শেষ মিনিটের ভুলে জয় হাতছাড়া ইস্টবেঙ্গলের
ইস্টবেঙ্গল ২ আইজল ২
(এদু ৬৬, কাতসুমি ৭২) (লালনুনফেলা ৭৪, ৯০+৬)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
খালিদ জামিলের অতীত এসে আটকে দিল খালিদ জামিলের বর্তমানের পথ!
তীরে এসে তরী ডোবার এমন উদাহরণ ফুটবলেই দেখা যায়। ইনজুরি টাইম দেওয়া হয়েছিল চার মিনিটের। আরও দু-মিনিট বেশি খেলা হল এবং ৯৬ মিনিটে গোল খেয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়াম ছাড়ল ইস্টবেঙ্গল। আই লিগ অভিযানের শুরুতে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মতোই ড্র করে।
ম্যাচে প্রাধান্য প্রশ্নাতীত থাকলেও জামিলের এবারের দলকে ভুগতে হল গোলমুখে ব্যর্থতায়। খানিকটা দুর্ভাগ্যও। উইলিস প্লাজার গোল না-করার রোগ সারেনি এখনও। তিন-তিনবার চেষ্টার মধ্যে একবার পোস্ট ফেরাল, একবার আইজলের গোলরক্ষক আর একবার নিজেই মারলেন বাইরে।
প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর ৬৬ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন এদুয়ার্দো। কাতসুমির কর্নারে হেড করে এদুর মাথায় পাঠিয়েছিলেন ব্রান্ডন। এবারের আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের প্রথম গোল। তার খানিক পরই দ্বিতীয় গোল। রফিকের শট ম্যাচের সেরা কাতসুমির পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে আইজলের গোলরক্ষক অভিলাষ পালকে বোকা বানিয়ে জালে।
২-০ এগিয়ে দুমিনিটের মধ্যেই অবশ্য একটি গোল হজম করতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে। ফ্রি কিকের সময় লালনুনফেলাকে আটকানোর কেউ ছিলেন না। ঠিক যেমন শেষ মিনিটে কর্নার থেকে গোলের সময়ও। গোলরক্ষক বেরিয়ে এসেছিলেন, এদুও উঠেছিলেন হেড দিতে, বল পাননি কেউই। সুযোগসন্ধানী লালনুনফেলা ঠিক কাজটা আবারও করে দিয়ে একটি পয়েন্ট তুলে নিয়ে স্বস্তি দিলেন গতবারের চ্যাম্পিয়নদের।
ফ্রি কিক আর কর্নার – দুটি সেট পিস থেকে গোল খেয়ে খালিদ জামিলের উপলব্ধি, মনঃসংযোগের অভাব। তবে, ডার্বিতে এর প্রভাব পড়বে না, তিনি নিশ্চিত। আর, আগামী রবিবার দুপুরে ডার্বিতে নিশ্চয়ই আজকের ১৬,১১১-র অনেক বেশি সমর্থকও যাবেন, আই লিগের প্রথম মহারণ দেখতে।
No comments