‘দ্বিতীয়’ ম্যাচে কী যে হয় লো-র জার্মানির!
কাশীনাথ ভট্টাচার্য

দ্বিতীয় বছরে লিগ জিতবেন হোসে মোরিনিও, প্রায়-নিশ্চিত। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দহীন দেখাবে জার্মানিকে, জোয়াকিম লো-র প্রশিক্ষণে এটাও নিশ্চিত!
২০০৮ ইউরো থেকে বড় প্রতিযোগিতায় জার্মানির কোচ হয়ে আছেন লো। সেই ইউরোয় দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে, হেরেছিলেন ১-২। ২০১০ বিশ্বকাপে সার্বিয়ার কাছে হার ০-১। ২০১২য় আপাতত একমাত্র জয়, দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ২-১য বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ২০১৪য়। কিন্তু গ্রুপ লিগে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত ড্র ২-২। এবার, ২০১৬য় ইউরোর দ্বিতীয় ম্যাচে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র, আবার! অর্থাৎ, পাঁচটি বড় প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি জয়, দুটি হার, দুটি ড্র। পরের বড় প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে আলাদা করে নিশ্চয়ই ভাববেন বিশ্বজয়ী কোচ!
পড়শি দেশ পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবার ইউরোর বাছাইপর্বে হেরেছিল জার্মানি। কিন্তু, জবাব দিয়েছিল নিজেদের দেশে বাছাইপর্বের ফিরতি খেলায়। মূলপর্বে এসে কিন্তু প্রথম ম্যাচে ইউক্রেনকে ২-০ ব্যবধানে হারানো জার্মানিকে খুঁজে পাওয়া গেল না দ্বিতীয় ম্যাচে আবার। অস্বীকার করার জায়গা নেই, পোল্যান্ড রক্ষণাত্মক খেলেছিল। যাদের যা সামর্থ্য, কোচরা তো তেমনই খেলাবেন। জার্মানি বিশ্বজয়ী দল, তাদের বিরুদ্ধে হারেরেরে করে আক্রমণে উঠবেই বা কেন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২৭তম স্থানে থাকা পোল্যান্ড? তাই নিজেদের অর্ধেই থাকল বেশিরভাগ সময়। কয়েকবার উঠল প্রতি আক্রমণে। তাতেই ম্যাচের সেরা দুটো সুযোগ তৈরি হল পোল্যান্ডের পক্ষেই। এবং দুবারই সেই সুযোগ হেলায় হারালেন আর্কাদিউসজ মিলিক। দুটোর কোনও একটি থেকে, বিশেষত বিরতির ঠিক পরে ৪ গজ দূরত্ব থেকে হেডে বল জালে না রাখতে পারাটা, অপরাধ হিসাবেই গণ্য হবে, বিশেষ করে জার্মানির বিরুদ্ধে।
পেপ গারদিওলার বায়ার্ন এবং ২০০৮-২০১৬র স্পেন যে কতটা প্রভাবিত করেছে লো-র জার্মানিকে, আরও একবার পরিষ্কার হল যখন স্ট্রাইকারের অভাবে সত্যিই ভুগতে হল। মারিও গোটজে নাকি লিওনেল মেসির থেকে ভাল ফুটবলার, এমন হাস্যকর দাবি বিশ্বকাপ জিতে উঠেই সাংবাদিক সম্মেলনে করেছিলেন লো, বিশ্বকাপ ফাইনালের একমাত্র গোলটি গোটজে করেছিলেন বলে। সেই গোটজে সুযোগ পান না বায়ার্নের প্রথম দলে। জার্মানির প্রথম দলে সুযোগ পেয়েও কিছুই করতে পারলেন না। উল্টে, আর এক মারিও, গোমেজের কাছেই ফিরতে বাধ্য হতে হল লো-কে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু থেকে খেলবেন না, জার্মান প্রচারমাধ্যমও তেমনই ভেবেছিল। কিন্তু শুরু করলেন এবং আবারও হতাশই করলেন গোটজে। স্পেন যেমন ভুগেছে, আক্রমণের মুখ না-থাকায়, জার্মানিকেও ভুগতে হল। মুলারও অন্যদিনের মতো নন। পাসিং ভাল এখনও, বলের দখল রাখলেন জার্মান ফুটবলাররা। কিন্তু বিপক্ষ দল যদি নিজেদের ডিফেন্সিভ থার্ডে বসে থাকে, কী করে গোলর রাস্তা খুঁজে বের করবে, এই জার্মানির সমস্যাও এখন এই একটাই।
উল্টোদিকে ছিলেন রবার্ট লেওয়ানডোস্কি। ইউরোর বাছাইপর্বে এবার ১৩ গোল করেছেন। সর্বোচ্চ, রেকর্ড। কিন্তু পোল্যান্ডের অধিনায়ককে কিছু করতেই দিলেন না ম্যাটস হামেলস, চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে। লেওয়ানডোস্কির একটাই সান্ত্বনা থাকতে পারে, সামনের মরসুমে তাঁর ক্লাব বেয়ার্নেই খেলবেন হামেলস, তাঁকে আর খেলতে হবে না বিপক্ষে। আর একটি সোনার সুযোগ আছে অবশ্য পোল্যান্ডের সামনে। পরের ম্যাচ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে, যারা দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট পেয়ে ছিটকেই গিয়েছে ইউরো থেকে। জার্মানিকে খেলতে হবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সুতরাং, নকআউটে যাওয়ার জন্য পোল্যান্ড বেশ খানিকটা এগিয়েই গেল, জার্মানির বিরুদ্ধে ড্র করে।
প্রতিযোগিতার প্রথম ০-০ ম্যাচ। সেরা হিসাবে বেছে নেওয়া হল বোয়াতেংকে। খুব বেশি পিছিয়ে ছিলেন কি টোনি ক্রুস?
দ্বিতীয় বছরে লিগ জিতবেন হোসে মোরিনিও, প্রায়-নিশ্চিত। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দহীন দেখাবে জার্মানিকে, জোয়াকিম লো-র প্রশিক্ষণে এটাও নিশ্চিত!
২০০৮ ইউরো থেকে বড় প্রতিযোগিতায় জার্মানির কোচ হয়ে আছেন লো। সেই ইউরোয় দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে, হেরেছিলেন ১-২। ২০১০ বিশ্বকাপে সার্বিয়ার কাছে হার ০-১। ২০১২য় আপাতত একমাত্র জয়, দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ২-১য বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ২০১৪য়। কিন্তু গ্রুপ লিগে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত ড্র ২-২। এবার, ২০১৬য় ইউরোর দ্বিতীয় ম্যাচে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র, আবার! অর্থাৎ, পাঁচটি বড় প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি জয়, দুটি হার, দুটি ড্র। পরের বড় প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে আলাদা করে নিশ্চয়ই ভাববেন বিশ্বজয়ী কোচ!
পড়শি দেশ পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবার ইউরোর বাছাইপর্বে হেরেছিল জার্মানি। কিন্তু, জবাব দিয়েছিল নিজেদের দেশে বাছাইপর্বের ফিরতি খেলায়। মূলপর্বে এসে কিন্তু প্রথম ম্যাচে ইউক্রেনকে ২-০ ব্যবধানে হারানো জার্মানিকে খুঁজে পাওয়া গেল না দ্বিতীয় ম্যাচে আবার। অস্বীকার করার জায়গা নেই, পোল্যান্ড রক্ষণাত্মক খেলেছিল। যাদের যা সামর্থ্য, কোচরা তো তেমনই খেলাবেন। জার্মানি বিশ্বজয়ী দল, তাদের বিরুদ্ধে হারেরেরে করে আক্রমণে উঠবেই বা কেন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২৭তম স্থানে থাকা পোল্যান্ড? তাই নিজেদের অর্ধেই থাকল বেশিরভাগ সময়। কয়েকবার উঠল প্রতি আক্রমণে। তাতেই ম্যাচের সেরা দুটো সুযোগ তৈরি হল পোল্যান্ডের পক্ষেই। এবং দুবারই সেই সুযোগ হেলায় হারালেন আর্কাদিউসজ মিলিক। দুটোর কোনও একটি থেকে, বিশেষত বিরতির ঠিক পরে ৪ গজ দূরত্ব থেকে হেডে বল জালে না রাখতে পারাটা, অপরাধ হিসাবেই গণ্য হবে, বিশেষ করে জার্মানির বিরুদ্ধে।
পেপ গারদিওলার বায়ার্ন এবং ২০০৮-২০১৬র স্পেন যে কতটা প্রভাবিত করেছে লো-র জার্মানিকে, আরও একবার পরিষ্কার হল যখন স্ট্রাইকারের অভাবে সত্যিই ভুগতে হল। মারিও গোটজে নাকি লিওনেল মেসির থেকে ভাল ফুটবলার, এমন হাস্যকর দাবি বিশ্বকাপ জিতে উঠেই সাংবাদিক সম্মেলনে করেছিলেন লো, বিশ্বকাপ ফাইনালের একমাত্র গোলটি গোটজে করেছিলেন বলে। সেই গোটজে সুযোগ পান না বায়ার্নের প্রথম দলে। জার্মানির প্রথম দলে সুযোগ পেয়েও কিছুই করতে পারলেন না। উল্টে, আর এক মারিও, গোমেজের কাছেই ফিরতে বাধ্য হতে হল লো-কে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু থেকে খেলবেন না, জার্মান প্রচারমাধ্যমও তেমনই ভেবেছিল। কিন্তু শুরু করলেন এবং আবারও হতাশই করলেন গোটজে। স্পেন যেমন ভুগেছে, আক্রমণের মুখ না-থাকায়, জার্মানিকেও ভুগতে হল। মুলারও অন্যদিনের মতো নন। পাসিং ভাল এখনও, বলের দখল রাখলেন জার্মান ফুটবলাররা। কিন্তু বিপক্ষ দল যদি নিজেদের ডিফেন্সিভ থার্ডে বসে থাকে, কী করে গোলর রাস্তা খুঁজে বের করবে, এই জার্মানির সমস্যাও এখন এই একটাই।
উল্টোদিকে ছিলেন রবার্ট লেওয়ানডোস্কি। ইউরোর বাছাইপর্বে এবার ১৩ গোল করেছেন। সর্বোচ্চ, রেকর্ড। কিন্তু পোল্যান্ডের অধিনায়ককে কিছু করতেই দিলেন না ম্যাটস হামেলস, চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে। লেওয়ানডোস্কির একটাই সান্ত্বনা থাকতে পারে, সামনের মরসুমে তাঁর ক্লাব বেয়ার্নেই খেলবেন হামেলস, তাঁকে আর খেলতে হবে না বিপক্ষে। আর একটি সোনার সুযোগ আছে অবশ্য পোল্যান্ডের সামনে। পরের ম্যাচ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে, যারা দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট পেয়ে ছিটকেই গিয়েছে ইউরো থেকে। জার্মানিকে খেলতে হবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সুতরাং, নকআউটে যাওয়ার জন্য পোল্যান্ড বেশ খানিকটা এগিয়েই গেল, জার্মানির বিরুদ্ধে ড্র করে।
প্রতিযোগিতার প্রথম ০-০ ম্যাচ। সেরা হিসাবে বেছে নেওয়া হল বোয়াতেংকে। খুব বেশি পিছিয়ে ছিলেন কি টোনি ক্রুস?
No comments