ধোনিই শিখিয়েছে, কী ভাবে চাপ সামলাতে হয়, বলছেন ঋদ্ধিমান
[caption id="attachment_495" align="alignleft" width="184"]
ধোনিই শিখিয়েছে, কী ভাবে চাপ সামলাতে হয়, বলছেন ঋদ্ধিমান[/caption]
রাইটস্পোর্টস ডেস্ক
বাংলার ঋদ্ধিমান সাহা এখন ভারতীয় দলের এক নম্বর উইকেটরক্ষক। তা-ও আবার টেস্ট দলে। মহেন্দ্র সিং ধোনি টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই। ভারতীয় দল যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজে। চার টেস্টের সিরিজ খেলতে। যাওয়ার আগে বেঙ্গালুরুতে সরকারি সাংবাদিক সম্মেলনে যা যা বললেন ঋদ্ধি, একঝলকে -
গত এক বছরে টেস্টে ভারত
৬-৭ বছর ভারতীয় দলে আছি। গত এক বছরে অস্ট্রেলিয়াতে খেলেছি। তার পর বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও খেলেছি টেস্ট। দল সিরিজ জিতেওছে। সব মিলিয়ে বেশ ভাল খেলছে দল। এটাই বড় ব্যাপার। আগামী সিরিজেও আমরা নিশ্চয় ভালো খেলব।
নিজের পারফরম্যান্স
আগে দল, পরে নিজের ভাবনা। পারফরম্যান্স আরও ভাল করতে হবে। লক্ষ্য তো সবসময় সেটাই। কিন্তু ওই যে বললাম, দল না জিতলে আপনার রান তো কোনও কাজেই লাগে না!
ধোনির বদলি কিপার
ধোনি ভাইয়ের অবসরের পর টেস্ট টিমে সুযোগ পেয়েছি। ওর অভাব পূরণ করা এত সহজ নয়। দীর্ঘ বেশ কিছু বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে দুরন্ত পারফর্ম করেছে ধোনি ভাই। আমি কয়েক দিনে সেটা ছুঁয়ে ফেলব, হতে পারে না। নিজের মতো করে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। যাতে টিমকে উইকেটের পিছনে সাপোর্ট দিতে পারি। ব্যাট হাতে নেমে রান করতে পারি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ
আলাদা করে কোনও ভাবনা নিয়ে যাচ্ছি না। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আমরা যে ভাবে ডমিনেট করার চেষ্টা করেছি, প্রতিটা সেশন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করেছি, সেটাই ওয়েস্ট ইন্ডিজে করার চেষ্ট করব।
বড় রান আসছে না কেন
শ্রীলঙ্কাতে দুটো হাফসেঞ্চুরি ছিল। তার পর বড় স্কোর করতে পারিনি। ৩০-৪০ এ গিয়ে থেমে গিয়েছি। তবে এটা নিয়ে একদম ভাবছি না। আমি কেমন রান করলাম, সেটা বড় ব্যাপার নয়। আমার ৩০ বা ৪০ রান যদি টিমের কাজে লাগে, সেটাই আমাকে তৃপ্তি দেবে।
ব্যাটিং পজিশন
লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করতেই ভাল লাগে। ওই সময় যদি বোলারদের নিয়ে ৩০-৪০ করে দিতে পারি, তা হলে টিম একটা বড় টার্গেট রাখতে পারে বিপক্ষের সামনে। এই চ্যালেঞ্জটাই সব সময় নিই।
শ্রীলঙ্কা সিরিজের চোট
খুব খারাপ লেগেছিল। যখন টিমের সঙ্গে আপনি সব রকম ভাবে জড়িয়ে পড়বেন, তখন যদি এই ধরনের চোট লাগে, খুব খারাপ লাগবে আপনার। আমার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তেমন ছিল। ওই সিরিজে আমার দুটো হাফসেঞ্চুরি ছিল। টিমকে সাহায্য করতে পেরেছি। ২২ বছর পর সিরিজ জিতে ফিরেছি। এটা তৃপ্তি দিয়েছে।
ধোনির টিপস
সব সময় ওর সঙ্গে কথা বলি। আইপিএলে যখন ধোনি ভাইয়ের সঙ্গে খেলেছি, অনেক কথা বলেছি। অস্ট্রেলিয়াতে যখন ওর বদলে খেলি, তখনও অনেক কথা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে কীভাবে কিপ করতে হয়, ব্যাটিং করতে হয়, চাপ সামলাতে হয়— ওর কাছে অনেক পরামর্শ পেয়েছি।
কিপিংয়ের ক্ষেত্রে ধোনির পরামর্শ
বরাবর একটাই কথা বলে, নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে। বাড়তি কিছু করতে মানা করে। ওর কথা মাথায় রাখি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিস্থিতি
ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফল হওয়াটাই চ্যালেঞ্জ। ওখানে কোনও পিচে বাউন্স থাকে, কোনও পিচ ফ্ল্যাট। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে হয় দ্রুত। কিপার হিসেবে এই চ্যালেঞ্জটা নেওয়ার জন্য তৈরি।
রাইটস্পোর্টস ডেস্ক
বাংলার ঋদ্ধিমান সাহা এখন ভারতীয় দলের এক নম্বর উইকেটরক্ষক। তা-ও আবার টেস্ট দলে। মহেন্দ্র সিং ধোনি টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই। ভারতীয় দল যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজে। চার টেস্টের সিরিজ খেলতে। যাওয়ার আগে বেঙ্গালুরুতে সরকারি সাংবাদিক সম্মেলনে যা যা বললেন ঋদ্ধি, একঝলকে -
গত এক বছরে টেস্টে ভারত
৬-৭ বছর ভারতীয় দলে আছি। গত এক বছরে অস্ট্রেলিয়াতে খেলেছি। তার পর বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও খেলেছি টেস্ট। দল সিরিজ জিতেওছে। সব মিলিয়ে বেশ ভাল খেলছে দল। এটাই বড় ব্যাপার। আগামী সিরিজেও আমরা নিশ্চয় ভালো খেলব।
নিজের পারফরম্যান্স
আগে দল, পরে নিজের ভাবনা। পারফরম্যান্স আরও ভাল করতে হবে। লক্ষ্য তো সবসময় সেটাই। কিন্তু ওই যে বললাম, দল না জিতলে আপনার রান তো কোনও কাজেই লাগে না!
ধোনির বদলি কিপার
ধোনি ভাইয়ের অবসরের পর টেস্ট টিমে সুযোগ পেয়েছি। ওর অভাব পূরণ করা এত সহজ নয়। দীর্ঘ বেশ কিছু বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে দুরন্ত পারফর্ম করেছে ধোনি ভাই। আমি কয়েক দিনে সেটা ছুঁয়ে ফেলব, হতে পারে না। নিজের মতো করে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। যাতে টিমকে উইকেটের পিছনে সাপোর্ট দিতে পারি। ব্যাট হাতে নেমে রান করতে পারি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ
আলাদা করে কোনও ভাবনা নিয়ে যাচ্ছি না। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আমরা যে ভাবে ডমিনেট করার চেষ্টা করেছি, প্রতিটা সেশন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করেছি, সেটাই ওয়েস্ট ইন্ডিজে করার চেষ্ট করব।
বড় রান আসছে না কেন
শ্রীলঙ্কাতে দুটো হাফসেঞ্চুরি ছিল। তার পর বড় স্কোর করতে পারিনি। ৩০-৪০ এ গিয়ে থেমে গিয়েছি। তবে এটা নিয়ে একদম ভাবছি না। আমি কেমন রান করলাম, সেটা বড় ব্যাপার নয়। আমার ৩০ বা ৪০ রান যদি টিমের কাজে লাগে, সেটাই আমাকে তৃপ্তি দেবে।
ব্যাটিং পজিশন
লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করতেই ভাল লাগে। ওই সময় যদি বোলারদের নিয়ে ৩০-৪০ করে দিতে পারি, তা হলে টিম একটা বড় টার্গেট রাখতে পারে বিপক্ষের সামনে। এই চ্যালেঞ্জটাই সব সময় নিই।
শ্রীলঙ্কা সিরিজের চোট
খুব খারাপ লেগেছিল। যখন টিমের সঙ্গে আপনি সব রকম ভাবে জড়িয়ে পড়বেন, তখন যদি এই ধরনের চোট লাগে, খুব খারাপ লাগবে আপনার। আমার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তেমন ছিল। ওই সিরিজে আমার দুটো হাফসেঞ্চুরি ছিল। টিমকে সাহায্য করতে পেরেছি। ২২ বছর পর সিরিজ জিতে ফিরেছি। এটা তৃপ্তি দিয়েছে।
ধোনির টিপস
সব সময় ওর সঙ্গে কথা বলি। আইপিএলে যখন ধোনি ভাইয়ের সঙ্গে খেলেছি, অনেক কথা বলেছি। অস্ট্রেলিয়াতে যখন ওর বদলে খেলি, তখনও অনেক কথা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে কীভাবে কিপ করতে হয়, ব্যাটিং করতে হয়, চাপ সামলাতে হয়— ওর কাছে অনেক পরামর্শ পেয়েছি।
কিপিংয়ের ক্ষেত্রে ধোনির পরামর্শ
বরাবর একটাই কথা বলে, নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে। বাড়তি কিছু করতে মানা করে। ওর কথা মাথায় রাখি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিস্থিতি
ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফল হওয়াটাই চ্যালেঞ্জ। ওখানে কোনও পিচে বাউন্স থাকে, কোনও পিচ ফ্ল্যাট। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে হয় দ্রুত। কিপার হিসেবে এই চ্যালেঞ্জটা নেওয়ার জন্য তৈরি।
No comments