শেষ মুহূর্তের গোলে জার্মানির কাছে হার সর্দারদের
জার্মানি-২ : ভারত-১
(নিকলাস ১৮’, ক্রিস্টোফার ৬০’) (রুপিন্দর ২৩)
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
এক দিকে সমালোচনা। অন্য দিকে প্রশংসা। ভারতীয় হকি টিমের দুই-ই প্রাপ্য!
সমালোচনা কেন?
শেষ মুহূর্তে গোল খাওয়ার অভ্যেস গেল না শ্রীজেসের টিমের। জার্মানির বিরুদ্ধে ১-১ এগিয়ে ম্যাচ থেকে যখন সবাই একটা পয়েন্ট প্রায় নিশ্চিত বলে ধরছে, তখনই গোল হজম করল ভারতীয় ডিফেন্স। শেষ পর্যন্ত জার্মানরা ২-১ জিতে নিলেন ম্যাচটা।
প্রশংসা কেন?
গত বারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হকি খেললেন সর্দার সিং, রুপিন্দর পাল সিংরা। যাদের হকি ঘরানাই অন্য রকম, গতি আর পাওয়ার গেম খেলতে অভ্যস্ত, তাদের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়া, ০-১ থেকে ১-১ করা, প্রশংসা পাচ্ছে সব মহলেই।
এই অলিম্পিক বলে নয়, ভারতীয় হকি বদলে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। প্রথম সারির টিমগুলোকে যে চ্যালেঞ্জ জানাতে শিখে গিয়েছেন সর্দাররা, তার প্রমাণ আরও এক বার মিলল।
ম্যাচের পর অধিনায়ক শ্রীজেস টুইটারে লিখেছেন, ‘জিততে পারলাম না, হতাশা তো রয়েইছে। কিন্তু টিম যে ভাবে খেলেছে, আমি তৃপ্ত। ম্যাচ অভি বাকি হ্যায়।’
প্রথম কোয়ার্টার গোলশূন্য। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই ১-০ করে ফেলে জার্মানরা। টিমকে এগিয়ে দেন নিকলাস ওয়েলেন। পাঁচ মিনিটের মধ্যে ১-১ করেন রুপিন্দর পাল সিং, পেনাল্টি কর্নার থেকে। ইদানীং আধুনিক হকির সবচেয়ে কার্যকর দিক হিসেবে ধরা হয় পেনাল্টি কর্নারকে। যা এখন দারুণ ভাবে কাজে লাগাচ্ছে ভারতীয় হকি টিম। গত ম্যাচে আয়ার্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনটে গোলই হয়েছিল পেনাল্টি কর্নার থেকে। এই ম্যাচেও একমাত্র গোলটা ওই ভাবেই।
তৃতীয় কোয়ার্টারে ভারতীয় ডিফেন্সে সে ভাবে ঢুকতে পারে জার্মানরা। চতুর্থ কোয়ার্টারেও তাই। শুধু শেষ দিকে একটা ভুল থেকে গোল খেয়ে যেতে হয় ভারতকে। ২-১ করেন ক্রিস্টোফার রুর।
১৯৯৬ সাল থেকে আর অলিম্পিকে জার্মানিকে হারাতে পারেনি ভারত। কুড়ি বছর পর খুব কাছে পৌঁছেও স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল ভারতের।
No comments