ঝুঁকি নিয়ে রুনিকে আজ বেঞ্চে রাখছেন ইংল্যান্ড-কোচ
কাশীনাথ ভট্টাচার্য

ওয়েন রুনিকে আজ শুরু থেকে খেলাবেন না রয় হজসন। অধিনায়ককে বিশ্রাম দিচ্ছেন ম্যানেজার।
হয়ত একটু বেশিই ঝুঁকি নিয়ে ফেলছেন ইংল্যান্ডের কোচ। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরই তুলে নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোল খেয়ে ওই ম্যাচ থেকে একটিই পয়েন্ট পায় ইংল্যান্ড। আজ গ্রুপের শেষ ম্যাচ স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে। ইংল্যান্ড শীর্ষে আছে ৪ পয়েন্ট নিয়ে, গোল পার্থক্যের হিসাবে। যদি স্লোভাকিয়ার কাছে হারে এবং রাশিয়াও হারে ওয়েলসের কাছে, একমাত্র তখনই ইংল্যান্ড তৃতীয় হয়ে যেতে পারে। কিন্তু, এক পয়েন্ট পেলেই গ্রুপ শীর্ষে থেক নকআউটে যাওয়া নিশ্চিত। সেই জন্যই বোধহয় সাহসী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন হজসন, রুনিকে বসিয়ে!
ওয়েলস ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত আত্মবিশ্বাস এখন ইংল্যান্ডের ভরসা। বিশেষত স্টারিজ আর ভার্ডির ফর্ম। হ্যারি কেন প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, ঠিক। কিন্তু দেশের হয়ে সেই পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ কেন-কে আর শুরু থেকে ভাবছেন না ম্যানেজার। হজসন প্রভূত প্রশংসা করেছন স্টারিজের। কেন-এর সঙ্গে স্টার্লিংকেও রেখেছিলেন প্রথম দুটি ম্যাচে, শুরুতে। একই রকম হতাশাজনক পারফরম্যান্স স্টার্লিংয়েরও। ফলে, দুজনের জায়গায় ওয়েলস ম্যাচের দুই গোলদাতা জেমি ভার্ডি আর ড্যানিয়েল স্টারিজ শুরু করবেন স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে, নিশ্চিত।
রুনি না-থাকায় মাঝমাঠেও পরিবর্তন হচ্ছে। চোট সারিয়ে ফেরা হেন্ডারসন থাকবেন শুরু থেকে। হয়ত জ্যাক উইলশেয়ারও। দুজনেই যেহেতু চোট সারিয়ে ফিরছেন, স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে মাঝমাঠ নিয়েও চিন্তায় থাকতেই হবে ইংল্যান্ডকে। অধিনায়ক অবশ্য চিন্তিত নন। মনে করা হচ্ছিল, নতুন জায়গায় যত বেশি খেলবেন, দলের পক্ষে ভাল। রুনি বলেছেন, ‘দলে ২৩ জন আছে, প্রত্যেকেই প্রতিভাবান। সবাই যোগ্য বলেই দলে আছে, যে কোনও ফুটবলারের পরিবর্তে অন্য যে কেউ নেমে খেলা ঘোরাতেই পারে। কোচের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমাদের বিশ্বাস, এই দলটা ভাল খেলবে।’
আরও একটি পরিবর্তন হতে পারত যদি জো হার্টকে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবতেন হজসন। গ্যারেথ বেলের ৩৫ গজ দূর থেকে ফ্রিকিকটা তাঁর বাঁচানো উচিত ছিল, স্বীকার করেছেন হার্ট নিজেই। ম্যানেজারের কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। ম্যানেজার অবশ্য তাঁকে পরিষ্কার জানিয়েছেন, ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই। ‘ওর মনে হয়েছিল, শটটা বাঁচানো উচিত ছিল। তাই বলেছে। কিন্তু ওকে জানিয়ে দিয়েছি, এইগুলো নিয়ে ভাবার জায়গা নেই। দল জিতেছে, হার্টও সেই দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, আমি এভাবেই দেখছি। যদি ০-১ হারত ইংল্যান্ড, হয়ত এমন কিছু বলার জায়গা থাকত। কিন্তু, আমি নিশ্চিত যে, বাকিরা ওকে বলত, ঠিক আছে, ফুটবলে এমন হয়েই থাকে। এটা নিয়ে এত বেশি ভাবছ কেন!’
তাঁর চাকরি রাখা নিয়ে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন চিন্তায় থাকতেই পারে। ইউরোয় সেমিফাইনালে না পৌঁছতে পারলে হয়ত থাকবে না চাকরি। তাই কি নকআউটের কথা একটু আগে থেকেই ভেবে রুনিকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোচের?
ওয়েন রুনিকে আজ শুরু থেকে খেলাবেন না রয় হজসন। অধিনায়ককে বিশ্রাম দিচ্ছেন ম্যানেজার।
হয়ত একটু বেশিই ঝুঁকি নিয়ে ফেলছেন ইংল্যান্ডের কোচ। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরই তুলে নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোল খেয়ে ওই ম্যাচ থেকে একটিই পয়েন্ট পায় ইংল্যান্ড। আজ গ্রুপের শেষ ম্যাচ স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে। ইংল্যান্ড শীর্ষে আছে ৪ পয়েন্ট নিয়ে, গোল পার্থক্যের হিসাবে। যদি স্লোভাকিয়ার কাছে হারে এবং রাশিয়াও হারে ওয়েলসের কাছে, একমাত্র তখনই ইংল্যান্ড তৃতীয় হয়ে যেতে পারে। কিন্তু, এক পয়েন্ট পেলেই গ্রুপ শীর্ষে থেক নকআউটে যাওয়া নিশ্চিত। সেই জন্যই বোধহয় সাহসী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন হজসন, রুনিকে বসিয়ে!
ওয়েলস ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত আত্মবিশ্বাস এখন ইংল্যান্ডের ভরসা। বিশেষত স্টারিজ আর ভার্ডির ফর্ম। হ্যারি কেন প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, ঠিক। কিন্তু দেশের হয়ে সেই পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ কেন-কে আর শুরু থেকে ভাবছেন না ম্যানেজার। হজসন প্রভূত প্রশংসা করেছন স্টারিজের। কেন-এর সঙ্গে স্টার্লিংকেও রেখেছিলেন প্রথম দুটি ম্যাচে, শুরুতে। একই রকম হতাশাজনক পারফরম্যান্স স্টার্লিংয়েরও। ফলে, দুজনের জায়গায় ওয়েলস ম্যাচের দুই গোলদাতা জেমি ভার্ডি আর ড্যানিয়েল স্টারিজ শুরু করবেন স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে, নিশ্চিত।
রুনি না-থাকায় মাঝমাঠেও পরিবর্তন হচ্ছে। চোট সারিয়ে ফেরা হেন্ডারসন থাকবেন শুরু থেকে। হয়ত জ্যাক উইলশেয়ারও। দুজনেই যেহেতু চোট সারিয়ে ফিরছেন, স্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে মাঝমাঠ নিয়েও চিন্তায় থাকতেই হবে ইংল্যান্ডকে। অধিনায়ক অবশ্য চিন্তিত নন। মনে করা হচ্ছিল, নতুন জায়গায় যত বেশি খেলবেন, দলের পক্ষে ভাল। রুনি বলেছেন, ‘দলে ২৩ জন আছে, প্রত্যেকেই প্রতিভাবান। সবাই যোগ্য বলেই দলে আছে, যে কোনও ফুটবলারের পরিবর্তে অন্য যে কেউ নেমে খেলা ঘোরাতেই পারে। কোচের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমাদের বিশ্বাস, এই দলটা ভাল খেলবে।’
আরও একটি পরিবর্তন হতে পারত যদি জো হার্টকে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবতেন হজসন। গ্যারেথ বেলের ৩৫ গজ দূর থেকে ফ্রিকিকটা তাঁর বাঁচানো উচিত ছিল, স্বীকার করেছেন হার্ট নিজেই। ম্যানেজারের কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। ম্যানেজার অবশ্য তাঁকে পরিষ্কার জানিয়েছেন, ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই। ‘ওর মনে হয়েছিল, শটটা বাঁচানো উচিত ছিল। তাই বলেছে। কিন্তু ওকে জানিয়ে দিয়েছি, এইগুলো নিয়ে ভাবার জায়গা নেই। দল জিতেছে, হার্টও সেই দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, আমি এভাবেই দেখছি। যদি ০-১ হারত ইংল্যান্ড, হয়ত এমন কিছু বলার জায়গা থাকত। কিন্তু, আমি নিশ্চিত যে, বাকিরা ওকে বলত, ঠিক আছে, ফুটবলে এমন হয়েই থাকে। এটা নিয়ে এত বেশি ভাবছ কেন!’
তাঁর চাকরি রাখা নিয়ে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন চিন্তায় থাকতেই পারে। ইউরোয় সেমিফাইনালে না পৌঁছতে পারলে হয়ত থাকবে না চাকরি। তাই কি নকআউটের কথা একটু আগে থেকেই ভেবে রুনিকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোচের?
No comments