দুই বিদেশির গোলে ৩ পয়েন্ট ইস্টবেঙ্গলের
শিবাজিয়ান্স – ১ ইস্টবেঙ্গল - ২
(গৌরমাঙ্গি ৬৪) (ওয়েডসন পেনাল্টি ১৩, প্লাজা ৮০)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
[caption id="attachment_2845" align="alignleft" width="300"]
দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম জয় পেল ইস্টবেঙ্গল। ২০১৭ আই লিগে, পুনে-তে ডিএসকে শিবাজিয়ান্স-এর বিরুদ্ধে।
ঘরের মাঠ বারাসতে প্রথম ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও শেষ দিকে গোল শোধ করে এক পয়েন্ট নিয়ে বাইরের মাঠে খেলতে গিয়েছিল ট্রেভর জেমস মর্গ্যানের ইস্টবেঙ্গল। শিবাজিয়ান্সের বিরুদ্ধে কোচ শুরু থেকেই প্লাজা আর বুকেনিয়াকে রেখেছিলেন মাঠে। প্রথম ম্যাচে দুজনেই মাঠে এসেছিলেন পরিবর্ত হিসাবে আর দলকে এক পয়েন্ট এনে দিয়েছিলেন বুকেনিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে বাকি দুই বিদেশি এগিয়ে এলেন দলকে জেতাতে।
প্রথম গোল পেনাল্টি থেকে, ১৩ মিনিটে। বক্সের মধ্যে সোরম পোইরেই ফাউল করেছিলেন ওয়েডসনকে। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানাতে দ্বিধা করেননি। ওয়েডসনই এগিয়ে যান। হাইতির ফরোয়ার্ড ভুল করেননি দলকে এগিয়ে দিতে। প্রথম ম্যাচে গোল পাননি সোনি নর্দের সতীর্থ। দ্বিতীয় ম্যাচে কিন্তু গোলের পরও থামেননি। পরপর দুবার তাঁর জোরালো শট থেকে গোল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দুবরই বাঁচিয়ে দেন শিবাজিয়ান্সের গোলরক্ষক, সুব্রত পাল না-খেলায় যিনি তিনকাঠির তলায় ছিলেন শিবাজিয়ান্সের।
আক্রমণে প্রাধান্য ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। তবে, শিবাজিয়ান্স ফিরে আসে কোয়েরোর দুর্দান্ত ফ্রি কিক থেকে। কোলুনজিয়া শট নিয়েছিলেন বক্সের মধ্যে থেকে, সেই ফ্রি কিক থেকে বল পেয়ে। ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক রেহনেশ সেই শট বাঁচিয়ে দিলেও অভিজ্ঞ গৌরমাঙ্গি সিং ঠিক সময় পৌঁছে গিয়েছিলেন ফিরতি বল গোলে ঠেলে দিতে।
মর্গ্যান সময় নেননি। সঙ্গে সঙ্গেই মাঠ এনেছিলেন রবিন সিংকে। এবং মাঠে নেমে রবিন গোলও করে ফেলেছিলেন। কিন্তু রেফারি সেই গোল বাতিল করে দেন, গোল করার পথে নির্মল ছেত্রীকে রবিন অবৈধভাবে আটকেছিলেন বলে। যখন মনে হচ্ছিল, আবারও বোধহয় লালহলুদ ড্র করতে চলেছে, ত্রিনিদাদের প্লাজা রক্ষাকর্তা হলেন। বক্সের মাথায় বল পেয়ে নিখুঁত ও জোরালো শটে পোইরেই-কে পরাস্ত করেন প্লাজা। এনে দেন গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট।
দুই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট এখন চার। বেঙ্গালুরু এফসি নিজেদের মাঠে চেন্নাই-কে হারিয়ে তুলে নিল দ্বিতীয় জয়। ৬ পয়েন্ট ও গোল-পার্থক্যে এগিয়ে থাকায় দ্বিতীয় ম্যাচের পর মোহনবাগানকে দ্বিতীয় স্থানে রেখে শীর্ষে বেঙ্গালুরু।
No comments