Showing posts with label Gianni Infantino. Show all posts
Showing posts with label Gianni Infantino. Show all posts

Saturday, May 6, 2017

ফিফা-সভাপতির অভিনন্দন আইজলকে

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


fifa-congratulatesf

ক্লাবের ইতিহাসে সেরা খেতাব এসেছিল আই লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিন। আইজল এফসি এবার পেল সর্বোচ্চ জায়গা থেকে অভিনন্দন বার্তা। আই লিগ চ্যাম্পিয়নদের অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি লিখলেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

এআইএফএফ-এর সভাপতি প্রফুল প্যাটেলকে পাঠানো চিঠিতে ইনফান্তিনো লিখেছেন, ‘আইজল এফসি-র প্রথম আই লিগ খেতাব জয়ের খবরে যারপরনাই আনন্দিত। আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’

চিঠিতে ফিফা-র সর্বোচ্চ কর্তা আরও লিখেছেন, ‘দৃঢ়তার ফল এই খেতাব। এমন একটি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আইজল এফসি-র প্রত্যেক ফুটবলার, কোচ, কর্তা, টেকনিক্যাল ও মেডিক্যাল স্টাফ এবং আইজলের ভক্তদেরও সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

গোটা বিশ্বের ফুটবল-পরিবারের তরফে আইজল এফসি-কে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন, ফুটবল সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য।

আই লিগ জেতার পরই অবশ্য কাজ শেষ হয়নি খালিদ জামিলের দলের। রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে ফেডারেশন কাপ যেখানে তারা গতবারের রানার্স। কটকে রবিবার সন্ধেয় আই লিগ চ্যাম্পিয়নরা তাদের প্রথম ম্যাচে খেলবে চেন্নাই সিটি-র বিরুদ্ধে। কটকের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। তবে, একজন ফুটবলারও আহত হননি।

দেশের সেরা নকআউট প্রতিযোগিতা এখন আইজলের কাছে দেখিয়ে দেওয়ার যে, আই লিগে যা হয়েছে, ঠিক।

Wednesday, August 17, 2016

শতবর্ষে প্রয়াত আভেলানজে, ফুটবলের দরজা যিনি খুলে দিয়েছিলেন বিশ্বের জন্য

রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

HAV RJ 22/04/98 HAVELANGE ENTREVISTA ESPORTE ESPECIAL FIM DE SEMANA EXCLUSIVO ESTADO ENTREVISTA COM O PRESIDENTE DA FIFA JOAO HAVELANGE FOTO RAIMUNDO VALENTIM/AE

তিনি যখন দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সুইৎজারল্যান্ডে ফিফার সদর দফতরে কর্মীর সংখ্যা ছিল ১২ জন! তিনি যখন দায়িত্ব থেকে সরে গিয়েছিলেন, ফিফার হেড কোয়ার্টার গোটা বিশ্বের কাছে দর্শনীয়। কর্মী সংখ্যার হিসাব ছেড়েই দিন, ফিফায় সদস্য দেশের সংখ্যা বেড়েছে অন্তত ৫০!

১৯৭৪ সালে ফিফার সভাপতি হয়েছিলেন জোয়াও আভেলানজে। তিন বছর পর শুরু করেছিলেন পুরুষদের অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ, ১৯৭৭ সালে। তার ঠিক আট বছর পর, ১৯৮৫-তে ছেলেদের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ, আগামী ২০১৭ সালে যে-প্রতিযোগিতা হবে ভারতে। ফুটসাল-কেও ফিফা-স্বীকৃতি দিয়ে গিয়েছিলেন ১৯৮৯ সালে।

তিনি শুরু করেন যখন, ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিত ১৬ দেশ। তিনি সরে যাওয়ার সময় দেশের সংখ্যা দ্বিগুণ, ৩২! বিশ্বকাপকে ইউরোপের কুক্ষিগত করে রাথার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে গিয়ে যিনি দোর খুলে দিয়েছিলেন সারা বিশ্বের জন্যই, ফিফার এখনকার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ঠিকই বলেছেন, ‘বিশ্বের সব কোণে ফুটবলকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য, ফুটবলকে সত্যিই বিশ্বজনীন করে তোলার জন্য তাঁর অবদান ভোলা যাবে না।’

অভিযোগ অজস্র। অধিকাংশই ব্রিটিশ মিডিয়ার। তাঁর আগে স্ট্যানলি রাউস ছিলেন ফিফার দায়িত্বে। ইংরেজেদের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন ফিফাকে, এফএ-র যেন ‘ব্র্যাঞ্চ অফিস’ হয়ে থাকে ফিফা, যেটা এখনও ইংরেজ প্রচারমাধ্যম এবং ইংরেজি-আশ্রিত আমাদের মতো দেশের প্রচারমাধ্যমও চেয়ে থাকে। আভেলানজে তা হতে দেননি। ইউরোপের দাপট উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এশিয়া, আফ্রিকাকে ‘প্রোমোট’ করেছিলেন। ভোটব্যাঙ্ক বেড়েছিল। ২৪ বছর তাঁকে ছোঁয়া যায়নি সেই কারণেই। যাওয়ার সময় উত্তরাধিকারীও বেছে দিয়ে গিয়েছিলেন সেপ ব্লাটারকে, যে-কারণে আরও রাগ ইংরেজদের! ঠিক সেই কারণে তাঁর মৃত্যুর পর গ্যারি লিনেকার লেখেন টুইটারে, ‘ফুটবল তাঁকে দিয়েছিল অনেক কিছু। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন!’ কুশ্রী ইঙ্গিত, বিশ্রী ব্রিটিশ মানসিকতার, শতবর্ষে প্রয়াত এক ফুটবল প্রশাসক সম্পর্কে।

তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ সংক্রান্ত বহু অভিযোগ তুলেছিল ইংরেজ মিডিয়া্। প্রায় উঠে-পড়ে লেগে, কারণ, ছেষট্টি বিশ্বকাপে কী করে ইউরোপীয় রেফারিদের দিয়ে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জেতানো ‘নিশ্চিত’ করা হয়েছিল, জনসমক্ষে তা তুলে ধরেছিলেন আভেলানজে। তাঁর মৃত্যুর পরও বিবিসি যেমন তুলে ধরেছে, বিবিসি-র তোলা লক্ষ লক্ষ ডলার সুইস কোম্পানি ‘আইএসএল’-এর কাছ থেকে ঘুষ হিসাবে নেওয়ার অভিযোগের কথা, যা প্রমাণিত হয়নি, স্বীকার করেননি আভেলানজেও।

সাঁতারু ছিলেন, ১৯৩৬ অলিম্পিকে সাঁতারু হিসাবেই প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ব্রাজিলের। পরে ওয়াটারপোলো দলের হয়ে, ১৯৫২ হেলসিঙ্কি অলিম্পিকে। আইনের স্নাতক, কিন্তু প্রশাসক হিসাবেই খ্যাত। ফিফা ছাড়াও ছিলেন আইওসি-তে। মারা গেলেন যখন রিও-তে অলিম্পিক চলছে। প্রথমবার অলিম্পিকের আসর বসল যে-বছর তাঁর শহর, তাঁর দেশ ও তাঁর মহাদেশে, সেই বছরই মারা গেলেন আভেলানজে, এভাবেও হয়ত মনে রাখা যাবে তাঁকে।