Showing posts with label Ecuador. Show all posts
Showing posts with label Ecuador. Show all posts

Friday, September 2, 2016

খেসুসের স্বপ্নের অভিষেক, পেনাল্টিতে গোল নেইমারের

ব্রাজিল-৩ ‌: ইকুয়েডর-০


(নেইমার-পেনাল্টি ৭২’, খেসুস ৮৭’ ও ৯২)


রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

neymar saadaa chul

ব্রাজিলের হয়ে ৭১ ম্যাচে ৪৭ গোল নেইমারের।

পর্তুগালের হয়ে ৬১ গোল আছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর, ১৩৩ ম্যাচে।

আর্জেন্তিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সংগ্রহে ১১৪ ম্যাচে ৫৬ গোল।

বয়সের হিসাবে রোনালদো ৩১, মেসি ২৯, নেইমার ২৪। আর এখানেই লুকিয়ে নেইমারের ভবিষ্যৎ! ২০১৮ বিশ্বকাপের পর মেসি, ক্রিস্তিয়ানো কেউই আর দেশের হয়ে খেলবেন বলে মনে হয় না। জয় করে নেওয়ার জন্য গোটা বিশ্বই পরে থাকবে নেইমারের!

যেমন থাকছে এখনও। দুঙ্গা-রোমারিও বা রোনালদো-রিভালদো-রোনালদিনিওরা যা দিতে পারেননি ব্রাজিলকে, নেইমার এনে দিয়েছেন। মারাকানা-র ক্ষতে সামান্য হলেও প্রলেপ দিয়েছেন জার্মানিকে হারিয়ে অলিম্পিক সোনা এনে দিয়ে। ইকুয়েদরের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ খেলা ছিল বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে। ব্রাজিলকে জেতালেন নেইমার-খেসুস। সত্যিই স্বপ্নের অভিষেক গাব্রিয়েল খেসুসের।

গোল-পার্থক্যে দ্বিতীয়-স্থানে থাকা ইকুয়েদরের বিরুদ্ধে কুইতোয় খেলতে যাওয়ার সময় ব্রাজিল ছিল ষষ্ঠ স্থানে। চাকরি গিয়েছে দুঙ্গার, কোপায় ব্যর্থতা ও জঘন্য ফুটবলের কারণে। নেইমার অবশ্য খেলেননি কোপায়। তাঁকে ব্রাজিল চেয়েছিল অলিম্পিকে, সেই কারণে। নতুন কোচ তিতে এসেছেন, প্রথম ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল তাঁর প্রশিক্ষণে। সব মিলিয়ে বিরাট চাপ।

প্রথমার্ধ তাই গোলশূন্য। কোনও দলই তেমন বলার মতো আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধেও খেলা গড়াচ্ছিল একই গতানুগতিকতায়। কিন্তু সব পালটে যেতে শুরু করে খেসুস-কে বক্সে ফেলে দিয়ে ইকুয়েদর পেনাল্টি দেওয়ার পর। নেইমার এগিয়ে আসেন, গোল করেন। শুরু হয় ব্রাজিলের এগোন, ৭২ মিনিটে।

৮৭ মিনিটে বাঁদিক থেকে নেইমার বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আগুয়ান মার্সেলোর জন্য। পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ছিলেন খেসুস। মার্সেলোর বাড়ানো বল ডান পায়ের বাইরের দিক দিয়ে হঠাৎ-টোকায় গোলে রাখলেন যখন, ইকুয়েদর গোলরক্ষক হতবাক! সিনিয়র দলের হয়ে স্বপ্নের অভিষেকে অবশ্য আরও একটু বাকি ছিল খেসুসের। এবার ৯২ মিনিটে নেইমারের পাঠানো বল বক্সের বাইরে পেলেন পায়ে, ঘুরলেন, ডান পায়ের জোরালো নিখুঁত শট রাখলেন জালে।

অভিষেকে দলের তিনটি গোলের পেছনেই তিনি। ব্রাজিলের কোচ হিসাবে অভিষেকে জিতলেন তিতে-ও। ১৯৮৩ সালের পর ইকুয়েদরে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে প্রথম জিতল ব্রাজিল। আর, ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত উঠে এল তালিকায় পঞ্চম স্থানে। পরের ম্যাচ মানাউসে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে। যে-ম্যাচ খেলে বার্সেলোনায় ফিরবেন নেইমার। তাঁর প্রিয় ফুটবলার মেসির মতো নেইমারেরও চুলের রঙ এখন সাদাই!

Thursday, September 1, 2016

ব্রাজিলের নতুন কোচ তিতের ক্যাপ্টেন কে?

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

tite1

অলিম্পিক সোনার স্বপ্ন এখন সত্যি। কিন্তু, ইকুয়েদরের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের নেতৃত্বে কে?

মারাকানাতে জার্মানিকে হারিয়ে অলিম্পিকের সোনা এনে দেওয়ার পর নেইমার পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, দেশের নেতৃত্বে এখন আর নয়। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব পেরতে নেইমাররা বৃহস্পতিবার গভীর রাতে (২-৩০) খেলতে নামছেন অ্যাওয়ে ম্যাচে, ইকুয়েদরের বিরুদ্ধে। নতুন কোচ তিতে-র প্রশিক্ষণে প্রথম খেলা। নেইমার যদি নেতৃত্ব না-দেন, ক্যাপ্টেন কে ব্রাজিলের? বার্সেলোনায় নেইমারের প্রাক্তন সতীর্থ দানি আলভেস?

তিতে দল ঘোষণা করেছিলেন যখন, অধিনায়কের নাম আলাদা করে বলেননি। নেইমারের নেতৃত্বে-ফেরার সম্ভাবনাও দেননি উড়িয়ে। এমন তো  আর হতে পারে না যে, বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে ব্রাজিলের নেতৃত্বের সরকারি দায়িত্বে থাকবেন না কেউ!

যাঁর হাতেই থাকুক আর্মব্যান্ড, কাজটা সহজ নয় একেবারেই অলিম্পিক সোনাজয়ীদের। ইকুয়েদর এখনও পয়েন্টের হিসাবে যুগ্ম-শীর্ষে। ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট সঙ্গে। গোল-পার্থক্যে পিছিয়ে রয়েছে উরুগুয়ের থেকে। সেখানে ব্রাজিল আছে ষষ্ঠ স্থানে, পয়েন্ট ৯। কোচ তিতের প্রথম দুটি ম্যাচের পর অন্তত প্রথম চারে থাকা নিশ্চিত করতে চায় ব্রাজিল। কিন্তু দুটি ম্যাচই যথেষ্ট কঠিন। কুইতো-য় ইকুয়েদরের পর নিজেদের দেশে কলম্বিয়া।

অলিম্পিকের পর বিশ্রাম নিয়ে তরতাজা নেইমার ক্লাবের হয়ে খেলতে যাবেন এই দুটি ম্যাচের পর। তাঁকে সেরা ছন্দেই চাইবেন তিতে, নিশ্চিত। আক্রমণে তাঁকে সাহায্য করতে উইলিয়ানরা আছেন। ব্রাজিলের মাঝমাঠকে দুর্ভেদ্য করতে তিতে ডেকে এনেছেন চিন থেকে পাওলিনিও-কে, যা নিয়ে এখন নানা আলোচনা ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমে।

ঘরের মাঠে ২০১০-এর পর হারেনি ইকুয়েদর। আর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অ্যাওয়ে ম্যাচের রেকর্ড আপাতত বেশ খারাপ। দল হিসাবেও আগে দক্ষিণ আমেরিকায় যতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারত, এখন সেই প্রতিপত্তি আর নেই ব্রাজিলের। ভরসা বলতে সেই একা নেইমার!

আজ রাত ও শুক্রবার ভোর মিলিয়ে মোট পাঁচ ম্যাচ। রাশিয়ায় পৌঁছনোর জন্য জোরকদমে লড়াই শুরু দক্ষিণ আমেরিকায়, আবার!

সরাসরি দেখুন –

বলিভিয়া-পেরু (রাত ১-৩০, সোনি ইএসপিএন এইচডি)


কলম্বিয়া-ভেনেজুয়েলা (রাত ১-৩০, সোনি ইএসপিএন)


ইকুয়েদর-ব্রাজিল (রাত ২-৩০, সোনি সিক্স ও সোনি সিক্স এইচডি)


পারাগুয়ে-চিলে (ভোর ৫-৩০, সোনি সিক্স ও সোনি সিক্স এইচডি)


 

Monday, June 13, 2016

৯০ মিনিটে কোপায় জ্বললেন বাগানের সোনি | অভীক রায়

[caption id="attachment_61" align="alignleft" width="268"]হাইতির জার্সি গায়ে সোনি নর্দে হাইতির জার্সি গায়ে সোনি নর্দে[/caption]

অবশেষে গাঢ় নীল জার্সি গায়ে কোপায় খেলতে দেখা গেল সোনি নর্ডিকে!
শুধু কি মাঠেই নামলেন? ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে হাইতির একমাত্র উজ্জ্বল মুখ মোহনবাগানের সোনিই!
কোপা সেন্টেনারির প্রথম দুটো ম্যাচে বেঞ্চেই বসে ছিলেন বাগানের এসএন সিক্সটিন। বিশেষ করে ব্রাজিলের কাছে ১-৭ হারা হাইতির ম্যাচে আশা করা হয়েছিল, তৃতীয় পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামবেন সোনি। সে আশা পূরণ হয়নি। ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচে তাই প্রবল আশা ছিল, তাঁকে হয়তো খেলাবেন কোচ নেভেউ। তাই হল। টিম ঘোষণার সময়ই দেখা গেল মাঠের জায়েন্ট স্ক্রিনে ফুটে উঠেছে সোনির নাম। এতে গ্যালারি যত না উত্তাল, তার থেকে অনেক বেশি উন্মাদনা কলকাতায়।
ইকুয়েডরের কাছে ম্যাচটা ৪-০ হারল হাইতি। গ্রুপ লিগের তিন ম্যাচ হেরেই কোপা থেকে বিদায়। কিন্তু এই ম্যাচ যেন হাইতির নয়, সোনি নর্ডি। সারা ম্যাচ ছটফট করেছেন লেফট উইঙ্গার। প্রতিপক্ষকে বারবার চাপে ফেলেছেন। নেওয়ার চেষ্টা করেছেন বাড়তি সুযোগ।
সোনির ঝলক অধিকাংশটাই দেখা গেল বিরতির পর। ০-৩ পিছিয়ে থাকা অবস্থায় সোনি বেশ কয়েকবার ইকুয়েডর বক্সে ঢুকে পড়েন। অফসাইডের জালে আটকে পড়তেও দেখা যায় ১৫ নম্বর জার্সি পরে নামা সোনিকে। তবে কোচ যে তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন, তা বোঝা গেল পুরো নব্বই মিনিট খেলানোয়। হাইতি টিমে এক মাত্র চোখে পড়ার মতো খেলেছেন সোনি নর্ডিই।
সোনিকে দেখার জন্যই ভোর রাতে উঠে পড়েছিলেন বাগান সমর্থকরা। কলকাতার ভক্তদেরও নিরাশ করেননি সোনি। ম্যাচটা হারলেও এই সবুজ-মেরুন সাপোর্টাররা দেখতে চেয়েছিলেন, কোপাতে খেলছেন তাঁদের সোনি!




[caption id="attachment_62" align="aligncenter" width="300"]মাঠে জায়েন্ট স্ক্রিনে সোনির মুখ মাঠে জায়েন্ট স্ক্রিনে সোনির মুখ[/caption]