অবসর নয়, তবে নেতৃত্ব ছাড়লেন ধোনি, হঠাৎ
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
[caption id="attachment_2803" align="alignleft" width="244"]
বিশ্বকাপ হাতে ধোনি, একদিনের ক্রিকেটে তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় ট্রফিজয়। ছবি - ইন্টারনেট[/caption]
সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে নিয়েই কি একদিনের ক্রিকেটে এবং টি টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি?
ভারতের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে, ৯ বছরের বেশি কেউ থাকতে পারবেন না বোর্ডের কোনও পদে। একদিনের ক্রিকেটে ধোনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন ২০০৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। ৪ জানুয়ারি ২০১৭ মানে ৯ বছর তিন মাসের কিছু বেশি সময়। টি টোয়েন্টি-তে নেতৃত্ব দিতে শুরু করেছিলেন ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ থেকে। তাই হয়ত, দুটি ক্ষেত্রেই শীর্ষ পদে থাকলেন না এমএস, আর!
ভারতীয় বোর্ডের তরফে ইমেল করে জানানো হয়েছে, বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন ধোনি, আর নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী নন। আগামী ৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচের দল নির্বাচন। তার আগেই এই সিদ্ধান্ত। তবে, অবসর নিচ্ছেন না। অন্তত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসাবে তাঁকে নিয়ে আলোচনা হবে সভায়, জানিয়ে দিয়েছে বোর্ডের ইমেল।
ভবিষ্যতের অধিনায়ক কে, ভাবনার জায়গা অবশ্যই নেই। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজেও অধিনায়ক থাকবেন এখন কোহলি, নিশ্চিত।
একদিনের ক্রিকেটে মোট ১৯৯ ম্যাচে ভারতের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ধোনি। জিতেছিলেন ১১০ ম্যাচে, হার ৭৪। ৪টি ম্যাচ টাই, ১১ ম্যাচ ফলহীন। জয়ের শতাংশ ৫৫.২৭। তাঁর চেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন রিকি পন্টিং (২৩০) ও স্টিফেন ফ্লেমিং (২১৮)। আর একটি ম্যাচে টস করলে নেতা হিসাবেও ‘ডবল সেঞ্চুরি’ করে ফেলতেন। কিন্তু, নেতৃত্বে এসে কখনও যিনি ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নিয়ে তত মাথা ঘামাননি, শুধুই আরও একটি মাইলস্টোন-এ পৌঁছনোর জন্য আরও একটি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি।
অধিনায়ক হিসাবে তাঁর সাফল্য ঈর্ষণীয়। একমাত্র অধিনায়ক হিসাবে শীর্ষে থেকেছেন ক্রিকেটের চলতি তিনটি ফর্ম্যাটেই। দক্ষিণ আফ্রিকায় টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পেয়েই জিতিয়েছিলেন ভারতকে। একদিনের ক্রিকেটেও বিশ্বকাপ জয় ২০১১-য়, ঘরের মাঠে। আর, তাঁর নেতৃত্বেই টেস্ট ক্রিকেটে ১৮ মাস আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিল ভারত।
অধিনায়ক হিসাবে ওই ১৯৯ ম্যাচে ৫৩.৯২ গড়ে ৬৬৩৩ রান করেছিলেন ধোনি, ৬ শতরান ও ৪৭ অর্ধশতরানসহ। একদিনের ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ফিনিশার হিসাবে তুলে ধরেছিলেন নিজেকে। ধোনি বলতেই ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে ছয় মেরে বিশ্বকাপ-জেতানো ইনিংস মনে পড়বেই ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীর। উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসাবেও তাঁর ধারেকাছে নেই কেউ। ১৯৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ধোনি, তাঁর পর দ্বিতীয়স্থানে আছেন জিম্বাবোয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাত্র ৪৬ ম্যাচে!
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ৫ ম্যাচের সিরিজেই শেষবার নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন ৩-২। কিছু কথা উঠেছিল, বিশেষত ব্যাটহাতে তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে। তা-ই হয়ত নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। যদিও ধোনি এমন সিদ্ধান্ত হঠাৎ নিতেই অভ্যস্ত। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন তিন ধরনের ক্রিকেটে ভারতের অধিনায়ক হয়ে। সিরিজের মাঝপথেই অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন টেস্টের আসর থেকে। এবার অন্তত সিরিজ শুরুর আগেই জানিয়ে দিলেন, নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা।
[caption id="attachment_2803" align="alignleft" width="244"]
সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে নিয়েই কি একদিনের ক্রিকেটে এবং টি টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি?
ভারতের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে, ৯ বছরের বেশি কেউ থাকতে পারবেন না বোর্ডের কোনও পদে। একদিনের ক্রিকেটে ধোনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন ২০০৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। ৪ জানুয়ারি ২০১৭ মানে ৯ বছর তিন মাসের কিছু বেশি সময়। টি টোয়েন্টি-তে নেতৃত্ব দিতে শুরু করেছিলেন ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ থেকে। তাই হয়ত, দুটি ক্ষেত্রেই শীর্ষ পদে থাকলেন না এমএস, আর!
ভারতীয় বোর্ডের তরফে ইমেল করে জানানো হয়েছে, বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন ধোনি, আর নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী নন। আগামী ৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচের দল নির্বাচন। তার আগেই এই সিদ্ধান্ত। তবে, অবসর নিচ্ছেন না। অন্তত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসাবে তাঁকে নিয়ে আলোচনা হবে সভায়, জানিয়ে দিয়েছে বোর্ডের ইমেল।
ভবিষ্যতের অধিনায়ক কে, ভাবনার জায়গা অবশ্যই নেই। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজেও অধিনায়ক থাকবেন এখন কোহলি, নিশ্চিত।
একদিনের ক্রিকেটে মোট ১৯৯ ম্যাচে ভারতের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ধোনি। জিতেছিলেন ১১০ ম্যাচে, হার ৭৪। ৪টি ম্যাচ টাই, ১১ ম্যাচ ফলহীন। জয়ের শতাংশ ৫৫.২৭। তাঁর চেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন রিকি পন্টিং (২৩০) ও স্টিফেন ফ্লেমিং (২১৮)। আর একটি ম্যাচে টস করলে নেতা হিসাবেও ‘ডবল সেঞ্চুরি’ করে ফেলতেন। কিন্তু, নেতৃত্বে এসে কখনও যিনি ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নিয়ে তত মাথা ঘামাননি, শুধুই আরও একটি মাইলস্টোন-এ পৌঁছনোর জন্য আরও একটি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি।
অধিনায়ক হিসাবে তাঁর সাফল্য ঈর্ষণীয়। একমাত্র অধিনায়ক হিসাবে শীর্ষে থেকেছেন ক্রিকেটের চলতি তিনটি ফর্ম্যাটেই। দক্ষিণ আফ্রিকায় টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পেয়েই জিতিয়েছিলেন ভারতকে। একদিনের ক্রিকেটেও বিশ্বকাপ জয় ২০১১-য়, ঘরের মাঠে। আর, তাঁর নেতৃত্বেই টেস্ট ক্রিকেটে ১৮ মাস আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিল ভারত।
অধিনায়ক হিসাবে ওই ১৯৯ ম্যাচে ৫৩.৯২ গড়ে ৬৬৩৩ রান করেছিলেন ধোনি, ৬ শতরান ও ৪৭ অর্ধশতরানসহ। একদিনের ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ফিনিশার হিসাবে তুলে ধরেছিলেন নিজেকে। ধোনি বলতেই ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে ছয় মেরে বিশ্বকাপ-জেতানো ইনিংস মনে পড়বেই ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীর। উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসাবেও তাঁর ধারেকাছে নেই কেউ। ১৯৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ধোনি, তাঁর পর দ্বিতীয়স্থানে আছেন জিম্বাবোয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাত্র ৪৬ ম্যাচে!
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ৫ ম্যাচের সিরিজেই শেষবার নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন ৩-২। কিছু কথা উঠেছিল, বিশেষত ব্যাটহাতে তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে। তা-ই হয়ত নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। যদিও ধোনি এমন সিদ্ধান্ত হঠাৎ নিতেই অভ্যস্ত। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন তিন ধরনের ক্রিকেটে ভারতের অধিনায়ক হয়ে। সিরিজের মাঝপথেই অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন টেস্টের আসর থেকে। এবার অন্তত সিরিজ শুরুর আগেই জানিয়ে দিলেন, নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা।
No comments