রোনালদোর টিমে নতুন নায়ক আঠেরোর সানচেজ
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
ইউরোপ ঝলসে দিচ্ছে আঠেরোর প্রতিভা!
এই প্রথম পর্তুগালের হয়ে প্রথম দলে সুযোগ পেয়েছেন। তার মধ্যেই হইচই ফেলে দিয়েছেন রেনাতো সানচেজ। বেনফিকা থেকে তাঁকে বিপুল অর্থে নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ যে কোনও ভুল করেনি, ইউরো কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে প্রমাণ করে দিলেন লিসবনের তরুণ।
টিম যখন ০-১ পিছিয়ে, ঝাঁকড়া চুলের এই অ্যাটাকিং মিডিফিল্ডারই ১-১ করেছিলেন। হ্যাঁ, সুবিধা হয়েছিল তাঁর শট গোলের দিকে যাওয়ার সময় পোল্যান্ডের এক ফুটবলারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ফেলায়। কিন্তু তাতে তার কী? টাইব্রেকারে রোনালদো প্রথম শটটা নেওয়ার পর প্রবল চাপের মধ্যেও দ্বিতীয় শট নিতে গিয়েছিলেন সানচেজ! এবং ঠান্ডা মাথায় গোলটাও করেছিলেন।
রোনালদোর ছায়ায় এত দিন ঢেকে থাকা পর্তুগালের সানচেজই ভবিষ্যতের তারকা। পর্তুগালের হয়ে সবে ন’নম্বর ম্যাচ খেলতে নেমে সফল হলেন কী ভাবে?
রেনাতো সানচেজের মুখে নিজেকে নিয়ে কথা নেই। তিনি দল নিয়ে মজে। বলেছেন, ‘শুরুতেই গোলটা খেয়ে যাওয়ার পর ভেঙে পড়িনি। একটা জিনিস মাথায় ছিল, এখানেই সব শেষ নয়। যে কোনও সময় ম্যাচে ফিরতে পারি। শুধু নিজেদের সেরাটা দিয়ে যেতে হবে। তাই হল। সমতা ফিরতেই আমরা খেলাটা ধরে নিয়েছিলাম।’
একই দিনে দুটো রেকর্ড ভেঙে দিলেন সানচেজ। এক, পর্তুগালের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে প্রথম দলে সুযোগ পেলেন। এর আগে এই রেকর্ড ছিল রোনালদোর। দুই, সবচেয়ে কম বয়সে ইউরো কাপের নকআউট পর্যায়ে গোল করলেন।
টাইব্রেকারে দ্বিতীয় শট নিতে যাওয়ার সময় কী ভাবছিলেন? সানচেজের কথায়, ‘টাইব্রেকারের আগে কোচ জানতে চেয়েছিলেন, কে কে শট নিতে চাও। ক্রিস্তিয়ানো বলেছিল, ও প্রথম শটটা নেবে। আমি পরেরটা মারতে চেয়েছিলাম। কোচ আস্থা রেখেছেন আমার উপর।’
ইউরোর শেষ চারে পা দেওয়া পর্তুগালে রোনালদো আছেন। নানি, পেপেরাও আছেন। সবাইকে ছাপিয়ে গিয়ে পর্তুগিজ শিবিরে ১৮ বছরের এক তরুণের নাম এখন — রেনাতো সানচেজ!
No comments