অবসর ভেঙে ফিরে আর্জেন্তিনাকে জেতালেন লিও মেসি
[caption id="attachment_1576" align="alignleft" width="234"]
মন ভোলানো মেসি। ছবি— টুইটার[/caption]
আর্জেন্তিনা-১ : উরুগুয়ে-০
(মেসি ৪৩’)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
কেন সারা বিশ্ব ডুবে গিয়েছিল কান্নায়? কেন জাদুকরের জন্য বারবার দেখা গিয়েছে হাহাকারের মিছিল?
মেনদোসার রাতটাই আরও এক বার প্রমাণ করে দিল, লিওনেল মেসির সার্বিক আবেদন কতটা!
ম্যাচের ঘণ্টা চারেক আগেও এলএম টেনকে নিয়ে ছিল ঘোর সংশয়। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পুরোপুরি সারেনি। প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচে উরুগুয়ের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আদৌ নামবেন তো?
শুধু নামলেন না। গোল করলেন ফুটবল জাদুকর। দশ জনের আর্জেন্তিনাকে একটা পুরো অর্ধ টানলেন। শেষ পর্যন্ত ১-০ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন অবসর ভেঙে আবার নীল-সাদা জার্সিতে নেমে পড়া লিও মেসি। চোট নিয়েই দেশের হয়ে ১১৪ ম্যাচে করে ফেললেন ৫৬ গোল।
মেনদোসাতে প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচটা ছিল আসলে ‘মেসি শো’। অবসর ভেঙে দেশের হয়ে খেলবেন, জানানোর পরই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মেনদোসার সব টিকিট। ‘ফুল হাউস’-এ দেখা গেল ‘ঈশ্বর’এর জন্য আকুতি। খেলা শেষের দিকে মাঠে নেমে পড়েন এক সমর্থক। জড়িয়ে ধরেন এলএম টেনের পা।
লুইস সুয়ারেজের উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকেই মেসির মধ্যে ছিল চেনা ছটফটানি। প্রায় দু’বার গোল করার মতো জায়গাতেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। এক বার উরুগুয়ে কিপার সেভ করে দেন। আর এক বার সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায় মেসির শট।
[caption id="attachment_1577" align="alignleft" width="226"]
গোলের পর মেসি। ছবি— টুইটার[/caption]
৪৩ মিনিটে মেসি-সুলভ গোলটা করলেন লিও। উরুগুয়ে বক্সের সামনে তখন জটলা। মেসি তিন জনকে ড্রিবল করে যে শট নেন, তা উরুগুয়ে ডিফেন্ডার জিমেনেজের পায়ে লেগে দিক বদলে যায়। উরুগুয়ের কিপারের কিছু করার ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধেও আর একটা গোল পেয়ে যেতে পারতেন মেসি। ৫২ মিনিটে তাঁর নেওয়া বাঁকানো ফ্রি কিকটা উরুগুয়ে কিপার মুসলেরা দুর্দান্ত সেভ করে দেন।
বিরতির আগে যখন উৎসব চলছে মেনদোসার গ্যালারিতে, তখনই বিপর্যয়। ম্যাচের দ্বিতীয় হলুদ দেখে প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে বেরিয়ে যান ব্রুনো। দশ জনে খেলা আর্জেন্তিনাকে পরের অর্ধে প্রবল চাপে রাখেন সুয়ারেজরা। বারবার হামলে পড়েছেন আর্জেন্তিনা ডিফেন্সে। কিন্তু মেসির টিমের রক্ষণ এবং গোলের তলায় সের্খিও রোমেরোর চমৎকার কিছু সেভ স্মরণীয় করে রাখল মেসির প্রত্যাবর্তন।
এই জয়ের ফেলে লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ শীর্ষে পৌঁছে গেল আর্জেন্তিনা। ৭ ম্যাচে মেসিদের ১৪ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে উরুগুয়ের ১৩। তিন ও চারে থাকা কলম্বিয়া ও ইকুয়েদরেরও তাই। পাঁচে ব্রাজিল, ৭ ম্যাচে ১২।
আর্জেন্তিনা-১ : উরুগুয়ে-০
(মেসি ৪৩’)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
কেন সারা বিশ্ব ডুবে গিয়েছিল কান্নায়? কেন জাদুকরের জন্য বারবার দেখা গিয়েছে হাহাকারের মিছিল?
মেনদোসার রাতটাই আরও এক বার প্রমাণ করে দিল, লিওনেল মেসির সার্বিক আবেদন কতটা!
ম্যাচের ঘণ্টা চারেক আগেও এলএম টেনকে নিয়ে ছিল ঘোর সংশয়। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পুরোপুরি সারেনি। প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচে উরুগুয়ের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আদৌ নামবেন তো?
শুধু নামলেন না। গোল করলেন ফুটবল জাদুকর। দশ জনের আর্জেন্তিনাকে একটা পুরো অর্ধ টানলেন। শেষ পর্যন্ত ১-০ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন অবসর ভেঙে আবার নীল-সাদা জার্সিতে নেমে পড়া লিও মেসি। চোট নিয়েই দেশের হয়ে ১১৪ ম্যাচে করে ফেললেন ৫৬ গোল।
মেনদোসাতে প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচটা ছিল আসলে ‘মেসি শো’। অবসর ভেঙে দেশের হয়ে খেলবেন, জানানোর পরই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মেনদোসার সব টিকিট। ‘ফুল হাউস’-এ দেখা গেল ‘ঈশ্বর’এর জন্য আকুতি। খেলা শেষের দিকে মাঠে নেমে পড়েন এক সমর্থক। জড়িয়ে ধরেন এলএম টেনের পা।
লুইস সুয়ারেজের উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকেই মেসির মধ্যে ছিল চেনা ছটফটানি। প্রায় দু’বার গোল করার মতো জায়গাতেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। এক বার উরুগুয়ে কিপার সেভ করে দেন। আর এক বার সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায় মেসির শট।
[caption id="attachment_1577" align="alignleft" width="226"]
৪৩ মিনিটে মেসি-সুলভ গোলটা করলেন লিও। উরুগুয়ে বক্সের সামনে তখন জটলা। মেসি তিন জনকে ড্রিবল করে যে শট নেন, তা উরুগুয়ে ডিফেন্ডার জিমেনেজের পায়ে লেগে দিক বদলে যায়। উরুগুয়ের কিপারের কিছু করার ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধেও আর একটা গোল পেয়ে যেতে পারতেন মেসি। ৫২ মিনিটে তাঁর নেওয়া বাঁকানো ফ্রি কিকটা উরুগুয়ে কিপার মুসলেরা দুর্দান্ত সেভ করে দেন।
বিরতির আগে যখন উৎসব চলছে মেনদোসার গ্যালারিতে, তখনই বিপর্যয়। ম্যাচের দ্বিতীয় হলুদ দেখে প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে বেরিয়ে যান ব্রুনো। দশ জনে খেলা আর্জেন্তিনাকে পরের অর্ধে প্রবল চাপে রাখেন সুয়ারেজরা। বারবার হামলে পড়েছেন আর্জেন্তিনা ডিফেন্সে। কিন্তু মেসির টিমের রক্ষণ এবং গোলের তলায় সের্খিও রোমেরোর চমৎকার কিছু সেভ স্মরণীয় করে রাখল মেসির প্রত্যাবর্তন।
এই জয়ের ফেলে লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ শীর্ষে পৌঁছে গেল আর্জেন্তিনা। ৭ ম্যাচে মেসিদের ১৪ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে উরুগুয়ের ১৩। তিন ও চারে থাকা কলম্বিয়া ও ইকুয়েদরেরও তাই। পাঁচে ব্রাজিল, ৭ ম্যাচে ১২।
No comments