ফ্লাইং কিকে কলম্বিয়াকে শেষ চারে তুললেন ওসপিনা
কলম্বিয়া-০ (৪) : পেরু-০ (২)
ডেস্ক রিপোর্টার
[caption id="attachment_149" align="alignleft" width="300"]
উড়ন্ত ওসপিনা। ছবি— টুইটার[/caption]
আর্সেনাল সমর্থকরা তাঁকে একেবারেই পছন্দ করেন না। বড়ই ছোটখাটো চেহারা তাঁর। রিফ্লেক্স খুব খারাপ। তিন কাঠির তলায় নেতৃত্ব দেওয়াটাও তো মোটেই চোখে পড়ে না!
দোষ অনেক ডেভিড ওসপিনার। আপাতত সে সব চাপা পড়ে যাচ্ছে তাঁর গুণে!
১২ বছর পর কলম্বিয়াকে একাই কোপার সেমিফাইনালে তুললেন কিপার ডেভিড ওসপিনা। টাইব্রেকারে পেরুর অবিশ্বাস্য দুটো শট সেভ করে!
পের চেক আসার পর রিজার্ভ বেঞ্চই বর্তমান ঠিকানা ওয়েঙ্গারের টিমে। গত মরসুমে ক্লাব ছাড়ার কথাও ভেবেছিলেন। সেই তিনি এখন সুপারস্টার। নির্ধারিত সময়ে স্কোরলাইন ছিল ০-০। জেমস রড্রিগেজের টিম বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। টাইব্রেকারে একটা সময় ৩-৩ ছিল। সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন কলম্বিয়ান কিপার ওসপিনা। দাইরো গালিন্দো, আলবের্তো ব্র্যাভোর চার ও পাঁচ নম্বর শটটা সেভ করে টিমকে শেষ চারে তোলেন কোপা সেন্টেনারির।
টাইব্রেকারে ওসপানিয়া দুটো শটই পায়ে সেভ করেন পা দিয়ে। ম্যাচের পর আর্সেনালের দ্বিতীয় কিপার বলেছেন, ‘কিপারদের অনেক রকম সুবিধে থাকে। চোখ, নাক, কান দিয়ে সেভ করলাম কিনা, সেটা বড় ব্যাপার নয়। আসল হল, কিকটা বাঁচানো।’
পেরু-কলম্বিয়া মানে হাইটেনশন ম্যাচ। এই ম্যাচ ঘিরেও কম ছিল না। ২০০১ সালে শেষ বার ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া মরিয়া হয়ে নেমেছিল। কোচ জোস পেকারম্যান বলেছেন, ‘এই ম্যাচটাতে নামার আগে চাপ ছিল। সে সব নিয়েও দারুণ খেলল টিম।’ সব ছাপিয়ে গিয়ে শুধু ওসপিনা। যাঁকে নিয়ে রড্রিগেজ বলেছেন, ‘ওসপিনাকে আমি দারুণ পছন্দ করি। ও কোপাতে আমাদের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল। দীর্ঘদিন ওসপিনাকে জাতীয় টিমে দেখতে চাই।’
ডেস্ক রিপোর্টার
[caption id="attachment_149" align="alignleft" width="300"]
আর্সেনাল সমর্থকরা তাঁকে একেবারেই পছন্দ করেন না। বড়ই ছোটখাটো চেহারা তাঁর। রিফ্লেক্স খুব খারাপ। তিন কাঠির তলায় নেতৃত্ব দেওয়াটাও তো মোটেই চোখে পড়ে না!
দোষ অনেক ডেভিড ওসপিনার। আপাতত সে সব চাপা পড়ে যাচ্ছে তাঁর গুণে!
১২ বছর পর কলম্বিয়াকে একাই কোপার সেমিফাইনালে তুললেন কিপার ডেভিড ওসপিনা। টাইব্রেকারে পেরুর অবিশ্বাস্য দুটো শট সেভ করে!
পের চেক আসার পর রিজার্ভ বেঞ্চই বর্তমান ঠিকানা ওয়েঙ্গারের টিমে। গত মরসুমে ক্লাব ছাড়ার কথাও ভেবেছিলেন। সেই তিনি এখন সুপারস্টার। নির্ধারিত সময়ে স্কোরলাইন ছিল ০-০। জেমস রড্রিগেজের টিম বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। টাইব্রেকারে একটা সময় ৩-৩ ছিল। সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন কলম্বিয়ান কিপার ওসপিনা। দাইরো গালিন্দো, আলবের্তো ব্র্যাভোর চার ও পাঁচ নম্বর শটটা সেভ করে টিমকে শেষ চারে তোলেন কোপা সেন্টেনারির।
টাইব্রেকারে ওসপানিয়া দুটো শটই পায়ে সেভ করেন পা দিয়ে। ম্যাচের পর আর্সেনালের দ্বিতীয় কিপার বলেছেন, ‘কিপারদের অনেক রকম সুবিধে থাকে। চোখ, নাক, কান দিয়ে সেভ করলাম কিনা, সেটা বড় ব্যাপার নয়। আসল হল, কিকটা বাঁচানো।’
পেরু-কলম্বিয়া মানে হাইটেনশন ম্যাচ। এই ম্যাচ ঘিরেও কম ছিল না। ২০০১ সালে শেষ বার ফাইনালে ওঠা কলম্বিয়া মরিয়া হয়ে নেমেছিল। কোচ জোস পেকারম্যান বলেছেন, ‘এই ম্যাচটাতে নামার আগে চাপ ছিল। সে সব নিয়েও দারুণ খেলল টিম।’ সব ছাপিয়ে গিয়ে শুধু ওসপিনা। যাঁকে নিয়ে রড্রিগেজ বলেছেন, ‘ওসপিনাকে আমি দারুণ পছন্দ করি। ও কোপাতে আমাদের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল। দীর্ঘদিন ওসপিনাকে জাতীয় টিমে দেখতে চাই।’
No comments