দুই চ্যাম্পিয়নের যুদ্ধে সেমিফাইনালের লড়াই আরও উত্তেজক এখন
আইএসএল মিডিয়া রিলিজ
[caption id="attachment_2571" align="alignleft" width="300"]
অনুশীলনে আতলেতিকো দে কলকাতার ফুটবলাররা। ছবি - আইএসএল[/caption]
আতলেতিকো দে কলকাতার কোচ হোসে মোলিনা অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী যে তাঁর দল তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়াল সুপার লিগে সেমিফাইনালে পৌঁছবেই, কিন্তু একই সঙ্গে ওয়াকিবহালও আছেন যে, ‘যা খুশি হতে পারে’!
আইএসএল-এ প্রথমবারের চ্যাম্পিয়নরা এখন ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে। রবিবার তাদের সামনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িন এফসি, চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। আতলেতিকো দে কলকাতা এখনও চেন্নাইয়ের কাছে লিগের কোনও ম্যাচে হারেনি। একবারই হেরেছে, গতবার সেমিফাইনালে। কিন্তু অতীত রেকর্ডই যে শুধু মোলিনাকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে তা-ও নয়।
‘চেন্নাই আর আমরাই যে শুধু প্রথম চারে থাকার জন্য লড়ছি, এমন তো নয়! প্রতিটা দলই খুব কাছাকাছি। শুক্রবারের ফল দেখুন, দিল্লিকে পুনে হারিয়েছে ৪-৩। এরপর সব দল আরও কাছাকাছি এসে পড়ল। মাত্র চারটি করে ম্যাচ বাকি আছে এখন। যা খুশি ঘটতেই পারে। কোনও দলই বলতে পারছে না, সেমিফাইনালে পৌঁছেই গিয়েছে বা যাবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু লড়তে হবে এখনও,’ বলেছেন মোলিনা, ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে।
তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে অতীতের রেকর্ডই তাঁর আত্মবিশ্বাসের উৎস কিনা, যে কারণে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধেও তিনি ইতিবাচক ফলের আশা করতে পারছেন? মোলিনা তখন অতীতের পরিবর্তে আঙুল তুলেছেন বর্তমান পরিস্থিতির দিকে।
‘আমি তো বটেই, গোটা দলই আত্মবিশ্বাসী, আমাদের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর সম্ভাবনা নিয়ে। দলের ওপর আস্থা রয়েছে। আমার ফুটবলারদের ওপর, যেভাবে আমরা খেলছি, তাতেও,’ বলেছেন মোলিনা।
গতবারের চ্যাম্পিয়নরাও শেষ ম্যাচে পুনে সিটি এফসি-কে হারিয়ে ফিরে এসেছেন সেমিফাইনালের লড়াইয়ে। মাতেরাজ্জিদের শিবির আত্মবিশ্বাসী, তাঁরা পারবেন। টানা পাঁচটা ম্যাচ জেতেনি চেন্নাই, পুনে ম্যাচের আগে। আইএসএল-এর ইতিহাসে যা তাদের সবচেয়ে খারাপ রেকর্ড। কিন্তু পুনে ম্যাচে জয় আবার ফিরিয়ে এনেছে আত্মবিশ্বাস, আশা।
‘খুবই জরুরি ছিল ওই জয়টা,’ বলেছেন মাতেরাজ্জি। আর বিশেষ কিছু না বললেও যা থেকে বুঝে নেওয়া সম্ভব, পুনে ম্যাচের তিনটি পয়েন্টের দিকে কীভাবে চেয়েছিলেন তাঁরা সবাই।
ঘরের মাঠে শেষ চারটি ম্যাচে হারেনি চেন্নাই। দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ১-৩ হেরে শুরু করেছিল, কিন্তু পরের চারটি ম্যাচে আর মাত্র একটিই গোল খেয়েছে। অর্জিত মোট ১৩ পয়েন্টের মধ্যে ৮ পয়েন্ট পেয়েছে ঘরের মাঠেই। নিজেদের মাঠে শুধু দিল্লি (১০) আর কেরালা ব্লাস্টার্সই (১০) বেশি পয়েন্ট পেয়েছে তাদের তুলনায়, এই মরশুমে।
মাতেরাজ্জিদের উৎসাহ বাড়ানোর আরও তথ্য, ঘরের মাঠে তিনটি ম্যাচে একটিও গোল খায়নি তাঁরা। এই পরিসংখ্যানে চেন্নাইয়িন এফসি-ই আপাতত সেরা। তাদের রক্ষণ সত্যিই দুর্ভেদ্য থেকেছে নিজেদের মাঠে - ৫ ম্যাচে গোল খেয়েছে মাত্র চারটি।
তবে, আতলেতিকোর বিরুদ্ধে চাপে থাকবে চেন্নাইয়ের রক্ষণও, কারণ তাঁদের আটকাতে হবে কানাডার ইয়াইন হিউমকে, আইএসএল-এর তিন বছরের ইতিহাসে যিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা। এই মরশুমটাও হিউম শুরু করেছিলেন ধীরগতিতে। প্রথম তিনটি গোল তো পেনাল্টি থেকেই পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৫-র মতো এবারও প্রতিযোগিতার দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে এসেছেন গোল করার পরিচিত ছন্দে। শেষ তিনটি ম্যাচেই কিন্তু গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছেন হিউম।
[caption id="attachment_2571" align="alignleft" width="300"]
আতলেতিকো দে কলকাতার কোচ হোসে মোলিনা অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী যে তাঁর দল তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়াল সুপার লিগে সেমিফাইনালে পৌঁছবেই, কিন্তু একই সঙ্গে ওয়াকিবহালও আছেন যে, ‘যা খুশি হতে পারে’!
আইএসএল-এ প্রথমবারের চ্যাম্পিয়নরা এখন ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে। রবিবার তাদের সামনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িন এফসি, চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। আতলেতিকো দে কলকাতা এখনও চেন্নাইয়ের কাছে লিগের কোনও ম্যাচে হারেনি। একবারই হেরেছে, গতবার সেমিফাইনালে। কিন্তু অতীত রেকর্ডই যে শুধু মোলিনাকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে তা-ও নয়।
‘চেন্নাই আর আমরাই যে শুধু প্রথম চারে থাকার জন্য লড়ছি, এমন তো নয়! প্রতিটা দলই খুব কাছাকাছি। শুক্রবারের ফল দেখুন, দিল্লিকে পুনে হারিয়েছে ৪-৩। এরপর সব দল আরও কাছাকাছি এসে পড়ল। মাত্র চারটি করে ম্যাচ বাকি আছে এখন। যা খুশি ঘটতেই পারে। কোনও দলই বলতে পারছে না, সেমিফাইনালে পৌঁছেই গিয়েছে বা যাবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু লড়তে হবে এখনও,’ বলেছেন মোলিনা, ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে।
তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে অতীতের রেকর্ডই তাঁর আত্মবিশ্বাসের উৎস কিনা, যে কারণে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধেও তিনি ইতিবাচক ফলের আশা করতে পারছেন? মোলিনা তখন অতীতের পরিবর্তে আঙুল তুলেছেন বর্তমান পরিস্থিতির দিকে।
‘আমি তো বটেই, গোটা দলই আত্মবিশ্বাসী, আমাদের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর সম্ভাবনা নিয়ে। দলের ওপর আস্থা রয়েছে। আমার ফুটবলারদের ওপর, যেভাবে আমরা খেলছি, তাতেও,’ বলেছেন মোলিনা।
গতবারের চ্যাম্পিয়নরাও শেষ ম্যাচে পুনে সিটি এফসি-কে হারিয়ে ফিরে এসেছেন সেমিফাইনালের লড়াইয়ে। মাতেরাজ্জিদের শিবির আত্মবিশ্বাসী, তাঁরা পারবেন। টানা পাঁচটা ম্যাচ জেতেনি চেন্নাই, পুনে ম্যাচের আগে। আইএসএল-এর ইতিহাসে যা তাদের সবচেয়ে খারাপ রেকর্ড। কিন্তু পুনে ম্যাচে জয় আবার ফিরিয়ে এনেছে আত্মবিশ্বাস, আশা।
‘খুবই জরুরি ছিল ওই জয়টা,’ বলেছেন মাতেরাজ্জি। আর বিশেষ কিছু না বললেও যা থেকে বুঝে নেওয়া সম্ভব, পুনে ম্যাচের তিনটি পয়েন্টের দিকে কীভাবে চেয়েছিলেন তাঁরা সবাই।
ঘরের মাঠে শেষ চারটি ম্যাচে হারেনি চেন্নাই। দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ১-৩ হেরে শুরু করেছিল, কিন্তু পরের চারটি ম্যাচে আর মাত্র একটিই গোল খেয়েছে। অর্জিত মোট ১৩ পয়েন্টের মধ্যে ৮ পয়েন্ট পেয়েছে ঘরের মাঠেই। নিজেদের মাঠে শুধু দিল্লি (১০) আর কেরালা ব্লাস্টার্সই (১০) বেশি পয়েন্ট পেয়েছে তাদের তুলনায়, এই মরশুমে।
মাতেরাজ্জিদের উৎসাহ বাড়ানোর আরও তথ্য, ঘরের মাঠে তিনটি ম্যাচে একটিও গোল খায়নি তাঁরা। এই পরিসংখ্যানে চেন্নাইয়িন এফসি-ই আপাতত সেরা। তাদের রক্ষণ সত্যিই দুর্ভেদ্য থেকেছে নিজেদের মাঠে - ৫ ম্যাচে গোল খেয়েছে মাত্র চারটি।
তবে, আতলেতিকোর বিরুদ্ধে চাপে থাকবে চেন্নাইয়ের রক্ষণও, কারণ তাঁদের আটকাতে হবে কানাডার ইয়াইন হিউমকে, আইএসএল-এর তিন বছরের ইতিহাসে যিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা। এই মরশুমটাও হিউম শুরু করেছিলেন ধীরগতিতে। প্রথম তিনটি গোল তো পেনাল্টি থেকেই পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৫-র মতো এবারও প্রতিযোগিতার দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে এসেছেন গোল করার পরিচিত ছন্দে। শেষ তিনটি ম্যাচেই কিন্তু গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছেন হিউম।
No comments