• Breaking News

    মেসির ফ্রি কিক বনাম রোনালদোর ব্যাকফ্লিক

    বিতর্কে জড়িয়ে মিডিয়ায় বয়কট রোনালদো


    [caption id="attachment_272" align="alignleft" width="300"]মেসির ফ্রি কিক মেসির ফ্রি কিক[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
    মন ছুঁয়ে যায় ফ্রি কিকে!
    বাঁ পায়ের আলতো শটে নিখুঁত নেওয়া ওই ইনসুইং ফ্রি কিক! লিও মেসিকে যেটা আর্জেন্তিনার সর্বোচ্চ স্কোরারের সিংহাসনে বসিয়ে দিল অনেক দিনের জন্য‌।
    এলএম টেনের ভুবনভোলানো ওই ফ্রি কিকের পর প্রশংসার সুনামি উঠছে। সেরা মন্তব্য কার? যাঁর রেকর্ডটা ভাঙলেন মেসি! বাতিস্তুতা বলেছেন, ‘ছেলেটা এই দুনিয়ার বাইরের কোনও গ্রহ থেকে এসেছে।’
    মন ভরে যায় ব্যাকফ্লিকে!
    ছ’গজ বক্সের মধ্যে একটা মাইনাস রেখেছিলেন খোয়াও মারিও। সামনে কিপার। গায়ে ডিফেন্ডার। ডান দিক থেকে আসা বলটা রং ফুটে পড়ল তাঁর। ধরবেন? হাফ টার্ন নেবেন? ফুটবল দুনিয়া কল্পনা করছিল এ ভাবেই। অবিশ্বাস্য ব্যাকফ্লিকে বলের দিশা পাল্টে গোল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর!
    সিআর সেভেন-এর অকল্পনীয় গোলের পর বিস্ময়ে স্তম্ভিত দুই গোলার্ধের আট থেকে আশি। সেরা মন্তব্য কার? আম দর্শকের, ‘ওহ্ মাই গড!’
    এত দিন কোথাও যেন একপেশে চলছিল ম্যাচটা। দুই গোলার্ধের দুই নায়কের লড়াইয়ে উধাও ছিল সেই আগুনটাই। এক জন গোল করছেন। রেকর্ড ভাঙছেন। জেতাচ্ছেন টিমকে। আর অন্য জন, এ সব থেকে বহু দূরে!
    এত দিনে ফুটবল দুনিয়া যেন নতুন করে পেয়ে গেল তর্কের খোরাক— মেসি বনাম রোনালদো। ফ্রি কিক বনাম ব্যাকফ্লিক। ৫ গোলের জবাবে জোড়া গোল!
    সময় সত্যি খাদে গড়াচ্ছিল রোনালদোর। পেনাল্টি থেকে গোল নেই। ফ্রি কিক মিস করছেন। বল বাড়াতে পারছেন না সতীর্থ ফরোয়ার্ডদের। জেতাতে পারছেন না টিমকে। তার মধ্যে আবার একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়া। হাঙ্গেরি ম্যাচের আগেই এক টিভি সাংবাদিকের বুম ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে চরম ঝামেলায় জড়িয়েছেন। ম্যাচের পর মিডিয়া বয়কটও করেছে রোনালদোকে। রোনালদোর ব্যাকহিল


    তবু তিনি সুপারহিরো। ফুটবল প্ল্যানেটের স্টার। বিতর্ক যতই থাক, ফের মেসিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিলেন রোনালদো। অনেকেই তো তাঁর মধ্যে সেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগুন ফিরে পেলেন। তাঁর ব্যাকফ্লিকের সঙ্গে মার্কিন মুলুকে আছড়ে পড়ল বহু চর্চিত সেই তর্কটাই, হু ইজ দ্য বেস্ট!
    বহু দিন পর আবার রঙিন দেখাল রোনালদোকে। জোড়া গোল করে টিমকে তুললেন শেষ ষোলোয়। মেসির মতো রেকর্ডও করলেন। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল— চারটে ইউরো কাপে গোল। যা আর কেউ করেননি। ইউরোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোরারের তালিকায় পৌঁছতে দু’গোল দরকার। প্লাতিনির ৯ গোলকে ভেঙে দিয়ে।
    আলোর মেসি। গোলের মেসি। ট্রফির গন্ধে মাতোয়ারা মেসি। এলএম টেনকে নিয়ে উৎসবের মাঝে ফের ঘুরে দাঁড়ালেন ওই ছেলেটা। আদর করে লোকে যাকে ডাকে সিআর সেভেন!

    No comments