মরসুমের প্রথম বড় ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে ঘোর নাটক!
মোহনবাগান যেমন নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়, আইএফএ-ও। মঙ্গলবার সকালে জরুরি সভার পর রাজ্য ফুটবল সংস্থা জানিয়ে দিল, কল্যাণীর বড় ম্যাচ পিছনো যাবে না। বুধবারই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে খেলতে হবে মোহনবাগানকে।
নতুন দুই দাবি তুলে সোমবার বড় ম্যাচ অনিশ্চিত করে তুলেছে মোহনবাগান। সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে এক গোপন বৈঠকের কথা। যে সূত্র ধরে আইএফএ-র বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগও এনেছে মোহনবাগান।
বাগানের দাবি এবং আইএফএ-র পাল্টা জবাব কী?
দাবি এক
মোহনবাগানের প্রশ্ন: মাত্র দু’হাজার টিকিট নিয়ে বড় ম্যাচের চাপ সামলানো কঠিন। সদস্যদের এ ভাবে বঞ্চিত করা যায় না। আগে তা হলে চার হাজার টিকিটের কথা বলা হয়েছিল কেন?
আইএফএ-র জবাব: শুরুতে কল্যাণীর গ্যালারিতে ১৬ হাজার দর্শক বসার বন্দোবস্ত করেছিল আইএফএ। সেই অনুযায়ী ৪ হাজার টিকিট দেওয়া হবে দুটো ক্লাবকে, জানানো হয়েছিল। কিন্তু পিডাব্লুডি অস্থায়ী গ্যালারিকে ফিট সার্টিফিকেট দেয়নি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মাত্র আট হাজার দর্শক বসতে পারবে কল্যাণী স্টেডিয়ামে। সেই কারণেই ২ হাজার টিকিট বরাদ্দ করা হয়েছে দুই ক্লাবকে। আইএফএ-র এ ক্ষেত্রে কিছু করার নেই।
দাবি দুই
মোহনবাগানের প্রশ্ন: বড় ম্যাচের আগে প্রস্তুতির জন্য অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা দরকার। আমরা দীর্ঘ দিন কল্যাণীতে খেলিনি। মাঠ কেমন, জানি না। ওই সময়টুকু না পেলে কী ভাবে বড় ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হব?
আইএফএ-র জবাব: ২৬ অগাস্ট বড় ম্যাচের দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছিল আইএফএ। আটচল্লিশ ঘণ্টা সময় তো দেওয়াই হয়েছে। তা ছাড়া, মোহনবাগান ক্লাবও তো কল্যাণীতে হোটেল বুক করেছিল। ৭ তারিখ ডার্বি জানা সত্ত্বে টিম কেন প্র্যাক্টিস করেনি?
টুটু বসুর সঙ্গে গোপন বৈঠক প্রসঙ্গে আইএফএ সচিব উৎপল গঙ্গোপাধ্যায় চিঠি পাঠাচ্ছেন মোহনবাগান সভাপতিকে। যেখানে পরিষ্কার করে দেবেন, কোনও বিশ্বাসঘাতকতা করেননি তিনি।
চিঠি পাঠিয়ে একই সঙ্গে আইএফএ জানিয়ে দিল, ৭ তারিখের ডার্বি কোনও ভাবেই পিছনো যাবে না। বাংলার ফুটবলের কথা ভেবে মোহনবাগান নিশ্চয় ওই দিন বিকেলে মাঠে হাজির থাকবে। এবং বড় ম্যাচটা সূচি অনুযায়ী খেলবে।
No comments:
Post a Comment