ভল্টে চূড়ান্ত আটে থাকার আশা দীপার
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথম মহিলা জিমন্যাস্ট হিসাবে অলিম্পিকে গিয়েছিলেন দীপা কর্মকার। এবং, প্রথম হিসাবে গর্বিতই করলেন ভারতীয়দের। তাঁর ফেবারিট ভল্টে স্কোর ১৫.১০০। ভল্টে তিনি আছেন ষষ্ঠ স্থানে। এখনও দুটি ইভেন্ট বাকি। ভল্টেই একমাত্র সেরা আটে থেকে ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। সব মিলিয়ে চারটি ইভেন্টের শেষে তাঁর স্থান ২১তম। স্বাভাবিকও, কারণ বাকি তিনটি ইভেন্টের কোনওটিতেই তিনি সেরা দশে থাকতে পারেননি। কিন্তু নিজের প্রিয় ইভেন্টে তাঁকে সেরা আটের বাইরে রাখা কঠিন হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
অংশ নিয়েছিলেন আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সের চারটি বিভাগে, যার মধ্যে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ইভেন্ট ছিল ভল্ট। প্রোদুনোভা, যা সবচেয়ে কঠিন। তাতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ আগরতলার বাঙালি দীপা। বাকি তিনটি ইভেন্টের মধ্যে আনইভেন বার-এ ১১.৬৬৬, ব্যালান্স বিম-এ ১২.৮৬৬ ও ফ্লোর এক্সারসাইজে ১২.০৩৩ পান দীপা। তার মধ্যেও আবার ফ্লোর-এ ০.৩০০ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয় পেনাল্টি হিসাবে। ফলে আজ দিনশেষে তাঁর সংগ্রহে মোট ৫১.৬৬৫ পয়েন্ট যার মধ্যে ০.৩০০ পেনাল্টি হিসাবে কাটা গেলেও থেকে যাচ্ছে ৫১.৩৬৫।
বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্স সংস্থার কাছে থেকে ‘ওয়ার্ল্ড ক্লাস জিমন্যাস্ট’ খেতাব পাওয়া দীপা অলিম্পিকের আসরেও নিজেকে তুলে ধরেছিলেন সর্বোচ্চ স্তরেই। কিছুদিন আগে কলকাতায় এসে বলে গিয়েছিলেন, তাঁকে দেখে যদি আরও অনেক মেয়ে ভারতে জিমন্যাস্টিক্স করতে এগিয়ে আসে, তা হলেই খুশি হবেন তিনি। রিও অলিম্পিকের আসরে তিনি চারটি ইভেন্টে এভাবে অংশ নেওয়ার পরও ভারতীয় মেয়েরা (বা তাদের বাবা-মায়েরা) জিমন্যাস্টিক্স-এ উৎসাহী না হন সেটা দীপার ব্যর্থতা নয়, ভারতেরই ব্যর্থতা!
ঠিক যেমন, গোটা ভারত দীপা কর্মকারকে দেখতে চেয়ে জেগেছিল গভীর রাত পর্যন্ত। কিন্তু দীপার ইভেন্টের সময় স্টার স্পোর্টস অন্য জিমন্যাস্টদের অন্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রমাণ করল, অলিম্পিকে ভারতীয়দের দেখানোর ব্যাপারে কোনও দায়িত্ব সত্যিই নেই তাঁদের!
প্রথম মহিলা জিমন্যাস্ট হিসাবে অলিম্পিকে গিয়েছিলেন দীপা কর্মকার। এবং, প্রথম হিসাবে গর্বিতই করলেন ভারতীয়দের। তাঁর ফেবারিট ভল্টে স্কোর ১৫.১০০। ভল্টে তিনি আছেন ষষ্ঠ স্থানে। এখনও দুটি ইভেন্ট বাকি। ভল্টেই একমাত্র সেরা আটে থেকে ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। সব মিলিয়ে চারটি ইভেন্টের শেষে তাঁর স্থান ২১তম। স্বাভাবিকও, কারণ বাকি তিনটি ইভেন্টের কোনওটিতেই তিনি সেরা দশে থাকতে পারেননি। কিন্তু নিজের প্রিয় ইভেন্টে তাঁকে সেরা আটের বাইরে রাখা কঠিন হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
অংশ নিয়েছিলেন আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সের চারটি বিভাগে, যার মধ্যে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ইভেন্ট ছিল ভল্ট। প্রোদুনোভা, যা সবচেয়ে কঠিন। তাতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ আগরতলার বাঙালি দীপা। বাকি তিনটি ইভেন্টের মধ্যে আনইভেন বার-এ ১১.৬৬৬, ব্যালান্স বিম-এ ১২.৮৬৬ ও ফ্লোর এক্সারসাইজে ১২.০৩৩ পান দীপা। তার মধ্যেও আবার ফ্লোর-এ ০.৩০০ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয় পেনাল্টি হিসাবে। ফলে আজ দিনশেষে তাঁর সংগ্রহে মোট ৫১.৬৬৫ পয়েন্ট যার মধ্যে ০.৩০০ পেনাল্টি হিসাবে কাটা গেলেও থেকে যাচ্ছে ৫১.৩৬৫।
বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্স সংস্থার কাছে থেকে ‘ওয়ার্ল্ড ক্লাস জিমন্যাস্ট’ খেতাব পাওয়া দীপা অলিম্পিকের আসরেও নিজেকে তুলে ধরেছিলেন সর্বোচ্চ স্তরেই। কিছুদিন আগে কলকাতায় এসে বলে গিয়েছিলেন, তাঁকে দেখে যদি আরও অনেক মেয়ে ভারতে জিমন্যাস্টিক্স করতে এগিয়ে আসে, তা হলেই খুশি হবেন তিনি। রিও অলিম্পিকের আসরে তিনি চারটি ইভেন্টে এভাবে অংশ নেওয়ার পরও ভারতীয় মেয়েরা (বা তাদের বাবা-মায়েরা) জিমন্যাস্টিক্স-এ উৎসাহী না হন সেটা দীপার ব্যর্থতা নয়, ভারতেরই ব্যর্থতা!
ঠিক যেমন, গোটা ভারত দীপা কর্মকারকে দেখতে চেয়ে জেগেছিল গভীর রাত পর্যন্ত। কিন্তু দীপার ইভেন্টের সময় স্টার স্পোর্টস অন্য জিমন্যাস্টদের অন্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রমাণ করল, অলিম্পিকে ভারতীয়দের দেখানোর ব্যাপারে কোনও দায়িত্ব সত্যিই নেই তাঁদের!
No comments