• Breaking News

    রাশিয়ান কিপার আর ইনজুরি টাইমের গোলে থমকাল ইংল্যান্ড | অভীক রায়

    ইংল‌্যান্ড-১ ‌: রাশিয়া-১
    (দিয়ের ৭২) (বেরেজুৎস্কি ৯২)


    রাশিয়ার শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ ইংল্যান্ডের

    বড় টুর্নামেন্টে আরও এক বার ভালো হল না ইংল্যান্ডের শুরুটা। সারা ম্যাচ দাপিয়ে খেলেও ইনজুরি টাইমের গোলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ করল রয় হজসনের টিম।
    নতুন প্রজন্মের এই ইংল্যান্ড অনেক পাল্টে যাওয়ার একটা টিম। গড় বয়স পঁচিশের সামান্য বেশি। রহিম স্টার্লিং, অ্যাডাম লালানা, এরিক দিয়েরদের টিম তীব্র গতিতে ফুটবল খেলল। প্রতিপক্ষ বক্সে ঝড়ও তুলল। যা সাম্প্রতিক কালে ব্রিটিশ ফুটবলে দেখাই যায়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমে গোল খেয়ে আটকে গেলেন ওয়েন রুনিরা।
    প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। কিন্তু ওই সময় বারবার রাশিয়া বক্সে হানা দিয়েছে ইংল্যান্ড। যে কোনও সময় গোল হয়ে যেতে পারত। রাশিয়াকে ওই সময় বাঁচিয়ে দেন কিপার ইগর আকিনফিভ। বিরতির পরও বেশ কিছু শট সেভ করেন ইগর।
    বিরতির কিছু পর ১-০ করে ফেলে ইংল্যান্ড। দিয়েরের ফ্রি কিক থেকে। ঘটনা হল, ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যামের পর এই প্রথম ইংল্যান্ডের কোনও ফুটবলার মূল টুর্নামেন্টে ফ্রি কিক থেকে গোল করলেন। ম্যাচের পর দিয়ের বলেছেন, ‘বেকহ্যামের ফ্রি কিক দেখে বড় হয়েছি। এটা মারতে ভালো লাগে। আমি গোল পেলাম, কিন্তু টিম জিতল না, এটাই খারাপ লাগছে। এক পয়েন্টেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে আমাদের।’
    ৭২ মিনিটের ওই গোলটার পর মনে হয়েছিল ইংল্যান্ড বোধহয় জয় দিয়েই শুরু করতে চলেছে এ বারের ইউরো কাপ। কিন্তু সেটা হল না। ইনজুরি টাইমে বেরেজুৎস্কির গোলে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে গেল রাশিয়া।


    দিয়েরের দুরন্ত ফ্রি কিক

    সারা ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ টিম সে অর্থে খেলেইনি। মাঝে মাঝে কাউন্টার অ্যাটাকে আসা ছাড়া আর কিছু ছিল না রাশিয়ার খেলায়। নিজেদের বক্সেই বেশির ভাগ সময় আটকে থাকল ইগরের টিম। একে বারে শেষ মুহূর্তে গোলটা শুধু তুলে নিয়ে গেল তারা। ওয়েন রুনি বলেছেন, ‘আমরা যে ভাবে খেলেছি, তাতে ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিত ছিল। সব ভুলে আমাদের সামনে তাকাতে হবে। এখনও টুর্নামেন্টের অনেক বাকি।’
    সবচেয়ে হতাশ ইংল্যান্ড কোচ। রয হজসন তো বলেই দিয়েছেন, ‘এই ফল আমাদের কাছে হারের মতো। শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যাচ ড্র হয়ে গেলে ভীষণ খারাপ লাগে।’

    No comments