বড় ম্যাচ ৭ সেপ্টেম্বর, কল্যাণীতে
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বড় ম্যাচের দিন ঘোষিত!
মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল, খেলা হবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর। কল্যাণীতে।
মরসুমের শুরু থেকেই অনিশ্চয়তা ছিল কলকাতা ফুটবল লিগের সবচেয়ে চর্চিত ম্যাচ নিয়ে। মোহনবাগান প্রথমে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দিয়েছিল, প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবে না। পরে, আইএফএ-র সঙ্গে আলোচনার সময় কিছু শর্ত দিয়েছিল, যে-শর্তগুলো মেনে নেয় আইএফএ। ফলে, প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে আর বাধা ছিল না মোহনবাগানের।
বৃহস্পতিবার আইএফএ কর্তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর দিনক্ষণ জানিয়ে দেন। প্রথমে ভাবা হয়েছিল, বারাসতে ম্যাচ হবে। কিন্তু, বারাসতে মাঠে ঢোকার ক্ষেত্রে প্রধান ‘গেট’ একটিই। দুই দলের সমর্থকদেরই সেই গেট দিয়ে মাঠে ঢুকতে হবে বলে গণ্ডগোলের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কল্যাণীতে অনেকগুলি প্রবেশদ্বার আছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সমর্থকদের আলাদা আলাদা গেট দিয়ে মাঠে প্রবেশের বন্দোবস্ত করা যাবে। তাই, কল্যাণীতেই বড় ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কল্যাণী স্টেডিয়ামে খুব বেশি হলে ১২ থেকে ১৫ হাজার দর্শক আসতে পারবেন মাঠে। যুবভারতীর এক দশমাংশ! কিন্তু যুবভারতী না-পাওয়ায় আর তো কিছু করারও ছিল না আয়োজক সংস্থার। শিলিগুড়িতে ম্যাচ নিয়ে যাওয়া মানে সব কিছু বয়ে নিয়ে যাওয়া, বিশেষত টেলিভিশন চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা। আবার, বড় ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে ফিরে এসে দিন তিনেকের মধ্যেই আবারও প্রদর্শনী ম্যাচ। সব মিলিয়ে কাজটা কঠিনতর হয়ে পড়ত। কল্যাণীতে হলে এই আনুষঙ্গিক সমস্যাগুলোর হাত থেকে বেঁচে যাওয়া সম্ভব।
সিএফএল-এর বাকি দুটি প্রদর্শনী ম্যাচের দিনও জানিয়ে দেওয়া হল। মোহনবাগান-মহমেডান ১১ সেপ্টেম্বর, ইস্টবেঙ্গল-মহমেডান ১৪ সেপ্টেম্বর। এই দুটি ম্যাচও হবে কল্যাণীতেই।
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বড় ম্যাচের দিন ঘোষিত!
মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল, খেলা হবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর। কল্যাণীতে।
মরসুমের শুরু থেকেই অনিশ্চয়তা ছিল কলকাতা ফুটবল লিগের সবচেয়ে চর্চিত ম্যাচ নিয়ে। মোহনবাগান প্রথমে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দিয়েছিল, প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবে না। পরে, আইএফএ-র সঙ্গে আলোচনার সময় কিছু শর্ত দিয়েছিল, যে-শর্তগুলো মেনে নেয় আইএফএ। ফলে, প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে আর বাধা ছিল না মোহনবাগানের।
বৃহস্পতিবার আইএফএ কর্তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর দিনক্ষণ জানিয়ে দেন। প্রথমে ভাবা হয়েছিল, বারাসতে ম্যাচ হবে। কিন্তু, বারাসতে মাঠে ঢোকার ক্ষেত্রে প্রধান ‘গেট’ একটিই। দুই দলের সমর্থকদেরই সেই গেট দিয়ে মাঠে ঢুকতে হবে বলে গণ্ডগোলের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কল্যাণীতে অনেকগুলি প্রবেশদ্বার আছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সমর্থকদের আলাদা আলাদা গেট দিয়ে মাঠে প্রবেশের বন্দোবস্ত করা যাবে। তাই, কল্যাণীতেই বড় ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কল্যাণী স্টেডিয়ামে খুব বেশি হলে ১২ থেকে ১৫ হাজার দর্শক আসতে পারবেন মাঠে। যুবভারতীর এক দশমাংশ! কিন্তু যুবভারতী না-পাওয়ায় আর তো কিছু করারও ছিল না আয়োজক সংস্থার। শিলিগুড়িতে ম্যাচ নিয়ে যাওয়া মানে সব কিছু বয়ে নিয়ে যাওয়া, বিশেষত টেলিভিশন চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা। আবার, বড় ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে ফিরে এসে দিন তিনেকের মধ্যেই আবারও প্রদর্শনী ম্যাচ। সব মিলিয়ে কাজটা কঠিনতর হয়ে পড়ত। কল্যাণীতে হলে এই আনুষঙ্গিক সমস্যাগুলোর হাত থেকে বেঁচে যাওয়া সম্ভব।
সিএফএল-এর বাকি দুটি প্রদর্শনী ম্যাচের দিনও জানিয়ে দেওয়া হল। মোহনবাগান-মহমেডান ১১ সেপ্টেম্বর, ইস্টবেঙ্গল-মহমেডান ১৪ সেপ্টেম্বর। এই দুটি ম্যাচও হবে কল্যাণীতেই।
No comments