বিপক্ষে বিদেশি না-থাকাটাই বিপজ্জনক মনে করছেন সঞ্জয়
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

ঘরের মাঠ বদলাতে হয়েছে আদালতের নির্দেশে। খেলার ধরন বদলানোর প্রশ্নই নেই। যেমন, বদল নেই সঞ্জয় সেনের আত্মবিশ্বাসেও।
এবার তৃতীয় মরসুম তাঁর, মোহনবাগান কোচের চেয়ারে, আই লিগে। প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন, দ্বিতীয়বার রানার্স। তৃতীয় অভিযান শুরু রবিবার। বিপক্ষে চার্চিল ব্রাদার্স, যাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে আই লিগে। গোয়ার একমাত্র প্রতিনিধি দলের বিরুদ্ধে বারাসতে রবিবার এই মরসুমের আই লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে মোহনবাগান।
চার্চিল ব্রাদার্সে একজনও বিদেশি ফুটবলার নেই। অন্য কোনও কোচ হলে ভাবতেও পারতেন, এই কারণেই হয়ত মোহনবাগান এগিয়ে থাকবে। কিন্তু, সঞ্জয় ভাবছেন অন্যরকম। ‘বিপক্ষে বিদেশি নেই, আত্মতুষ্টি কাজ করতে পারে আমাদের ফুটবলারদের মনে যা বিপজ্জনক।’ তাঁর লড়াই এখন এই মানসিক আত্মতুষ্টি থেকে দলের ফুটবলারদের মনোযোগ সরিয়ে ফোকাস ধরে-রাখা তিন পয়েন্টের দিকে।
শেষ মুহূর্তে মাঠ নিয়েও ভাবতে হচ্ছে বিস্তর। ঠিক ছিল, রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে খেলবে মোহনবাগান, ঘরের ম্যাচগুলো। কিন্তু, মামলা উঠেছিল আদালতে। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই মুহূর্তে রবীন্দ্র সরোবর মাঠে খেলার সম্ভাবনা নেই। ফলে, শেষ মুহূর্তে ছুটতে হয়েছে বারাসতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে। তবে, সঞ্জয়ের ভাবনায় মাঠ নিয়ে চিন্তাও নেই। এভাবেই তো খেলতে অভ্যস্ত তাঁরা।
সঞ্জয়ের পরিকল্পনায় ৪-৩-১-১। ওপরে ডাফি, পেছনে কাতসুমি। যদিও খোলসা করে কিছুই বলতে রাজি নন, মিডিয়ার কাছে। স্বীকার করেছেন, ‘প্রত্যাশার চাপ থাকে। থাকবেই, স্বাভাবিক। তা নিয়েই খেলতে হবে।’ সত্যিই তো, মোহনবাগান খেলবে, সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকবে না, এ-ও আবার হয় নাকি?
তাঁর দলের অনেকেই আইএসএল-এ খেলেছেন। আবার বিপক্ষ দলে কেউই খেলেননি। সুবিধা না অসুবিধা? বেশি ক্লান্ত থাকবেন কি তাঁর ফুটবলাররা? সঞ্জয়ের জবাব, ‘অনেকে খেলেছে, ঠিক। কে কতটা ক্লান্ত মাঠে নামার পর বোঝা যাবে।’
সোনি নর্দে কবে আসবেন? এখনও নিশ্চিত নন ক্লাবকর্তারাই। তবে, সোনি আসার আগেও আত্মবিশ্বাসে খামতি নেই বাগান শিবিরে। ভাবাচ্ছে কিছু ফুটবলারের চোটও। ফুটবলে চোট আছে, থাকবেও। তবুও কাউকে কাউকে কখনও কখনও খেলাতে হয়, হবে। গোটা বিশ্বেই এমন নিয়ম প্রচলিত। সঞ্জয়ও মেনে নিয়েছেন, কখনও কখনও হতেই পারে এমন। মরসুমের প্রথম ম্যাচ। ঝুঁকির রাস্তায় যেতে চাইছেন না। কিন্তু, লক্ষ্য থেকে নজরও সরাচ্ছেন না।
প্রথম ম্যাচেই পয়েন্ট হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সঞ্জয়ের মোহনবাগান কিন্তু তিন পয়েন্ট-এর লক্ষ্য থেকে দৃষ্টি সরাতে নারাজ!
ঘরের মাঠ বদলাতে হয়েছে আদালতের নির্দেশে। খেলার ধরন বদলানোর প্রশ্নই নেই। যেমন, বদল নেই সঞ্জয় সেনের আত্মবিশ্বাসেও।
এবার তৃতীয় মরসুম তাঁর, মোহনবাগান কোচের চেয়ারে, আই লিগে। প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন, দ্বিতীয়বার রানার্স। তৃতীয় অভিযান শুরু রবিবার। বিপক্ষে চার্চিল ব্রাদার্স, যাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে আই লিগে। গোয়ার একমাত্র প্রতিনিধি দলের বিরুদ্ধে বারাসতে রবিবার এই মরসুমের আই লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে মোহনবাগান।
চার্চিল ব্রাদার্সে একজনও বিদেশি ফুটবলার নেই। অন্য কোনও কোচ হলে ভাবতেও পারতেন, এই কারণেই হয়ত মোহনবাগান এগিয়ে থাকবে। কিন্তু, সঞ্জয় ভাবছেন অন্যরকম। ‘বিপক্ষে বিদেশি নেই, আত্মতুষ্টি কাজ করতে পারে আমাদের ফুটবলারদের মনে যা বিপজ্জনক।’ তাঁর লড়াই এখন এই মানসিক আত্মতুষ্টি থেকে দলের ফুটবলারদের মনোযোগ সরিয়ে ফোকাস ধরে-রাখা তিন পয়েন্টের দিকে।
শেষ মুহূর্তে মাঠ নিয়েও ভাবতে হচ্ছে বিস্তর। ঠিক ছিল, রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে খেলবে মোহনবাগান, ঘরের ম্যাচগুলো। কিন্তু, মামলা উঠেছিল আদালতে। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই মুহূর্তে রবীন্দ্র সরোবর মাঠে খেলার সম্ভাবনা নেই। ফলে, শেষ মুহূর্তে ছুটতে হয়েছে বারাসতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে। তবে, সঞ্জয়ের ভাবনায় মাঠ নিয়ে চিন্তাও নেই। এভাবেই তো খেলতে অভ্যস্ত তাঁরা।
সঞ্জয়ের পরিকল্পনায় ৪-৩-১-১। ওপরে ডাফি, পেছনে কাতসুমি। যদিও খোলসা করে কিছুই বলতে রাজি নন, মিডিয়ার কাছে। স্বীকার করেছেন, ‘প্রত্যাশার চাপ থাকে। থাকবেই, স্বাভাবিক। তা নিয়েই খেলতে হবে।’ সত্যিই তো, মোহনবাগান খেলবে, সমর্থকদের প্রত্যাশা থাকবে না, এ-ও আবার হয় নাকি?
তাঁর দলের অনেকেই আইএসএল-এ খেলেছেন। আবার বিপক্ষ দলে কেউই খেলেননি। সুবিধা না অসুবিধা? বেশি ক্লান্ত থাকবেন কি তাঁর ফুটবলাররা? সঞ্জয়ের জবাব, ‘অনেকে খেলেছে, ঠিক। কে কতটা ক্লান্ত মাঠে নামার পর বোঝা যাবে।’
সোনি নর্দে কবে আসবেন? এখনও নিশ্চিত নন ক্লাবকর্তারাই। তবে, সোনি আসার আগেও আত্মবিশ্বাসে খামতি নেই বাগান শিবিরে। ভাবাচ্ছে কিছু ফুটবলারের চোটও। ফুটবলে চোট আছে, থাকবেও। তবুও কাউকে কাউকে কখনও কখনও খেলাতে হয়, হবে। গোটা বিশ্বেই এমন নিয়ম প্রচলিত। সঞ্জয়ও মেনে নিয়েছেন, কখনও কখনও হতেই পারে এমন। মরসুমের প্রথম ম্যাচ। ঝুঁকির রাস্তায় যেতে চাইছেন না। কিন্তু, লক্ষ্য থেকে নজরও সরাচ্ছেন না।
প্রথম ম্যাচেই পয়েন্ট হারিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সঞ্জয়ের মোহনবাগান কিন্তু তিন পয়েন্ট-এর লক্ষ্য থেকে দৃষ্টি সরাতে নারাজ!
No comments