অন্তত ৪ সপ্তাহ বাইরে মৃদুল, নতুন কোচের সন্ধানে ইস্টবেঙ্গল আবার
আবারও ভেসে উঠছে আরমান্দো কোলাসোর নাম
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
চব্বিশ ঘন্টাও যায়নি, নতুন কোচের সন্ধানে বেরিয়ে পড়তে হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে আবার!
মঙ্গলবার কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার সকালে এসেছিলেন প্রথমবার অনুশীলনে। এসেই চোট পেলেন। মাঠ থেকে সোজা তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। এমআরআই করানো হয়। ধরা পড়ে চিড়। অস্ত্রোপচার করাতে হবে।
ড. শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত জানালেন, ‘অন্তত চার থেকে ছ’সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতেই হবে মৃদুলকে। ফলে, ওর পক্ষে এখন মাঠে এসে কোচিং করানো সম্ভব নয়।’
মরসুমে বাকি আছে মাস দেড়েক। তার মধ্যে ন্যূনতম চার সপ্তাহ, মানে, এক মাসই যদি বাইরে থাকতে হয়, কোচিং করাবেন কী করে?
ফলে, ইস্টবেঙ্গলে শিরে সংক্রান্তি। আবার ভাবনায় নতুন কোচ।
কিন্তু, কে হতে পারেন?
ক্লাবসূত্রের খবর, আবারও নাকি আরমান্দো কোলাসোর নাম ভেসে উঠেছে কর্তাদের আলোচনায়।
ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য ও তুষার রক্ষিতকে নিয়ে গড়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গলের নতুন উপদেষ্টা কমিটি। তার মধ্যে মনোরঞ্জন এবং ভাস্কর দুজনেই স্বীকার করে নিয়েছেন, নতুন কোচ নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে তাঁদের আবার।
আই লিগে বাকি আছে দুটি ম্যাচ। তারপর ফেডারেশন কাপ। এই মরসুমে বাকি বলতে এটুকুই। ভাঙা মরসুম বললেও ঠিক হবে না, বিসর্জনের বাজনা বেজেই গিয়েছে প্রায়। ফেডারেশন কাপকে লক্ষ্য রেখেই এগোতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে এখন।
মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায় দৃশ্যতই হতাশ। চেয়েছিলেন, বড় দলের কোচ হয়ে স্বপ্ন সফল করতে। কিন্তু সন্তোষজয়ী কোচ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারলেন না। চোট পেয়ে ফুটবলারের জীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে, অনেকবারই শোনা গেলেও, কোচের জীবনে চোট যে এতটা বড় ভূমিকা নিয়ে নেবে, কেউই বোধহয় আশা করতে পারেননি।
‘কী আর করা যাবে! স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলাম, এই দলটা নিয়েই এগোব, ভাল কিছু করার চেষ্টা করব। কিন্তু, হল না,’ বললেন মৃদুল।
এ লাইসেন্স না থাকলে এখন এআইএফএফ-এর কোনও প্রতিযোগিতাতেই কেউ কোচিং করাতে পারবেন না। তাই মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের প্রশিক্ষণে প্রথম জাতীয় লিগ জিতলেও এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের কোচ হওয়া সম্ভব নয় মনোরঞ্জনের। কোলাসোর সঙ্গে আগে কথা এগিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে যদিও তা ভেস্তে যায়। এখন বিপাকে পড়ে আবারও হয়ত কোলাসোর সঙ্গেই কথা বলবেন লালহলুদ কর্তারা। উপায়ও তো নেই আর!
No comments