন ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ক্রীড়াসূচির লটারির নানা ছবি।


[caption id="attachment_3900" align="alignleft" width="3216"] অলিম্পিকে রুপো পেয়েছিলেন পিভি সিন্ধু। সুযোগ পেয়ে তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলে রাখার লোভ সামলাতে পারলেন না অনূর্ধ্ব ১৭ ভারতীয় দলের পর্তুগিজ কোচ লুইস নর্তন দে মাতোস[/caption]

[caption id="attachment_3899" align="alignleft" width="3216"] প্রফুল প্যাটেল এবং কোচ মাতোসের সঙ্গে আলোচনায় বাইচুং ভুটিয়া[/caption]

[caption id="attachment_3898" align="alignleft" width="3216"] অনূর্ধ্ব ১৭ ফিফা বিশ্বকাপে ভারত বেশ কঠিন গ্রুপে, বিশ্লেষণ করছিলেন, ডানদিক থেকে কোচ লুইস নর্তন দে মাতোস, প্রফুল প্যাটেল এবং ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৭ দলের সদস্য সঞ্জীব স্টালিন[/caption]

 

[caption id="attachment_3897" align="alignleft" width="2208"] অনূর্ধ্ব ১৭ ফিফা বিশ্বকাপের ড্র-তে দুই বাঙালি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও বিশ্বকাপের থিম সঙ-এর সুরকার প্রীতম চক্রবর্তী[/caption]

[caption id="attachment_3896" align="alignleft" width="3216"] অনূর্ধ্ব ১৭ ফিফা বিশ্বকাপের ড্র, অনুষ্ঠানে হাজির বাঁদিক থেকে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী বিজয় গোয়েল, পিভি সিন্ধু, প্রফুল প্যাটেল এবং লুইস নর্তন দে মাতোস[/caption]

 

 

 

[caption id="attachment_3895" align="alignleft" width="3216"] অনূর্ধ্ব ১৭ ফিফা বিশ্বকাপের লটারির অনুষ্ঠানে মঞ্চে হাজির ভারতের সিনিয়র দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী[/caption]

 

[caption id="attachment_3894" align="alignleft" width="1744"] নাইজেরিয়ার হয়ে ১৯৯৩ সালে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপজয়ী নোয়ানকো কানু এলেন অনুষ্ঠান-মঞ্চে, ট্রফিহাতে[/caption]

 

 

 

 

[caption id="attachment_3893" align="alignright" width="1000"] এই বলেই খেলা হবে ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ[/caption]

Wednesday, June 21, 2017

নেদারল্যান্ডসের কাছে হার, কোয়ার্টার ফাইনালে সামনে মালয়েশিয়া

শান্তনু ব্যানার্জি


নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার চব্বিশ ঘন্টা আগে ভারতীয় হকি দলের কোচ রোনাল্ট ওল্টম্যানস বলেছিলেন, ডাচদের বিরুদ্ধে পুরোনো রেকর্ড ভারতের অনুকূলে থাকলেও তিনি ওই রেকর্ড নিয়ে ভাবতে নারাজ। ডাচ কোচের মতে, ‘ভারত এবং নেদারল্যান্ডস দুই দলেই অনেক নতুন খেলোয়াড়। ম্যাচটা তাই কঠিন হবে।’ তাঁর সাবধানবাণী হুবহু মিলেও গেল ভারতের ক্ষেত্রে। পুল বি-তে শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরে গেল ভারত, ১-৩ গোলে।

গত রবিবার চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মধুর প্রতিশোধ নিয়েছিলেন হরমনপ্রীত-মনপ্রীতরা। ৭-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয়ের পরের ম্যাচে ডাচদের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়ল ভারতীয় হকি দল। যদিও, হার সত্ত্বেও গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থেকেই চলে গেল কোয়ার্টার ফাইনালে, ৯ পয়েন্ট নিয়ে। নেদারল্যান্ডসের পয়েন্ট ১২।

নেদারল্যান্ডসের তিন গোল যথাক্রমে ব্রিঙ্কম্যান, অধিনায়ক বার্ট এবং প্রুইসারের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মনপ্রীতদের খেলার ঝাঁঝ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে দেখা যায়নি। কিন্তু তারিফ করার মতো পারফরম্যান্স ভারতীয় গোলকিপার আকাশ চিকতের। দুটি দুর্দান্ত সেভ করেন। শেষ ১০ মিনিটে দুটি পেনাল্টি কর্নার আদায় করলেও ব্যবধান কমাতে ব্যর্থ ভারত। দুবারই হরমনপ্রীতকে গোল করতে দেননি ডাচ গোলরক্ষক। বৃহস্পতিবার কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের সামনে মালয়েশিয়া।

Monday, June 19, 2017

৭-১, হকিতে চূর্ণ পাকিস্তান

শান্তনু ব্যানার্জি


লন্ডনে পাকিস্তান স্রেফ উড়ে গেল ভারতের হকি তারকাদের দাপটে। ভারত জিতল ৭-১! পৌঁছে গেল কৌয়ার্টার ফাইনালে, গ্রুপ শীর্ষে উঠে। তিন ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৯। স্কটল্যান্ডকে ৪-১, কানাডাকে ৩-০ হারানোর পর পাকিস্তানকে ৭-১। থামানো যাচ্ছে না ভারতীয়দের।

হকি ওয়ার্ল্ড লিগের সেমিফাইনালে গ্রুপ পর্যায়ে ভারতের এই বিরাট জয় যেন বদলা ৩৫ বছর আগের এশিয়ান গেমস ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে দিল্লিতে ১-৭ হারের বদলা। সেই ম্যাচ নিয়েই নাকি সিনেমা হয়েছিল ‘চক দে ইন্ডিয়া’। যদিও সেই ম্যাচের গোলরক্ষক নেগি বারবারই বলেছেন, সমালোচিত হলেও তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ ওঠেনি কখনও, সিনেমায় যা ছিল মূল কথা। লন্ডনের এই জয় সেই সব কথাই আবার তুলে নিয়ে আসবে, নিশ্চিত।

কিন্তু যা ভোলা যাবে না, রোল্যান্ট ওল্টম্যানসের প্রশিক্ষণে এই ভারতীয় তরুণদের উদ্দীপ্ত হকি খেলা। হরমনপ্রীত সিং (‌১৩, ৩৩ মিনিট)‌, তলবিন্দর সিং (‌২১, ২৪)‌ ও আকাশদীপ সিং (৪৭, ৫৮)‌‌ করলেন জোড়া গোল। একটি গোল প্রদীপ মোর–‌এর, ৪৯ মিনিটে। পাকিস্তান কোনও প্রতিরোধই করতে পারেনি। প্রতিযোগিতায় তিন ম্যাচে মোট ১৭ গোল খেল পাকিস্তান, বোঝাই যাচ্ছে হকিতেও কতটা পিছিয়ে পড়ছে একসময়ের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান।

ম্যাচ শেষেই শচীন তেন্ডুলকার টুইট করে জানালেন অভিনন্দন। রুপিন্দর পাল সিং টুইটারে জানালেন, ‘‌৭–‌১ শুধুই জয় নয়, একটা স্টেটমেন্ট। দুর্দান্ত খেলেছ তোমরা, গর্বিত।’ শ্রীজেশও দলের সবাইকে অভিনন্দ জানাতে ভোলেননি, এই প্রতিযোগিতায় যিনি খেলতে যেতে পারেননি।

এই জয়ের ফলে প্রাপ্ত আত্মবিশ্বাস নিশ্চিতভাবেই সাহাযষ করবে ভারতকে, প্রতিযোগিতায় আরও ভাল খেলতে, বাকি ম্যাচগুলিতে। একটা দিন বাদ দিয়ে, মঙ্গলবারই কিন্তু ভারতের সামনে নেদারল্যান্ডস।

Sunday, June 4, 2017

প্রনীত ফাইনালে, সাইনার হার সেমিফাইনালেই

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


থাইল্যান্ড ওপেনের সেমিফাইনালে হেরে গেলেন সাইনা নেহওয়াল। তবে ফাইনালে চলে গেলেন সাই প্রনীত।

সেমি ফাইনালে থাইল্যান্ডের চতুর্থ বাছাই বুসানন ওঙ্গবামরুঙ্গফার কাছে ১৯-২১, ১৮-২১ হারেন সাইনা। তবে পান্নাউইট থোংনুয়ামকে ৩৬ মিনিটে ২১-১১, ২১-১৫ হারিয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার ডলারের থাইল্যান্ড ওপেনের গ্রাঁ প্রি-র ফাইনালে চলে গেলেন সাই প্রনীত। ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার চতুর্থ বাছাই জোনাথন ক্রিস্টির মুখোমুখি হচ্ছেন প্রনীত।

বিশ্বের ২৪ নম্বর শাটলার প্রনীত প্রথম গেমে ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই গেম জিতে নেন তিনি। তবে দ্বিতীয় গেমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন থোংনুয়াম। প্রথমে ৬-৩ এগিয়ে যান থোংনুয়াম। তবে পরে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১০-৩ এগিয়ে যান প্রনীত। এরপর ১০-১০ করে ফেলেন থোংনুয়াম। শেষ পর্যন্ত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পর পর ৭ পয়েন্ট জিতে গেম বের করে নেন প্রনীত।

বুসাননের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল সাইনাকে। প্রথম গেমে ১৭-১৩ এগিয়েও ছিলেন তিনি। কিন্তু এরপর দিশা হারিয়ে ফেলেন হায়দরাবাদি। বুসানন যখন জিতেছেন ৮ পয়েন্ট, তখন সাইনা জেতেন মাত্র ২ পয়েন্ট। দ্বিতীয় গেমেও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সাইনা ১৩-৯ এগিয়ে যান। তবে পর পর কয়েকটা ড্রপ শটে ১৮-১৮ করে ফেলেন বুসানন। শেষে ৩ পয়েন্ট জিতে ফাইনালে পৌঁছে যান তিনি। ফাইনালে প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন রাতচানক ইতাননের মুখোমুখি হবেন বুসানন। বিশ্বের ১১ নম্বর বাছাই সাইনা চারবার খেলেছেন বুসাননের সঙ্গে। এই প্রথম হারলেন তিনি।

Sunday, May 28, 2017

রবিবার গা-ঘামানো ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিরাটরা, বিশ্রামে যুবরাজ

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে রবিবারই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে বিরাট কোহলির ভারত। গা-ঘামানো ম্যাচে আপাতত সকলেরই নজর অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ফাস্ট বোলার মহম্মদ সামির দিকে।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ ৪ জুন। টানা ৬ সপ্তাহ আইপিএল-এ ২০-ওভার করে খেলার পর দুটি ওয়ার্ম ম্যাচ ৫০ ওভারের খেলায় ফিরতে সাহায্য করবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের। গত জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল ভারত।

একটানা ১৩ টেস্ট খেলার পর অশ্বিনকে ২ মাস বিশ্রাম নিতে বলেছিল বিসিসিআই। ফলে এবার আইপিএলে খেলেননি অশ্বিন। দু মাস পর মাঠে বল হাতে তিনি কী চমক দেন, সেদিকেই এখন নজর সকলের। দুটো ওয়ার্ম আপ ম্যাচই তৈরি হওয়ার সুযোগ দেবে অশ্বিনকে। কোনও কারণে ১১ জনের দলে একজন স্পিনার রাখার সিদ্ধান্ত হলে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে লড়তে হবে তাঁকে।

ওভালের পিচে ৩০০ প্লাস রান ওঠাটাই স্বাভাবিক। ফলে কেন উইলিয়ামস, মার্টিন গুপ্টিলের মতো ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন অশ্বিন। জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বেশ কিছু নতুন কৌশল তিনি কাজে লাগাতে চান।

নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দুটিতে বল করতে পারেন মহম্মদ সামিও। ২০১৫য় সিডনিতে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের পর ভারতের হয়ে ৫০ ওভারের ম্যাচ যিনি আর খেলেননি। পুরোপুরি ফিট হয়েই যোগ দিয়েছেন দলে। তাঁর বলের দ্রুত গতি ও দুদিকেই সুইং করানোর ক্ষমতা দলের সম্পদ।

ভুবনেশ্বর কুমার, যশপ্রীত বুমরা ও হার্দিক পাণ্ড্য জায়গা করে নিতে আগ্রহী ১১ জনের দলে। কিন্তু, গা-ঘামানো ম্যাচে নিশ্চিতভাবেই দল পরিচালন সমিতি দেখে নিতে চাইবে সামিকে, যাঁকে ভারতের সেরা বোলার বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন পাকিস্তানের শোয়েব মালিক।

ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শুরুতেই থাকছেন রোহিত শর্মা। তবে আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ানস-এর হয়ে ওপেন করেননি তিনি। লোকেশ রাহুলের কাঁধে  অস্ত্রোপচার হওয়ায় সুযোগ পাচ্ছেন শিখর ধাওয়ান। ২০১৩র চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সেরা ব্যটসম্যানের পুরস্কার পেয়েছিলেন শিখর। এবারও ১১ জনের দলে জায়গা পাকা করে নিতে চাইবেন তিনি।

যুবরাজ সিংয়ের জ্বর হয়েছিল। অনুশীলন করেননি, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গা-ঘামানো ম্যাচেও তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হবে, জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে, ভাবনার কিছু নেই, বিশ্রাম নিলেই ঠিক হয়ে যাবে, আশ্বাসসহ। পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচকে কাজে লাগাতে চাইবেন ভারতীয় দলের সবাই-ই।

ভারতের সেরা বোলার সামি, মন্তব্য শোয়েব মালিকের, টুইটারে ঝড়!

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


ভারতের সেরা বোলার মহম্মদ সামিই। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কবুল করলেন পাক ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক। ৪ জুন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দু-দেশের এবারের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান।

সানিয়া মির্জার স্বামী শোয়েবের মতে, ‘ভারতের সেরা বোলার মহম্মদ সামি। মুসলমান বলেই একথা বলছি না। ওর বোলিং দেখেছি। ওর বল খেলেওছি। বেশ কঠিন ওর বলে খেলা। দু-দলের আমরা সবাই মোটামুটি একই সময়ের। তাই ভারতীয় দলের সবার সঙ্গেই আমার বন্ধুত্ব রয়েছে। একে অপরের বিরুদ্ধে অনেকবার খেলেওছি।’

সমস্যা হল, সামি প্রসঙ্গে ‘মুসলমান বলেই এমন বলছি না’ এই মন্তব্যের জেরে পরে টুইটারে বেশ কথাও শুনতে হল শোয়েব মালিককে। জোর করে ধর্মের প্রসঙ্গটা টেনে আনার কোনও দরকার ছিল না, যাঁরা যাঁরা বিরোধিতা করেছেন, বলেছেন সবাই-ই প্রায়।

কাল রবিবার নিউজিল্যান্ড ও ৩০ তারিখ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের গা-ঘামানো ম্যাচ। আর শনিবার বাংলাদেশের সঙ্গে খেলার পর ২৯ মে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলবে পাকিস্তান। এরপরেই ৪ জুন টুর্নামেন্টে মুখোমুখি দুই দল।

অনুষ্ঠানিক ভাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরু হচ্ছে জুনে। প্রথম ম্যাচে লন্ডনের কেনসিংটন ওভালে আয়োজক ইংল্যান্ডের সামনে বাংলাদেশ।

Thursday, May 25, 2017

ব্যাঙ্ককে এশিয়ান ইউথ অ্যাথলেটিক্সে রিলেতে ভারতের সোনা

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


ব্যাঙ্ককে দ্বিতীয় এশিয়ান ইউথ অ্যাথলেটিক্সে ছেলেদের মেডলি রিলে রেসে সোনা জিতল ভারত। মঙ্গলবার রিলেতে সোনা জেতেন গুরিন্দারবীর সিং,পালেন্দর কুমার, মণীশ ও অক্ষয় নৈন। দৌড় শেষ করতে ভারতীয় দল সময় নেয় ১ মিনিট ৫৫.৬২ সেকেন্ড। চিনা তাইপেই ও হংকংকে হারিয়ে সোনা জেতে ভারত। প্রতিযোগিতার শেষ দিনে ছেলেদের জ্যাভেলিন থ্রোয়ে রুপো ও ব্রোঞ্জ পেলেন ভারতের রোহিত যাদব ও অবিনাশ যাদব। পুরো টুর্নামেন্টে পদকজযের হিসাবে ভারতের স্থান তৃতীয়। ভারত জিতেছে ৫টি সোনা, ৫টি রুপো ও ৪টি ব্রোঞ্জ। পদকজয়ে শীর্ষে রয়েছে চিন। চিনাদের দখলে ১৬টি সোনা, ৯টি রুপো ও ৫টি ব্রোঞ্জ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিনা তাইপেই - ৬টি সোনা, ৭টি রুপো ও ২টি ব্রোঞ্জ।

এর আগে সোমবার ডিসকাস থ্রোয়িংয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের রেকর্ড ভেঙে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন ভারতের অভয় গুপ্তা। রুপো পেয়েও রেকর্ড ভেঙেছিলেন সাহিল সিলওয়াল।

সর্বোচ্চ ভোট পেলেন সিন্ধু, শাটলারদের নির্বাচনে

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


সুদিরমান কাপের নকআউট পৌঁছল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দল। কোয়ার্টার ফাইনালে পিভি সিন্ধুদের সামনে চিন, গত ১৪ বছরে যারা দশবারের চ্যাম্পিয়ন। ২০১১ সালে এই চিনের কাছেই হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ১-৪ হারের পর ইন্দোনেশিয়াকে ৪-১ হারিয় গ্রুপে দ্বিতীয় ভারত সুযোগ পেল প্রথম আটে শীর্ষবাছাই চিনের বিরুদ্ধে খেলার।

সুদিরমান কাপে নিজের দ্বিতীয় সিঙ্গলস জেতার পাশাপাশি খুশির খবর সিন্ধুর জন্য এল আরও। অস্ট্রেলিয়ায় বিডবলিউএফ অ্যাথলিট কমিশনের নির্বাচনে খেলোয়াড়দের প্রতিনিধি হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেন তিনি। এর ফলে এই ভারতীয় শাটলারের মুকুটে যোগ হল আরও একটা পালক। শাটলারদের জন্য প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থায় এবার সাইনা নেহওয়ালের পাশাপাশি ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন সিন্ধুও।

হায়দরাবাদির এই সাফল্যে তাঁকে অভিনন্দন জানিযেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বলেছেন, ‘ভারতীয়দের জন্য গর্বের মুহূর্ত। সংস্থার সবার তরফে এই নির্বাচনের জন্য সিন্ধুকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। গোটা বিশ্বের শাটলারদের মধ্যে সিন্ধু কতটা জনপ্রিয়, ভোটের ফলেই প্রমাণ। একইসঙ্গে এটাও প্রমাণিত, সারা বিশ্বের শাটলাররা ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের ওপর কতটা আস্থা রাখেন। বিশ্বাস করি, কোর্টে যেমন ১০০ শতাংশ দেয় সিন্ধু, তেমনই নতুন দায়িত্বেও যোগ্যতা প্রমাণ করবে।’

নির্বাচনে সিন্ধু পেয়েছেন ১২৯টি ভোট। জার্মানির মার্ক জোয়েইবলার ও স্কটল্যান্ডের ক্রিস্টি গিলমোরের সঙ্গে আগামি ৪ বছরের জন্য কমিশনের দায়িত্ব সামলাতে হবে সিন্ধুকে। পরে ২ বছরের জন্য যোগ দেবেন লিথুয়ানিয়ার অ্যাকভিলে স্তাপুসাইতাইত। আগে থেকেই এই কমিশনে রয়েছেন সাইনা, জাপানের শিনতারো ইকেদা ও নেদারল্যান্ডসের কোয়েন রিডার।

Tuesday, May 23, 2017

সুদিরমান কাপে সিন্ধু জিতলেও হারল ভারত

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


ব্যাডমিন্টনে অস্ট্রেলিয়ায় সুদিরমান কাপের শুরুটা মোটেই ভাল হল না ভারতের। প্রথম দিনেই ডেনমার্কের কাছে ১-৪ হারলেন ভারতের শাটলাররা। ব্যতিক্রম শুধু পিভি সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে লাইন জায়েরসফেল্ডটসকে ৩২ মিনিটের ম্যাচে ২১-১৮, ২১-৬ পয়েন্টে হারিয়ে ভারতের মান বাঁচিয়েছেন রিও অলিম্পিক্সে রুপো পাওয়া সিন্ধু।

মিক্সড ডবলস, পুরুষদের সিঙ্গলস ও পুরুষদের ডবলস, তিনটি বিভাগেই হেরেছেন ভারতীয়রা। প্রথম তিনটি ম্যাচই পরপর হেরেছিল ভারত। মিক্সড ডবলসের প্রথম ম্যাচে ভাল শুরু করেছিলেন অশ্বিনী পোনাপ্পা ও তরুণ শাটলার সাত্ত্বিকসাইরাজ রাঙ্কিরেড্ডি। তবে লন্ডন অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ পাওয়া জুটি জোয়াকিম ফিশার নিয়েলসন ও ক্রিশ্চিনা পেডারসেনের কাছে তাঁরা ম্যাচ হারেন ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটে। খেলার ফল ১৫-২১, ২১-১৬ ও ১৭-২১।

মালয়েশিয়া ওপেনে ভিক্টর অ্যাক্সেলসেনকে হারিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন বিশ্ব বাছাইয়ে ১৩ নম্বর অজয় জয়রাম। কিন্তু মুম্বইয়ের এই শাটলার এদিন মাত্র ২৭ মিনিটে ১২-২১ ও ৭-২১ পয়েন্টে পরাজিত হন। পুরুষদের ডবলসে ভারতের হয়ে নেমেছিলেন রিও অলিম্পিয়ান মনু আত্রি ও বি সুমিত রেড্ডি। তাঁদের বিপরীতে ছিলেন অলিম্পিক রুপোর পদকের প্রাক্তন মালিক ম্যাথাইস বোয়ে ও কার্স্টেন মগেনসেন। তবে ৩৩ মিনিটেই ম্যাচ জিতে নেন ডেনমার্কের এই জুড়ি। সঙ্গে ম্যাচও।

মহিলাদের সিঙ্গলসে এরপর ম্যাচ জিতে মান বাঁচান সিন্ধু। পঞ্চম ম্যাচে সৈয়দ মোদী গ্রাঁ প্রি-র রানার আপ জুটি অশ্বিনী ও এন সিক্কি রেড্ডি অলিম্পিক্মে রুপোর পদক পাওয়া ডেনমার্কের ক্যামিল্লা রিটার জুহল ও ক্রিস্টিনার কাছে ম্যাচ হারেন ২১-১৮, ১৫-২১ ও ২১-২৩ পয়েন্টে।

বুধবার এই প্রতিযোগিতায় প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত।

যুব বিশ্বকাপে ২৪ দলের শেষ দুটি নাম মালি ও নাইজের

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


বাকি ছিল শেষ দুটি জায়গা। আফ্রিকার দেশ মালি ও নাইজের নিশ্চিত করল ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে ভারতে আসা।

আফ্রিকা থেকে এর আগে প্রতিযোগিতায় যোগ্যতার্জন করেছিল ঘানা ও গায়ানা। তানজানিয়াকে ১ গোলে হারিয়ে এই প্রথম কোনও ফিফা টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতার্জন করে ইতিহাস গড়ল ছোট্ট দেশ নাইজের।

গত বছর অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৬ এএফসি অনূর্ধ্ব ১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ। ওই প্রতিযোগিতায় এশিয়া থেকে যুব বিশ্বকাপের জন্য জায়গা নিশ্চিত করেছিল ইরাক, ইরান, জাপান ও উত্তর কোরিয়া। সেন্ট্রাল, নর্থ আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে উঠে এসেছে কোস্তারিকা, হন্দুরাস, মেক্সিকো ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।

২০১৭-য় উয়েফা যুব ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে উঠে এসেছে সেরা ৫টি দল - ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন ও তুরস্ক। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নেবে ব্রাজিল, চিলে, কলম্বিয়া ও পারাগুয়ে। লিওনেল মেসির দেশের অনূর্ধ্ব ১৭ দল অবশ্য পারেনি বিশ্বকাপের যোগ্যতার্জন করতে। অন্যদিকে ওশিয়ানিয়া অঞ্চল থেকে এই বিশ্বকাপে খেলবে নিউ ক্যালিডোনিয়া ও নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্টের আয়োজক ভারত সরাসরি এই প্রতিযোগিতায় খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

প্রতিযোগিতার ডিরেক্টর হাভিয়ের সেপ্পি প্রতিযোগী ২৪টি দেশকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘যে ২৪টা দেশ বিশ্বকাপ খেলবে তাদের নাম জানার পর রীতিমতো উত্তেজিত। প্রতিটি দলই দুর্দান্ত। একদিকে রয়েছে প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, মেক্সিকো ও ঘানা, অন্যদিকে অনেকগুলি নতুন দেশ যাদের মধ্যে রয়েছে ভারত। অক্টোবরে এই বিশ্বকাপে দেখা যাবে রীতিমতো ফুটবল-উৎসব।’

২৪ দেশের নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর সবার অপেক্ষা এখন ৭ জুলাইয়ের জন্য। সেই দিন ক্রীড়াসূচি নির্ধারিত হবে। জানা যাবে কোন গ্রুপে কোন দেশ এবং কোন কোন শহরে খেলবে কোন কোন দেশ।

Friday, May 19, 2017

হকির সোনার মেয়ে সুনীতার সেঞ্চুরি

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

দেশের হয়ে ১০০টা আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ খেলে সেঞ্চুরি করে  ফেললেন ভারতীয় মেয়ে দলের ডিফেন্ডার সুনীতা লাকড়া। বৃহস্পতিবারই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ সিরিজের ম্যাচের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। এটাই তাঁর হকিতে শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ভারতের হয়ে ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক হকিতে যাত্রা শুরু হয় সুনীতার। তখন থেকেই তিনি ভারতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার। নিউজিল্যান্ডে দীপ গ্রেস এক্কা, নমিতা টোপ্পো, সুশীলা চানু, উদিতা ও গুরজিৎ কুমারের সঙ্গে জাতীয় দলের ডিফেন্স সামলাচ্ছেন সুনীতা।

সুনীতা লাকড়ার জন্ম ওড়িশায়। ১৭তম এশিয়ান গেমস, রিও অলিম্পিক্সে জাতীয় হকি দলের হয়ে খেলেছেন এই তরুণী। চতুর্থ উওম্যান এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, কানাডায় উওমেন্স হকি ওয়ার্ল্ড লিগ রাউন্ড টুতেও অংশ নিয়েছেন। 'সুনীতা খুবই পরিশ্রমী ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। ১০০টা আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ খেলার জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছি,' বলেছেন হকি ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক মুস্তাক আহমেদ। ভবিষ্যতের ম্যাচগুলিতেও ভাল পারফরম্যান্স করবেন সুনীতা, এমনই মনে করেন মুস্তাক।