অসম্ভব শব্দটাই নেই রুপোজয়ী দীপা মালিকের জীবনে!
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

হাঁটতে পারেন না ১৭ বছর। নিম্নাঙ্গ এবং দুটি পা-ই অসাড়। তবু, ৪৫ বছরের দীপা মালিক ইতিহাস লিখলেন রিও-তে। ভারতকে রুপো এনে দিলেন শটপাটে, এফ-৫৩ বিভাগে। ষষ্ঠ প্রচেষ্টায় ৪.৬১ মিটার ছুড়ে। প্যারালিম্পিকের ইতিহাসে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে প্রথম পদকজয়ী হয়ে।
তাঁর প্যারাপ্লেজিয়া। স্পাইনাল কর্ড-এ সমস্যা। শরীরের নিচের দিক পুরোপুরি অসাড়। হাঁটাচলা হুইল চেয়ারে। সবচেয়ে বেশি ৪২ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত থেকে অর্জুন পুরস্কার নিয়েও ছিলেন হুইল চেয়ারে বসেই। ভারতকে আরও একবার গর্বিত করলেন দীপা এবার, রিও প্যারালিম্পিকের আসরে।
দুই কন্যার মা দীপার স্বামী কাজ করেন সেনাবাহিনীতে। শারীরিক অসুস্থতাকে জয় করে বহু কৃতিত্ব গড়েছেন দীপা। খেলার আসরই তাঁর নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যম। তিনটি থ্রো ইভেন্টেই – জ্যাভেলিন, ডিসকাস ও শটপাট – জাতীয় রেকর্ড এখন তাঁর নামে। আন্তর্জাতিক আসরেও পেয়েছেন বহু সাফল্য। তবে, সেই সব কিছুই ছাপিয়ে গেল প্যারা-অলিম্পিক থেকে পাওয়া রুপো।
দীপার আরও বড় লড়াই, তাঁর মতো শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও মোটরগাড়ি চালানোয় লাইসেন্স পাওয়া, সেটাও আবার ফেডারেশন অফ মোটর স্পোর্টস ক্লাব অফ ইন্ডিয়া থেকে। তিনি যুক্ত হিমালয়ান মোটর স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে। শুধু যুক্তই নন, ৮ দিনে ১৭০০ কিলোমিটারের বেশি গাড়ি চালিয়েছেন, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রায়, অক্সিজেনের যেখানে সত্যিই অভাব, সেই ১৮ হাজার ফুট উচ্চতাতেও! লে, সিমলা, জম্মু অঞ্চলে হিমালয়ে গাড়ি চালিয়ে। এমন কৃতিত্ব যা শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষও অর্জনের চেষ্টায় নামতে দুবার ভাবেন, দীপা মালিক করে দেখিয়ে দিয়েছিলেন।
হরিয়ানার সোনপৎ জেলায় জন্ম, কর্ণেল বিকে নাগপালের ঘরে, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০। বুকের তলা থেকে শরীরের বাকি অংশ অসাড়। স্পাইনাল কর্ডে টিউমার ধরা পড়ার পরে ৩১ বার অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। তাঁর কোমর ও পায়ের মধ্যে ১৮৩ সেলাই। তারপরও তিনি খেলা ছাড়েননি! আন্তর্জাতিক আসরে সাঁতারেও পদক পেয়েছেন, কুয়ালালামপুরে, এস ফাইভ ব্যাকস্ট্রোকে দ্বিতীয় হয়েছিলেন ২০০৫ সালে। ২০১১ আইপিসি অ্যাথলেটিক্সের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় শটপাটেই রুপো পেয়েছিলেন পাঁচ বছর আগে। মোট ১৩ আন্তর্জাতিক পদকের মালিকের ঘরে সোমবার এল সর্বোচ্চ পদক, প্যারালিম্পিকের রুপো!
অলিম্পিকের ঠিক পরপর বলেই হয়ত, গোটা ভারত মেতে উঠল উৎসবে, দীপা মালিকের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে। হরিয়ানা সরকার ঘোষণা করেই দিয়েছে, ৪ কোটি টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে এই অসমসাহসী ভারতীয় মহিলা অ্যাথলিটকে, অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখানো যাঁর প্রিয় শখ!
দীপা কর্মকার একটুর জন্য পারেননি, চতুর্থ হয়েছিলেন। সাক্ষী মালিক এনেছিলেন কুস্তিতে ব্রোঞ্জ। দীপা মালিক, প্যারালিম্পিকে রুপো জিতে, পেরিয়ে গেলেন দুজনকেই। তাঁর জীবন-সংগ্রাম এবং কৃতিত্বের প্রশংসা করে, সাধ্য নেই শব্দভাণ্ডারের এমন কোনও শব্দ বা শব্দসমষ্টির। মাথা ঝুঁকিয়ে দাঁড়াতে হয় শুধু, এমন কৃতিত্বের সামনে, এমন কৃতীর সামনে, শ্রদ্ধায়।
হাঁটতে পারেন না ১৭ বছর। নিম্নাঙ্গ এবং দুটি পা-ই অসাড়। তবু, ৪৫ বছরের দীপা মালিক ইতিহাস লিখলেন রিও-তে। ভারতকে রুপো এনে দিলেন শটপাটে, এফ-৫৩ বিভাগে। ষষ্ঠ প্রচেষ্টায় ৪.৬১ মিটার ছুড়ে। প্যারালিম্পিকের ইতিহাসে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে প্রথম পদকজয়ী হয়ে।
তাঁর প্যারাপ্লেজিয়া। স্পাইনাল কর্ড-এ সমস্যা। শরীরের নিচের দিক পুরোপুরি অসাড়। হাঁটাচলা হুইল চেয়ারে। সবচেয়ে বেশি ৪২ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত থেকে অর্জুন পুরস্কার নিয়েও ছিলেন হুইল চেয়ারে বসেই। ভারতকে আরও একবার গর্বিত করলেন দীপা এবার, রিও প্যারালিম্পিকের আসরে।
দুই কন্যার মা দীপার স্বামী কাজ করেন সেনাবাহিনীতে। শারীরিক অসুস্থতাকে জয় করে বহু কৃতিত্ব গড়েছেন দীপা। খেলার আসরই তাঁর নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যম। তিনটি থ্রো ইভেন্টেই – জ্যাভেলিন, ডিসকাস ও শটপাট – জাতীয় রেকর্ড এখন তাঁর নামে। আন্তর্জাতিক আসরেও পেয়েছেন বহু সাফল্য। তবে, সেই সব কিছুই ছাপিয়ে গেল প্যারা-অলিম্পিক থেকে পাওয়া রুপো।
দীপার আরও বড় লড়াই, তাঁর মতো শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও মোটরগাড়ি চালানোয় লাইসেন্স পাওয়া, সেটাও আবার ফেডারেশন অফ মোটর স্পোর্টস ক্লাব অফ ইন্ডিয়া থেকে। তিনি যুক্ত হিমালয়ান মোটর স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে। শুধু যুক্তই নন, ৮ দিনে ১৭০০ কিলোমিটারের বেশি গাড়ি চালিয়েছেন, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রায়, অক্সিজেনের যেখানে সত্যিই অভাব, সেই ১৮ হাজার ফুট উচ্চতাতেও! লে, সিমলা, জম্মু অঞ্চলে হিমালয়ে গাড়ি চালিয়ে। এমন কৃতিত্ব যা শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষও অর্জনের চেষ্টায় নামতে দুবার ভাবেন, দীপা মালিক করে দেখিয়ে দিয়েছিলেন।
হরিয়ানার সোনপৎ জেলায় জন্ম, কর্ণেল বিকে নাগপালের ঘরে, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০। বুকের তলা থেকে শরীরের বাকি অংশ অসাড়। স্পাইনাল কর্ডে টিউমার ধরা পড়ার পরে ৩১ বার অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। তাঁর কোমর ও পায়ের মধ্যে ১৮৩ সেলাই। তারপরও তিনি খেলা ছাড়েননি! আন্তর্জাতিক আসরে সাঁতারেও পদক পেয়েছেন, কুয়ালালামপুরে, এস ফাইভ ব্যাকস্ট্রোকে দ্বিতীয় হয়েছিলেন ২০০৫ সালে। ২০১১ আইপিসি অ্যাথলেটিক্সের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় শটপাটেই রুপো পেয়েছিলেন পাঁচ বছর আগে। মোট ১৩ আন্তর্জাতিক পদকের মালিকের ঘরে সোমবার এল সর্বোচ্চ পদক, প্যারালিম্পিকের রুপো!
অলিম্পিকের ঠিক পরপর বলেই হয়ত, গোটা ভারত মেতে উঠল উৎসবে, দীপা মালিকের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে। হরিয়ানা সরকার ঘোষণা করেই দিয়েছে, ৪ কোটি টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে এই অসমসাহসী ভারতীয় মহিলা অ্যাথলিটকে, অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখানো যাঁর প্রিয় শখ!
দীপা কর্মকার একটুর জন্য পারেননি, চতুর্থ হয়েছিলেন। সাক্ষী মালিক এনেছিলেন কুস্তিতে ব্রোঞ্জ। দীপা মালিক, প্যারালিম্পিকে রুপো জিতে, পেরিয়ে গেলেন দুজনকেই। তাঁর জীবন-সংগ্রাম এবং কৃতিত্বের প্রশংসা করে, সাধ্য নেই শব্দভাণ্ডারের এমন কোনও শব্দ বা শব্দসমষ্টির। মাথা ঝুঁকিয়ে দাঁড়াতে হয় শুধু, এমন কৃতিত্বের সামনে, এমন কৃতীর সামনে, শ্রদ্ধায়।
No comments