বিজয়নের ভক্ত সুহেরের হ্যাটট্রিকে শুরু ইস্টবেঙ্গলের
শান্তনু ব্যানার্জি
ভক্ত তিনি আইএম বিজয়নের। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ছুঁয়ে ফেললেন অসীম মৌলিক, শ্যাম থাপা, বিকাশ নারজিনারিদের। অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করে। আর, ইস্টবেঙ্গলের ‘আটে আট’ অভিযান শুরু হল বৃষ্টিভেজা মাঠে ৪-১ জিতে।
কলকাতা ফুটবল লিগে(সিএফএল) শনিবার প্রথম ম্যাচে লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক পারফরম্যান্স কেরলের ভিপি সুহেরের। হ্যাটট্রিক সেরে নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন। ম্যাচের ২০, ৪৩ ও ৪৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক সুহেরের। নবাব ভট্টাচার্য তাঁকে কলকাতায় এনেছিলেন বছর দুই আগে। ইস্টবেঙ্গলেই এসেছিলেন গত বছর, কিন্তু ট্রেভর জেমস মর্গ্যানের তাঁকে পছন্দ হয়নি। এবার ফিরে এলেন এবং এসেই নায়ক।
‘ভাল তো লাগছেই। প্রথম ম্যাচে তিন গোল পেলে ভাল লাগাই স্বাভাবিক। তবে, এখনও অনেক দূর যেতে হবে। দলকে সাফল্য এনে দিতে চাই। আর চাই, জাতীয় দলের জার্সি পরতে,’ বলছিলেন সুহের।
নিউ ব্যারাকপুরের রেনবো এসি-র জালে চতুর্থবার বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন ব্র্যান্ডন। খালিদ জামিলের ইস্টবেঙ্গল বর্ষণসিক্ত মাঠে খারাপ খেলেনি, যদিও এক গোল খেয়ে ফেলে শেষ দিকে। তড়িৎ ঘোষের রেনবো অনুশীলন ম্যাচেই ড্র করেছিল ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। কিন্তু, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে লালহলুদ ব্রিগেড অপ্রতিরোধ্য।
[caption id="attachment_3946" align="alignleft" width="4128"]
বৃষ্টি থামতেই জ্বলে উঠল মশাল, লালহলুদ গ্যালারিতে[/caption]কেরলের ছেলে সুহের জানিয়েন, ‘বাড়িতে ছোট থেকেই ফুটবলের পরিবেশ পেয়েছি। দাদা এখন সি-লাইন্সেন্স কোচ হওয়ার প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত।’ অভিষেক ম্যাচে হ্যাটট্রিক প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ম্যাচের আগে কোচ খালিদ জামিল বলেছিলেন টেনশন মুক্ত হয়ে নামতে। আর নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে। মেনে চলেছি বলেই পুরস্কার পেলাম।’ মা-বাবা আর কোচকে উৎসর্গ করলেন এই সাফল্য।
লাল হলুদ কোচও খুশি দলের পারফরম্যান্সে। উইলিস প্লাজা গোল না পেলেও খালিদের কথায়, ‘প্লাজা ভালই মুভ করেছে। বেশ ভাল মানের ফুটবলার। একটু সময় দিতে হবে। আরও ভাল খেলবে।’ ভরা-মাঠ আরও বেশি হাসি এনে দিয়েছিল খালিদের মুখে, যিনি বৃষ্টিভেজা মাঠ নিয়েও বললেন যা বারবার বলে থাকেন, ‘আচ্ছা হ্যায়’!
No comments