পিডব্লুডি-র পরিদর্শনের পর বড় ম্যাচ নিয়ে আরও প্রশ্ন!
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

বড় ম্যাচ এখন বিশ বাঁও জলে!
পিডব্লুডি-র কর্তারা গিয়েছিলেন কল্যাণী মাঠ পরিদর্শনে। দেখে জানিয়ে দিয়েছেন আইএফএ-কে যে, অস্থায়ী গ্যালারি বিপজ্জনক। সেখানে লোক বসানো যাবে না। পরে দুর্ঘটনা ঘটলে সেই দায়িত্ব নেবে না পিডব্লুডি।
ফলে, চাপে পড়ে গেল আইএফএ। তারা ধরে রেখেছিল, স্থায়ী গ্যালারিতে ৯ হাজার ও অস্থায়ী গ্যালারির ৭ হাজার মিলিয়ে মোট ১৬ হাজার দর্শকের ব্যবস্থা করবে ৭ সেপ্টেম্বর বড় ম্যাচে। এখন যা অবস্থা, ৭ সেপ্টেম্বর ম্যাচ করতে হলে ওই স্থায়ী গ্যালারির ৯ হাজার দর্শকের সামনেই খেলাতে হবে সিএফএল-এর বড় ম্যাচ। তাতে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান দুই ক্লাবের জন্য থাকবে মাত্র ৪ হাজার করে টিকিট। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আইএফএ কী সিদ্ধান্ত নেয় তার ওপর ঝুলে থাকছে বড় ম্যাচের ভাগ্য।
মোহনবাগান সূত্রের খবর, কল্যাণীতে বড় ম্যাচে সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা আগেই চিঠে দিয়েছিল। এখন ৫ সেপ্টেম্বর যদি আইএফএ জানায়ও যে, ৭ সেপ্টেম্বরই বড় ম্যাচ হচ্ছে, মোহনবাগান আপত্তি তুলে আরও একটি চিঠি দিতে পারে এই বলে যে, বড় ম্যাচের আগে মানসিক প্রস্তুতির তিন দিন পাওয়া যাচ্ছে না। তাই মোহনবাগানের দাবি থাকবে, বড় ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার। ইস্টবেঙ্গল আবার জানিয়ে দিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পিছিয়ে দিলে বড় ম্যাচ তারা খেলবে না। কারণ, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের ছেড়ে দিতে হবে আইএসএল-এর বিভিন্ন দলে থাকা ফুটবলারদের। ফলে, চাপান-উতোর চলবে, নিশ্চিত!
এই পরিস্থিতিতে, বড় ম্যাচ কবে হবে কিংবা আদৌ হবে কিনা, বিরাট প্রশ্ন উঠে গেল পিডব্লুডি-র ইনস্পেকশনের পর। আর বড় ম্যাচ না হলে তো এই মরসুমে কলকাতা ফুটবল লিগের ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠে যাবে প্রশ্ন!
বড় ম্যাচ এখন বিশ বাঁও জলে!
পিডব্লুডি-র কর্তারা গিয়েছিলেন কল্যাণী মাঠ পরিদর্শনে। দেখে জানিয়ে দিয়েছেন আইএফএ-কে যে, অস্থায়ী গ্যালারি বিপজ্জনক। সেখানে লোক বসানো যাবে না। পরে দুর্ঘটনা ঘটলে সেই দায়িত্ব নেবে না পিডব্লুডি।
ফলে, চাপে পড়ে গেল আইএফএ। তারা ধরে রেখেছিল, স্থায়ী গ্যালারিতে ৯ হাজার ও অস্থায়ী গ্যালারির ৭ হাজার মিলিয়ে মোট ১৬ হাজার দর্শকের ব্যবস্থা করবে ৭ সেপ্টেম্বর বড় ম্যাচে। এখন যা অবস্থা, ৭ সেপ্টেম্বর ম্যাচ করতে হলে ওই স্থায়ী গ্যালারির ৯ হাজার দর্শকের সামনেই খেলাতে হবে সিএফএল-এর বড় ম্যাচ। তাতে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান দুই ক্লাবের জন্য থাকবে মাত্র ৪ হাজার করে টিকিট। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আইএফএ কী সিদ্ধান্ত নেয় তার ওপর ঝুলে থাকছে বড় ম্যাচের ভাগ্য।
মোহনবাগান সূত্রের খবর, কল্যাণীতে বড় ম্যাচে সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা আগেই চিঠে দিয়েছিল। এখন ৫ সেপ্টেম্বর যদি আইএফএ জানায়ও যে, ৭ সেপ্টেম্বরই বড় ম্যাচ হচ্ছে, মোহনবাগান আপত্তি তুলে আরও একটি চিঠি দিতে পারে এই বলে যে, বড় ম্যাচের আগে মানসিক প্রস্তুতির তিন দিন পাওয়া যাচ্ছে না। তাই মোহনবাগানের দাবি থাকবে, বড় ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার। ইস্টবেঙ্গল আবার জানিয়ে দিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পিছিয়ে দিলে বড় ম্যাচ তারা খেলবে না। কারণ, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের ছেড়ে দিতে হবে আইএসএল-এর বিভিন্ন দলে থাকা ফুটবলারদের। ফলে, চাপান-উতোর চলবে, নিশ্চিত!
এই পরিস্থিতিতে, বড় ম্যাচ কবে হবে কিংবা আদৌ হবে কিনা, বিরাট প্রশ্ন উঠে গেল পিডব্লুডি-র ইনস্পেকশনের পর। আর বড় ম্যাচ না হলে তো এই মরসুমে কলকাতা ফুটবল লিগের ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠে যাবে প্রশ্ন!
No comments