১ পয়েন্ট পেলেই সেমিফাইনালে কলকাতা!
আইএসএল মিডিয়া রিলিজ
[caption id="attachment_2645" align="alignleft" width="300"]
অনুশীলনে কলকাতার ফুটবলাররা। ছবি - আইএসএল[/caption]
সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলতে পারে আতলেতিকো দে কলকাতা, মঙ্গলবার রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এক পয়েন্ট পেলেই।
এই মুহূর্তে গ্রুপ লিগ তালিকায় ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো দে কলকাতা। আর একটি পয়েন্ট পেলেই প্রথম চারে চলে যেতে পারে। কেরালা ব্লাস্টার্স এবং নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি, দুই দলের বিরুদ্ধেই মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে আছে কলকাতা। আর এই দুটি দলের মধ্যে একটি দলই পারবে দিল্লি ডায়নামোসকে পেরিয়ে যেতে কারণ, ওই দুটি দল পরস্পরের বিরুদ্ধে খেলবে, লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে।
বর্তমান ফর্মের ভিত্তিতে আতলেতিকো দে কলকাতা তৃতীয় দল হিসাবে সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য ফেভারিট এখন। আর আতলেতিকো যোগ্যতার্জন করলে একই সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দিল্লি ডায়ানামোসকেও নিয়ে চলে যাবে সেমিফাইনালে।
‘দলের ফুটবলাররা প্রথম দিন থেকে যেভাবে খেটেছে, আস্থা বেড়েছে সবার প্রতি। সত্যিই খুব পরিশ্রম করেছে সবাই। উন্নতিও করছে। নিজেদের সেরাটা দিচ্ছে যাতে দলের সুবিধা হয়,’ বলেছেন মোলিনা, ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে।
এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচের শেষদিকে ২-১ জিতেছিল কলকাতা। এমন একটা ম্যাচ যেখানে তারা শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছিল, আরও বেশি গোলও পেতেই পারত। স্পেনীয় কোচ হোসে মোলিনা সাংবাদিক সম্মেলনে জোর দিয়েছেন সেই তথ্যের ওপরই।
‘গোয়াতে সত্যিই বেশ ভাল খেলেছিলাম আমরা। আরও বেশি গোলও করতে পারতাম। এখন মনে হয় না, কোনও দলের বিরুদ্ধে খেলার আগে বিশেষ চিন্তিত হয় দল। কাদের বিরুদ্ধে খেলছি নিয়ে ততটা ভাবতেও হয় না কারণ সব দলেরই শক্তি প্রায় সমান-সমান। চেষ্টা থাকে খেলায় নিয়ন্ত্রণ রাখার। রক্ষণে মন দেওয়ার ও যত বেশি সম্ভব গোল করার,’ বলেছেন মোলিনা।
আতলেতিকো দে কলকাতা এখন চিন্তিত তাদের তারকা মিডফিল্ডার সমীঘ দুতির ফিটনেস নিয়ে। একই সঙ্গে স্টিফেন পিয়ারসন ও লালরিনডিকা লালতেকেও নিয়েও। জ্বর ছিল দুতির। অনুশীলন করেননি। ডিকা এবং পিয়ারসনের চোটই সারেনি এখনও।
কেরালা ব্লাস্টার্স শুরু করেছিল প্রথম তিন ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পেয়ে। সেখানে থেকে এখন তারা চতুর্থ স্থানে, কলকাতার সমান পয়েন্টে, যা নিঃসন্দেহে বড় কৃতিত্ব। মঙ্গলবার কলকাতাকে রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে হারাতে পারলে তাদের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর সম্ভাবনা বেড়ে যাবে ৯৭.৩ শতাংশ। তবে,সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করা যাবে না কারণ মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। আরও অন্তত তিনটি দল থাকবে তখন যারা ২১ বা ততোধিক পয়েন্টে পৌঁছতে পারে – কলকাতা, দিল্লি ও নর্থইস্ট।
‘মনে তো হচ্ছে আমরা বেশ ভাল জায়গায়ই আছি। কলকাতাও নিশ্চয়ই একইরকম ভাবছে। মঙ্গলবার রাতের ওপর অনেক কিছুই নির্ভরশীল। আমরাও তাকিয়ে রয়েছি ম্যাচটার দিকে। মরশুমের একেবারে শেষদিকের ম্যাচ। এই শেষ দুটো ম্যাচে সবাইকেই থাকতে হবে নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে,’ মনে করছেন কেরলের কোচ স্টিভ কোপেল।
কোচের আত্মবিশ্বাস সত্ত্বেও কেরলকে সতর্ক থাকতেই হবে কলকাতার বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠে যদিও টানা চার ম্যাচ জিতেছে কেরল, বাইরের মাঠে তাদের পারফরম্যান্স তত ভাল নয়। শেষ তিনটি অ্যাওয়ে ম্যাচে জেতেনি শুধু নয়, দশটি গোলও খেয়েছে অ্যাওয়ে ম্যাচগুলিতে। তাদের থেকে বেশি গোল খেয়েছে মাত্র দুটি দল যারা আছে তালিকায় সপ্তম ও অষ্টম স্থানে – চেন্নাইয়িন (১২) ও গোয়া (১২)।
কোপেলের আরও চিন্তার বিষয়, যে ৬টি অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলেছে তাতে মাত্র তিনটি গোল করতে পেরেছে কেরল, যা এবারের আইএসএল-এ সবচেয়ে কম। চারটি ম্যাচে কোনও গোলই করতে পারেনি।
‘তিন পয়েন্ট জরুরি দু-দলের ক্ষেত্রেই। কয়েকটা ম্যাচে কলকাতা দুর্ভাগ্যজনকভাবে ড্র করেছে, ঠিক। ওদের ফরোয়ার্ড লাইন বেশ শক্তিশালী। তাই কলকাতার বিরুদ্ধে পয়েন্ট পেতে আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে,’ বলেছেন কোপেল।
[caption id="attachment_2645" align="alignleft" width="300"]
সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলতে পারে আতলেতিকো দে কলকাতা, মঙ্গলবার রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এক পয়েন্ট পেলেই।
এই মুহূর্তে গ্রুপ লিগ তালিকায় ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো দে কলকাতা। আর একটি পয়েন্ট পেলেই প্রথম চারে চলে যেতে পারে। কেরালা ব্লাস্টার্স এবং নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি, দুই দলের বিরুদ্ধেই মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে আছে কলকাতা। আর এই দুটি দলের মধ্যে একটি দলই পারবে দিল্লি ডায়নামোসকে পেরিয়ে যেতে কারণ, ওই দুটি দল পরস্পরের বিরুদ্ধে খেলবে, লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে।
বর্তমান ফর্মের ভিত্তিতে আতলেতিকো দে কলকাতা তৃতীয় দল হিসাবে সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য ফেভারিট এখন। আর আতলেতিকো যোগ্যতার্জন করলে একই সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দিল্লি ডায়ানামোসকেও নিয়ে চলে যাবে সেমিফাইনালে।
‘দলের ফুটবলাররা প্রথম দিন থেকে যেভাবে খেটেছে, আস্থা বেড়েছে সবার প্রতি। সত্যিই খুব পরিশ্রম করেছে সবাই। উন্নতিও করছে। নিজেদের সেরাটা দিচ্ছে যাতে দলের সুবিধা হয়,’ বলেছেন মোলিনা, ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে।
এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচের শেষদিকে ২-১ জিতেছিল কলকাতা। এমন একটা ম্যাচ যেখানে তারা শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছিল, আরও বেশি গোলও পেতেই পারত। স্পেনীয় কোচ হোসে মোলিনা সাংবাদিক সম্মেলনে জোর দিয়েছেন সেই তথ্যের ওপরই।
‘গোয়াতে সত্যিই বেশ ভাল খেলেছিলাম আমরা। আরও বেশি গোলও করতে পারতাম। এখন মনে হয় না, কোনও দলের বিরুদ্ধে খেলার আগে বিশেষ চিন্তিত হয় দল। কাদের বিরুদ্ধে খেলছি নিয়ে ততটা ভাবতেও হয় না কারণ সব দলেরই শক্তি প্রায় সমান-সমান। চেষ্টা থাকে খেলায় নিয়ন্ত্রণ রাখার। রক্ষণে মন দেওয়ার ও যত বেশি সম্ভব গোল করার,’ বলেছেন মোলিনা।
আতলেতিকো দে কলকাতা এখন চিন্তিত তাদের তারকা মিডফিল্ডার সমীঘ দুতির ফিটনেস নিয়ে। একই সঙ্গে স্টিফেন পিয়ারসন ও লালরিনডিকা লালতেকেও নিয়েও। জ্বর ছিল দুতির। অনুশীলন করেননি। ডিকা এবং পিয়ারসনের চোটই সারেনি এখনও।
কেরালা ব্লাস্টার্স শুরু করেছিল প্রথম তিন ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পেয়ে। সেখানে থেকে এখন তারা চতুর্থ স্থানে, কলকাতার সমান পয়েন্টে, যা নিঃসন্দেহে বড় কৃতিত্ব। মঙ্গলবার কলকাতাকে রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে হারাতে পারলে তাদের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর সম্ভাবনা বেড়ে যাবে ৯৭.৩ শতাংশ। তবে,সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করা যাবে না কারণ মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। আরও অন্তত তিনটি দল থাকবে তখন যারা ২১ বা ততোধিক পয়েন্টে পৌঁছতে পারে – কলকাতা, দিল্লি ও নর্থইস্ট।
‘মনে তো হচ্ছে আমরা বেশ ভাল জায়গায়ই আছি। কলকাতাও নিশ্চয়ই একইরকম ভাবছে। মঙ্গলবার রাতের ওপর অনেক কিছুই নির্ভরশীল। আমরাও তাকিয়ে রয়েছি ম্যাচটার দিকে। মরশুমের একেবারে শেষদিকের ম্যাচ। এই শেষ দুটো ম্যাচে সবাইকেই থাকতে হবে নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে,’ মনে করছেন কেরলের কোচ স্টিভ কোপেল।
কোচের আত্মবিশ্বাস সত্ত্বেও কেরলকে সতর্ক থাকতেই হবে কলকাতার বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠে যদিও টানা চার ম্যাচ জিতেছে কেরল, বাইরের মাঠে তাদের পারফরম্যান্স তত ভাল নয়। শেষ তিনটি অ্যাওয়ে ম্যাচে জেতেনি শুধু নয়, দশটি গোলও খেয়েছে অ্যাওয়ে ম্যাচগুলিতে। তাদের থেকে বেশি গোল খেয়েছে মাত্র দুটি দল যারা আছে তালিকায় সপ্তম ও অষ্টম স্থানে – চেন্নাইয়িন (১২) ও গোয়া (১২)।
কোপেলের আরও চিন্তার বিষয়, যে ৬টি অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলেছে তাতে মাত্র তিনটি গোল করতে পেরেছে কেরল, যা এবারের আইএসএল-এ সবচেয়ে কম। চারটি ম্যাচে কোনও গোলই করতে পারেনি।
‘তিন পয়েন্ট জরুরি দু-দলের ক্ষেত্রেই। কয়েকটা ম্যাচে কলকাতা দুর্ভাগ্যজনকভাবে ড্র করেছে, ঠিক। ওদের ফরোয়ার্ড লাইন বেশ শক্তিশালী। তাই কলকাতার বিরুদ্ধে পয়েন্ট পেতে আমাদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে,’ বলেছেন কোপেল।
No comments