ঘরের মাঠে রেকর্ড এগিয়ে রাখছে কেরলকে
আইএসএল মিডিয়া রিলিজ
[caption id="attachment_2731" align="alignleft" width="300"]
দিল্লি ডায়নামোস ফুটবলাররা, অনুশীলনে। ছবি - আইএসএল[/caption]
কেরালা ব্লাস্টার্সের কোচ স্টিভ কোপেল তাঁর দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন, বলে যে, তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে এখনও পর্যন্ত তাঁরা যা যা করেছেন তার কোনও মূল্যই নেই রবিবার সেমিফাইনালে ঘরের মাঠে দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে।
কোচিতে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে কেরল জিতেছে টানা পাঁচটি ম্যাচ। গ্যালারির দুর্দান্ত সমর্থনও সঙ্গী থাকে তাদের। কিন্তু কোপেল খুব ভাল করেই জানেন, নতুন করে শুরু করতে হবে প্লে অফ পর্যায়ে।
‘যা হয়ে গিয়েছে, অতীত। ভবিষ্যতেও একই রকম হবে, নিশ্চয়তা নেই। আমরা ম্যাচগুলো জিতেছিলাম কারণ প্রচুর পরিশ্রম করেছিল সবাই। গোলগুলোও পেয়েছিলাম ঠিক সময়। কিন্তু, অতীতে পেয়েছিলাম বলেই ভবিষ্যতেও পাব, নিশ্চয়তা নেই কিন্তু,’ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন কোপেল।
তথ্য যা বলছে, কেরালা ব্লাস্টার্স কখনও দিল্লি ডায়নামোসকে ঘরের মাঠে হারাতে পারেনি। ২০১৪ সাল থেকে তিনবার খেলেছে। কেরল হেরেছিল একবার, বাকি দুবার ড্র। এবারও অমীমাংসিতই ছিল গ্রুপ লিগের খেলা।
‘নিজেদের এখন নতুন করে প্রমাণ করতে হবে। এবার প্রতিযোগিতা অন্যরকম। আর গ্রুপ পর্যায় নেই। এখন কাপের ব্যাপার। সেইমতো নিজেদের মানিয়েও নিতে হবে। প্রথম ম্যাচে যা-ই হোক না কেন, খেলা কিন্তু শেষ হচ্ছে না। আমাদের ভাবনাগুলো একটু পাল্টে নিলেই হবে,’ মনে করছেন কোপেল।
শেষ পাঁচটা ম্যাচই ঘরের মাঠে জিতলেও কেরলের সমস্যা আসলে গোল-খরা। ১৪ ম্যাচে মাত্র ১৩ গোল করেছে তারা। সবচেয়ে কম গোল দেওয়ার তালিকায় তারা যুগ্মভাবে সবার ওপরে, এফসি পুনে সিটির সঙ্গে। তবে, এ-ও ঠিক যে, উন্নতি করছে ক্রমশ। প্রথম ৮ ম্যাচে মাত্র ৪ গোল করেছিল। শেষ ৬ ম্যাচে ৯ গোল দিয়ে অবস্থার খানিক উন্নতি হয়েছে। তার মধ্যে আবার একা সিকে বিনীতই করেছিলেন ৫ গোল, বেঙ্গালুরু এফসি-র হয়ে এএফসি ফাইনাল খেলে ফিরে এসে।
এবারের আইএসএল-এ সেরা দলগুলোর একটি দিল্লি ডায়নামোস। কোচ জিয়ানলুকা জামব্রোতা বিপক্ষের কাজটা আরও কঠিন করে দিতেই ভালবাসেন। বাইরের মাঠে সাত ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে কোনও গোল খায়নি দিল্লি। একমাত্র মুম্বই সিটিই এ-ব্যাপারে দিল্লির চেয়ে এগিয়ে ছিল, চারটি ম্যাচে গোল না-খেয়ে।
‘কেরালার বিরুদ্ধে যখনই খেলেছি, দেখেছি ব্যাপারটা বেশ কঠিন। প্রধান কারণ, ঘরের মাঠে ওদের সমর্থকদের সমর্থন। দল হিসাবে আমরা অবশ্য সেরা খেলাটাই খেলব। ঠিক যেভাবে খেলে এসেছি এতদিন, কেরলের বিরুদ্ধেও সেভাবেই ভাল খেলার চেষ্টা করব,’ বলেছেন জামব্রোতা।
দিল্লি ডায়নামোস নিজেদের মাঠে খেলবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্ব। যে-কারণে জামব্রোতা মনে করছেন, সুবিধা হবে তাঁদের, নিজেদের দর্শকদের সামনে কাঙ্ক্ষিত ফলে পৌঁছতে।
‘হ্যাঁ, দ্বিতীয় লেগ নিজেদের মাঠে খেলা নিশ্চিতভাবেই সুবিধাজনক। নিজেদের দর্শকদের সামনে খেলার মানসিক সুবিধাটুকু তো পাওয়া যাবে,’ বলেছেন জামব্রোতা।
কেরল, দিল্লি – কোনও দলেই অবশ্য চোট সমস্যার কারণে অনুপস্থিত থাকবেন না কেউ, সেমিফাইনালকে আরও উত্তেজক করে তুলতেও যা সুবিধাজনক।
[caption id="attachment_2731" align="alignleft" width="300"]
কেরালা ব্লাস্টার্সের কোচ স্টিভ কোপেল তাঁর দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন, বলে যে, তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে এখনও পর্যন্ত তাঁরা যা যা করেছেন তার কোনও মূল্যই নেই রবিবার সেমিফাইনালে ঘরের মাঠে দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে।
কোচিতে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে কেরল জিতেছে টানা পাঁচটি ম্যাচ। গ্যালারির দুর্দান্ত সমর্থনও সঙ্গী থাকে তাদের। কিন্তু কোপেল খুব ভাল করেই জানেন, নতুন করে শুরু করতে হবে প্লে অফ পর্যায়ে।
‘যা হয়ে গিয়েছে, অতীত। ভবিষ্যতেও একই রকম হবে, নিশ্চয়তা নেই। আমরা ম্যাচগুলো জিতেছিলাম কারণ প্রচুর পরিশ্রম করেছিল সবাই। গোলগুলোও পেয়েছিলাম ঠিক সময়। কিন্তু, অতীতে পেয়েছিলাম বলেই ভবিষ্যতেও পাব, নিশ্চয়তা নেই কিন্তু,’ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন কোপেল।
তথ্য যা বলছে, কেরালা ব্লাস্টার্স কখনও দিল্লি ডায়নামোসকে ঘরের মাঠে হারাতে পারেনি। ২০১৪ সাল থেকে তিনবার খেলেছে। কেরল হেরেছিল একবার, বাকি দুবার ড্র। এবারও অমীমাংসিতই ছিল গ্রুপ লিগের খেলা।
‘নিজেদের এখন নতুন করে প্রমাণ করতে হবে। এবার প্রতিযোগিতা অন্যরকম। আর গ্রুপ পর্যায় নেই। এখন কাপের ব্যাপার। সেইমতো নিজেদের মানিয়েও নিতে হবে। প্রথম ম্যাচে যা-ই হোক না কেন, খেলা কিন্তু শেষ হচ্ছে না। আমাদের ভাবনাগুলো একটু পাল্টে নিলেই হবে,’ মনে করছেন কোপেল।
শেষ পাঁচটা ম্যাচই ঘরের মাঠে জিতলেও কেরলের সমস্যা আসলে গোল-খরা। ১৪ ম্যাচে মাত্র ১৩ গোল করেছে তারা। সবচেয়ে কম গোল দেওয়ার তালিকায় তারা যুগ্মভাবে সবার ওপরে, এফসি পুনে সিটির সঙ্গে। তবে, এ-ও ঠিক যে, উন্নতি করছে ক্রমশ। প্রথম ৮ ম্যাচে মাত্র ৪ গোল করেছিল। শেষ ৬ ম্যাচে ৯ গোল দিয়ে অবস্থার খানিক উন্নতি হয়েছে। তার মধ্যে আবার একা সিকে বিনীতই করেছিলেন ৫ গোল, বেঙ্গালুরু এফসি-র হয়ে এএফসি ফাইনাল খেলে ফিরে এসে।
এবারের আইএসএল-এ সেরা দলগুলোর একটি দিল্লি ডায়নামোস। কোচ জিয়ানলুকা জামব্রোতা বিপক্ষের কাজটা আরও কঠিন করে দিতেই ভালবাসেন। বাইরের মাঠে সাত ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে কোনও গোল খায়নি দিল্লি। একমাত্র মুম্বই সিটিই এ-ব্যাপারে দিল্লির চেয়ে এগিয়ে ছিল, চারটি ম্যাচে গোল না-খেয়ে।
‘কেরালার বিরুদ্ধে যখনই খেলেছি, দেখেছি ব্যাপারটা বেশ কঠিন। প্রধান কারণ, ঘরের মাঠে ওদের সমর্থকদের সমর্থন। দল হিসাবে আমরা অবশ্য সেরা খেলাটাই খেলব। ঠিক যেভাবে খেলে এসেছি এতদিন, কেরলের বিরুদ্ধেও সেভাবেই ভাল খেলার চেষ্টা করব,’ বলেছেন জামব্রোতা।
দিল্লি ডায়নামোস নিজেদের মাঠে খেলবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্ব। যে-কারণে জামব্রোতা মনে করছেন, সুবিধা হবে তাঁদের, নিজেদের দর্শকদের সামনে কাঙ্ক্ষিত ফলে পৌঁছতে।
‘হ্যাঁ, দ্বিতীয় লেগ নিজেদের মাঠে খেলা নিশ্চিতভাবেই সুবিধাজনক। নিজেদের দর্শকদের সামনে খেলার মানসিক সুবিধাটুকু তো পাওয়া যাবে,’ বলেছেন জামব্রোতা।
কেরল, দিল্লি – কোনও দলেই অবশ্য চোট সমস্যার কারণে অনুপস্থিত থাকবেন না কেউ, সেমিফাইনালকে আরও উত্তেজক করে তুলতেও যা সুবিধাজনক।
No comments