নেইমার আগুনে ঝলসে গেল রদরিগেসের কলম্বিয়া
[caption id="attachment_1618" align="alignleft" width="300"]
গোলের আনন্দে নেইমার। ছবি— টুইটার[/caption]
ব্রাজিল-২ : কলম্বিয়া-১
(মিরান্দা ২’, নেইমার ৭৪’) (মারকুইনিওস-আত্মঘাতী ৩৬’)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
স্বপ্নের ছন্দে নেইমার। নাকি বলা উচিত, গোলের বন্যা থামছে না ব্রাজিলিয়ানের? অথবা, চব্বিশের নেইমারের আগুনে পুড়ল জেমস রদরিগেসের কলম্বিয়া?
তিনটেই ঘোর সত্যি! মানাউসে নব্বই মিনিট জুড়ে শুধু নেইমার, নেইমার, আর নেইমার!
সেই অলিম্পিক থেকে শুরু হয়েছে নেইমারের গোলের শোভাযাত্রা। যা হলুদ-সবুদ জার্সিতে এখনও জ্বলজ্বলে। দলের জন্য খুবই কার্যকর। জেতার রসদ। মানাউসে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচও যার ব্যতিক্রম নয়।
দেশের হয়ে ৭২ ম্যাচে ৪৮ গোল। জিকোকে ছুঁয়ে ফেললেন নেইমার। দেশের হয়ে ৭১ ম্যাচে জিকোর ছিল ৪৮ গোল। এক ম্যাচ বেশি, সমসংখ্যক গোল করে ফেললেন নেইমার। যে ভাবে এগোচ্ছেন, তাতে একে একে নেইমার টপকে যাবেন সব বাধা।
তখন আর বাকি মাত্র ১৬ মিনিট। একটু আগে উইলিয়ানকে তুলে কুতিনিওকে নামিয়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়েছেন ব্রাজিল কোচ তিতে। মানাউসের গ্যালারিতে তবু ঘোর টেনশন। স্কোরলাইনে দেখাচ্ছে ১-১। জয়ের গোল আসছে না ব্রাজিলের। ‘নেইমার-নেইমার’ চিৎকারটা ঘুরপাক খাচ্ছে শুধু। ৭৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটা করেই ফেললেন নেইমার।
বড় বক্সের বাঁ দিকে বলের জন্যই অপেক্ষায় ছিলেন। কলম্বিয়া বক্সের ঠিক মাথায় একটা লুজ বল পেয়ে নেইমারকে বাড়িয়ে দেন কুতিনিও। সেখান থেকে চকিতে কোণাকুণি শটে কলম্বিয়া কিপার ওস্পিনাকে টপকে ২-১। ওই গোলেি তিন পয়েন্ট।
কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে মানাউসে শুরুটা করেছিল ব্রাজিলই। আর তা নেইমারের পা থেকেই। ২ মিনিটে ম্যাচের প্রথম কর্নার পায় ব্রাজিল। আর সেখান থেকেই নেইমারের তোলা কর্নারে হেডে ১-০ মিরান্দার।
নতুন কোচ তিতের এটাই ছিল প্রথম ম্যাচ, ঘরের মাঠে। ইকুয়েদরের বিরুদ্ধে ৩-০ জিতে আসার পর ঘরের মাঠের চাপ তিনি কতটা সামলাতে পারেন, দেখার ছিল। তিতে চমৎকার সামলেছেন টিম।
১-০ এগিয়ে যাওয়ার পর খেলা ধরে নেয় ব্রাজিল। কলম্বিয়া সে ভাবে নজর কাড়তে পারেনি। জেমস রদরিগেসকে সে ভাবে খেলতেই দেননি ব্রাজিলীয় ডিফেন্ডাররা। তবু ১-১ হয়ে যায় ব্রাজিলের ভুলেই। রদরিগেসের তোলা ফ্রি কিক মারকুইনিওস ক্লিয়ার করতে গিয়ে গোলে ঢুকিয়ে দেন।
তবে, সব ভুল ঢেকে দিলেন নেইমার। তিতে আর ব্রাজিলকে জেতালেন ২৪ বছরের বার্সেলোনা তারকা। তুলে আনলেন ব্রাজিলকে, দক্ষিণ আমেরিকার বাছাইপর্বে দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর বার্সেলোনা-সতীর্থ লিওনেল মেসির আর্জেন্তিনার চেয়ে এক ধাপ ওপরে!
ব্রাজিল-২ : কলম্বিয়া-১
(মিরান্দা ২’, নেইমার ৭৪’) (মারকুইনিওস-আত্মঘাতী ৩৬’)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
স্বপ্নের ছন্দে নেইমার। নাকি বলা উচিত, গোলের বন্যা থামছে না ব্রাজিলিয়ানের? অথবা, চব্বিশের নেইমারের আগুনে পুড়ল জেমস রদরিগেসের কলম্বিয়া?
তিনটেই ঘোর সত্যি! মানাউসে নব্বই মিনিট জুড়ে শুধু নেইমার, নেইমার, আর নেইমার!
সেই অলিম্পিক থেকে শুরু হয়েছে নেইমারের গোলের শোভাযাত্রা। যা হলুদ-সবুদ জার্সিতে এখনও জ্বলজ্বলে। দলের জন্য খুবই কার্যকর। জেতার রসদ। মানাউসে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচও যার ব্যতিক্রম নয়।
দেশের হয়ে ৭২ ম্যাচে ৪৮ গোল। জিকোকে ছুঁয়ে ফেললেন নেইমার। দেশের হয়ে ৭১ ম্যাচে জিকোর ছিল ৪৮ গোল। এক ম্যাচ বেশি, সমসংখ্যক গোল করে ফেললেন নেইমার। যে ভাবে এগোচ্ছেন, তাতে একে একে নেইমার টপকে যাবেন সব বাধা।
বড় বক্সের বাঁ দিকে বলের জন্যই অপেক্ষায় ছিলেন। কলম্বিয়া বক্সের ঠিক মাথায় একটা লুজ বল পেয়ে নেইমারকে বাড়িয়ে দেন কুতিনিও। সেখান থেকে চকিতে কোণাকুণি শটে কলম্বিয়া কিপার ওস্পিনাকে টপকে ২-১। ওই গোলেি তিন পয়েন্ট।
কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে মানাউসে শুরুটা করেছিল ব্রাজিলই। আর তা নেইমারের পা থেকেই। ২ মিনিটে ম্যাচের প্রথম কর্নার পায় ব্রাজিল। আর সেখান থেকেই নেইমারের তোলা কর্নারে হেডে ১-০ মিরান্দার।
নতুন কোচ তিতের এটাই ছিল প্রথম ম্যাচ, ঘরের মাঠে। ইকুয়েদরের বিরুদ্ধে ৩-০ জিতে আসার পর ঘরের মাঠের চাপ তিনি কতটা সামলাতে পারেন, দেখার ছিল। তিতে চমৎকার সামলেছেন টিম।
১-০ এগিয়ে যাওয়ার পর খেলা ধরে নেয় ব্রাজিল। কলম্বিয়া সে ভাবে নজর কাড়তে পারেনি। জেমস রদরিগেসকে সে ভাবে খেলতেই দেননি ব্রাজিলীয় ডিফেন্ডাররা। তবু ১-১ হয়ে যায় ব্রাজিলের ভুলেই। রদরিগেসের তোলা ফ্রি কিক মারকুইনিওস ক্লিয়ার করতে গিয়ে গোলে ঢুকিয়ে দেন।
তবে, সব ভুল ঢেকে দিলেন নেইমার। তিতে আর ব্রাজিলকে জেতালেন ২৪ বছরের বার্সেলোনা তারকা। তুলে আনলেন ব্রাজিলকে, দক্ষিণ আমেরিকার বাছাইপর্বে দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর বার্সেলোনা-সতীর্থ লিওনেল মেসির আর্জেন্তিনার চেয়ে এক ধাপ ওপরে!
No comments