• Breaking News

    চিলে-আর্জেন্তিনা ফাইনাল, গতবারের পুনরাবৃত্তি শতবার্ষিকী কোপায়!

    রাইটস্পোর্টস ডেস্ক

    chile finalaa

    মহাদেশ পাল্টে গেল। পাল্টাল না ট্রফির সন্ধানে ফাইনালের দুই দল। আগামী সোমবার ভোরে, ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে পাঁচটায়, শতবার্ষিকী কোপার ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন চিলে-ই খেলবে গতবারের রানার্স আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে!

    শিকাগোর সোলজার ফিল্ডে প্রাকৃতিক দুর্যোগে খেলা বন্ধ রাখতে হয়েছিল, প্রায় দু-ঘন্টারও বেশি। বিরতিতে তখন চিলেই এগিয়ে ২-০ ব্যবধানে। ম্যাচের একেবারে শুরুতে দুটি গোল আরানগিজ ও ফুয়েনজালিদার। যথাক্রমে ৭ ও ১১ মিনিটে। প্রবল বৃষ্টির পর আয়োজকদের প্রচেষ্টায় আবার খেলা শুরু হল যখন, মাঠ ফুটবলের আদর্শ বলা যাবে না হয়ত। ফাউলের আধিক্য দেখা গেল। রেফারি দু-দলের দুটি পেনাল্টির আবেদনে কান দিলেন না। কলম্বিয়া দশজন হয়ে গেল ৫৭ মিনিটে, কার্লোস সানচেজকে রেফারি দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখানোয়, যে-সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক থাকবে। মাঠের প্রতিকৃলতা সত্ত্বেও দু-দলই চেষ্টা করেছিল নিজেদের মতো করে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আক্রমণে উঠতে। কিন্তু, গোল আর হয়নি।

    হোর্খে সাম্পাওলি চলে যাওয়ার পর চিলের উত্থান নিয়ে সংশয় ছিল, আছেও। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে তারা বেশ সমস্যায়। কিন্তু, শতবার্ষিকী কোপায় খেলতে এসে সবচেয়ে বেশি সুবিধা হল বোধহয় চিলের নতুন কোচ পিজ্জির। নকআউটে পৌঁছনর পর থেকে তাঁর দলকে একেবারেই অন্যরকম দেখাল। আগের ম্যাচেই মেক্সিকোকে সাত গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর সেমিফাইনালেও ১১ মিনিটের মধ্যে দু-গোল। আবারও তেমন কিছু হতে দিল না অবশ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ!

    আর্তুরো ভিদাল ছিলেন না, মার্সেলো দিয়াজ আহত থাকায় খেলেননি। তবু সমস্যা হয়নি চিলে-র। কলম্বিয়া পায়নি কার্লোস বাক্কা-কে, এসি মিলানের ফরোয়ার্ড পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন না। খোসে পেকারমানের দল খেলছিল ২০০১ সালের পর প্রথমবার ফাইনালে উঠতে। পরিবর্তে এখন আয়োজক দেশ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় সময় রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় খেলবে, তৃতীয় স্থানের জন্য।

    গতবার নিজেদের দেশে প্রতিযোগিতা হওয়ায় চিলের সুবিধা ছিল, সান্তিয়াগোতে ঘরের সমর্থন সঙ্গে ছিল। এবার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে যা পাবেন না আলেক্সি সানচেজরা। আরও যা চিন্তার, আর্জেন্তিনা দুর্দান্ত ছন্দে। প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছতে মোট ১৮ গোল করে ফেলেছেন লিওনেল মেসিরা। ট্রফি জেতার লক্ষ্যে অনেক বেশি মরিয়া দেখাচ্ছে তাঁদের। কিন্তু, পরপর দু-বছর দুটি ফাইনালে হারের তিক্ত স্মৃতিও রয়েছে মেসিদের। সানচেজ-ভিদাল-ব্রাভোরা যে-ইতিহাস আবারও মনে করিয়ে দিতে আগ্রহী হবেন, নিশ্চিত!

    No comments