কলকাতার বিরুদ্ধেও তিন পয়েন্টই চাই গোয়ার এখন
আইএসএল মিডিয়া রিলিজ
[caption id="attachment_2600" align="alignleft" width="300"]
অনুশীলনে কলকাতার ফুটবলাররা। ছবি - আইএসএল[/caption]
সেমিফাইনালে পৌঁছন কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ফতোরদা-য় জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আতলেতিকো দে কলকাতার বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট না পেলে চলবেই না এফসি গোয়ার।
১১ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে গোয়া এখন তালিকায় সবার শেষে। তিনটি ম্যাচ বাকি। সব ম্যাচ না জিতলে প্লে অফের জন্য যোগ্যতার্জন প্রায়-অসম্ভব। কোচ জিকো মনে করছেন, প্রথম চারে শেষ করার ব্যাপারটা এখনও তাঁদের হাতেই। আশা করছেন, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত থাকবেন লড়াইয়ে।
ঘরের মাঠে শেষ দুটি ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট তুলে নিয়েছে গোয়া। যদিও দুটি ম্যাচেই জিকো নির্ভর করেছিলেন ভারতীয় ফুটবলারদের দক্ষতায়। এবার নির্বাসন থেকে ফিরে আসছেন গ্রেগরি আর্নোলিন, লুসিয়ানো সাবরোসা ও সাহিল তাভোরা, চোট সারিয়ে ফিরছেন হোফ্রে গোনজালেজ ও হুলিও সিজার। ফলে, জিকোর হাতে বাড়তি ফুটবলার, যা আশার আলো ছড়াচ্ছে গোয়া শিবিরে।
কিন্তু জিকোর গোয়ার একমাত্র সমস্যা গোল। ঘরে-বাইরে বেশ কয়েকটি ম্যাচে দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখলেও গোল না করতে পারায় কাঙ্ক্ষিত পয়েন্ট পায়নি গোয়া।
‘সব দলই জেনে গিয়েছে প্রতিযোগিতায় কেমন খেলা হচ্ছে। ফলে কেউই বেশি আক্রমণাত্মক হতে চাইছে না। নিজেদের অর্ধে থাকছে, অপেক্ষা করছে প্রতি আক্রমণে যাওয়ার জন্য। আমার তো মনে হয়, আমাদের দলের উচিত এখন, চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে তাকিয়ে খেলার ধরনে কিছু পরিবর্তন। বেশ কয়েকটি ম্যাচে কতগুলো করে সুযোগ নষ্ট করেছি,’ বলেছেন জিকো।
আতলেতিকো দে কলকাতার বিরুদ্ধে তাই আক্রমণাত্মক ছকে দল সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে জিকোর। কিন্তু,আইএসএল-এর ইতিহাসে কখনও কলকাতাকে হারাতে পারেনি গোয়া। প্রথম আইএসএল-এর সেমিফাইনালে কলকাতা ফাইনালে পৌঁছেছিল গোয়াকে হারিয়েই। এবার হোসে মোলিনার প্রশিক্ষণে আরও শক্তিশালী দেখাচ্ছে কলকাতাকে।
হাতে তিনটি ম্যাচ এখনও। ১১ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা আছে তৃতীয় স্থানে। মোলিনার কাজ এখন দলকে এক ম্যাচে তিন পয়েন্টের জন্য অনুপ্রাণিত করা। শেষ তিন ম্যাচেই ড্র করেছে, দিল্লি ডায়নামোস, নর্থইস্ট ইউনাইটেড ও চেন্নাইয়িন এফসি-র বিরুদ্ধে। পেয়েছে তিন পয়েন্ট। তার চেয়ে এক ম্যাচে তিন পয়েন্ট এখন বেশি জরুরি।
‘আমরা তো জিততেই চেয়েছিলাম চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে। সবাই সেরাটাই দিয়েছিল মাঠে। কিন্তু যা হয়ে গিয়েছে,ভেবে লাভ নেই। একটা পয়েন্ট তো পেয়েছিলাম। পয়েন্ট তালিকায় যত পয়েন্টই আসুক, ভাল। জিততে সবাই-ই চায়, আমরাও চাই। কিন্তু চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ওই এক পয়েন্টও আমাদের সাহায্য করেছিল তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসতে। এভাবেই প্রতি ম্যাচে লড়ে যেতে হবে, চেষ্টা করতে হবে জেতার,’ বলেছেন মোলিনা।
তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের অন্যতম ইয়াইন হিউমকে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে বিশ্রাম দিয়েছিলেন মোলিনা, সামান্য চোট থাকায়। গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন হিউম,ফিরে আসবেন সম্ভবত প্রথম এগারয়। দক্ষিণ আফ্রিকার সমীঘ দুতিও সুস্থ হয়ে ফিরছেন, দু-ম্যাচ বাইরে থাকার পর। সঙ্গে সেন্টার ব্যাক এনরিক সেরেনোও, যে-কারণে স্বস্তিতে কলকাতা।
[caption id="attachment_2600" align="alignleft" width="300"]
সেমিফাইনালে পৌঁছন কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ফতোরদা-য় জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আতলেতিকো দে কলকাতার বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট না পেলে চলবেই না এফসি গোয়ার।
১১ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে গোয়া এখন তালিকায় সবার শেষে। তিনটি ম্যাচ বাকি। সব ম্যাচ না জিতলে প্লে অফের জন্য যোগ্যতার্জন প্রায়-অসম্ভব। কোচ জিকো মনে করছেন, প্রথম চারে শেষ করার ব্যাপারটা এখনও তাঁদের হাতেই। আশা করছেন, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত থাকবেন লড়াইয়ে।
ঘরের মাঠে শেষ দুটি ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট তুলে নিয়েছে গোয়া। যদিও দুটি ম্যাচেই জিকো নির্ভর করেছিলেন ভারতীয় ফুটবলারদের দক্ষতায়। এবার নির্বাসন থেকে ফিরে আসছেন গ্রেগরি আর্নোলিন, লুসিয়ানো সাবরোসা ও সাহিল তাভোরা, চোট সারিয়ে ফিরছেন হোফ্রে গোনজালেজ ও হুলিও সিজার। ফলে, জিকোর হাতে বাড়তি ফুটবলার, যা আশার আলো ছড়াচ্ছে গোয়া শিবিরে।
কিন্তু জিকোর গোয়ার একমাত্র সমস্যা গোল। ঘরে-বাইরে বেশ কয়েকটি ম্যাচে দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখলেও গোল না করতে পারায় কাঙ্ক্ষিত পয়েন্ট পায়নি গোয়া।
‘সব দলই জেনে গিয়েছে প্রতিযোগিতায় কেমন খেলা হচ্ছে। ফলে কেউই বেশি আক্রমণাত্মক হতে চাইছে না। নিজেদের অর্ধে থাকছে, অপেক্ষা করছে প্রতি আক্রমণে যাওয়ার জন্য। আমার তো মনে হয়, আমাদের দলের উচিত এখন, চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে তাকিয়ে খেলার ধরনে কিছু পরিবর্তন। বেশ কয়েকটি ম্যাচে কতগুলো করে সুযোগ নষ্ট করেছি,’ বলেছেন জিকো।
আতলেতিকো দে কলকাতার বিরুদ্ধে তাই আক্রমণাত্মক ছকে দল সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে জিকোর। কিন্তু,আইএসএল-এর ইতিহাসে কখনও কলকাতাকে হারাতে পারেনি গোয়া। প্রথম আইএসএল-এর সেমিফাইনালে কলকাতা ফাইনালে পৌঁছেছিল গোয়াকে হারিয়েই। এবার হোসে মোলিনার প্রশিক্ষণে আরও শক্তিশালী দেখাচ্ছে কলকাতাকে।
হাতে তিনটি ম্যাচ এখনও। ১১ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা আছে তৃতীয় স্থানে। মোলিনার কাজ এখন দলকে এক ম্যাচে তিন পয়েন্টের জন্য অনুপ্রাণিত করা। শেষ তিন ম্যাচেই ড্র করেছে, দিল্লি ডায়নামোস, নর্থইস্ট ইউনাইটেড ও চেন্নাইয়িন এফসি-র বিরুদ্ধে। পেয়েছে তিন পয়েন্ট। তার চেয়ে এক ম্যাচে তিন পয়েন্ট এখন বেশি জরুরি।
‘আমরা তো জিততেই চেয়েছিলাম চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে। সবাই সেরাটাই দিয়েছিল মাঠে। কিন্তু যা হয়ে গিয়েছে,ভেবে লাভ নেই। একটা পয়েন্ট তো পেয়েছিলাম। পয়েন্ট তালিকায় যত পয়েন্টই আসুক, ভাল। জিততে সবাই-ই চায়, আমরাও চাই। কিন্তু চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ওই এক পয়েন্টও আমাদের সাহায্য করেছিল তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসতে। এভাবেই প্রতি ম্যাচে লড়ে যেতে হবে, চেষ্টা করতে হবে জেতার,’ বলেছেন মোলিনা।
তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের অন্যতম ইয়াইন হিউমকে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে বিশ্রাম দিয়েছিলেন মোলিনা, সামান্য চোট থাকায়। গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন হিউম,ফিরে আসবেন সম্ভবত প্রথম এগারয়। দক্ষিণ আফ্রিকার সমীঘ দুতিও সুস্থ হয়ে ফিরছেন, দু-ম্যাচ বাইরে থাকার পর। সঙ্গে সেন্টার ব্যাক এনরিক সেরেনোও, যে-কারণে স্বস্তিতে কলকাতা।
No comments