ভারতের দুর্দশা চলছেই, বিদায় অতনু, গগনের
সপ্তম দিনও শুরুতেই হতাশা ভারতীয় অলিম্পিকপ্রেমীদের। দিনের শুরুতেই হেরে গেলেন দুই ভরসা। তীরন্দাজিতে অতনু দাস, শুটিংয়ে গগন নারাং। আশা ছিল, অতনু দাস এগিয়ে যাবেন আরও, গগন নারাংও পৌঁছবেন ফাইনালে। কিন্তু, দুজনেই পারলেন না।
অতনুর সামনে ছিলেন কোরিয়ার সেউঙগিউন লি। দুর্দান্ত লড়লেও অতনু শেষ পর্যন্ত হেরে যান ৪-৬। দুই তীরন্দাজই খুব ভাল খেলায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ৯ আর ১০ ছাড়া অন্য কোনও পয়েন্ট পাননি দুজনেই। মানে, দুজনের তীরই পৌঁছচ্ছিল লক্ষ্যের হলুদ অঞ্চলে। কিন্তু, লি-র কাছে শেষে হার মানতে বাধ্য হন কলকাতার অতনু। সেই সঙ্গেই শেষ হয়ে গেল ভারতের পদক-সম্ভাবনা, তীরন্দাজি থেকে। বৃহস্পতিবারই হেরে গিয়েছিলেন দীপিকা কুমারী ও বোম্বাইলা দেবি। শেষ ভরসা হিসাবে টিকেছিলেন অতনু। তাঁর স্বপ্নভঙ্গে নিশ্চিত হয়ে গেল, তীরন্দাজি থেকে এবারও রিও অলিম্পিক থেকে কোনও পদক পাচ্ছে না ভারত।
গগন নারাং নেমেছিলেন ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন-এ। সঙ্গী চৈন সিং। চৈনকে নিয়ে তত আশায় ছিলেন না ভারতীয় শুটিংপ্রেমীরা। কিন্তু গগন নারাং, লন্ডনে ব্রোঞ্জজয়ীকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে চেয়েছিল ভারত। গগন পারলেন না। শুরুর দিকে প্রথম আটে থাকলেও শেষ দিকে পিছিয়ে পড়েন। ৬২৩.১ পয়েন্ট পেয়ে ১৫ নম্বরে থেকে শেষ করেন গগন, বাছাইপর্বে। প্রথম আটজন শুটার গিয়েছেন ফাইনালে। স্বাভাবিকভাবেই সেই তালিকায় থাকতে পারলেন না গগন। চৈন সিং পেয়েছিলেন ৬১৯.৬ পয়েন্ট, শেষ করেন ৩৬তম স্থানে। প্রশ্নই ছিল না চূড়ান্ত আটে জায়গা পাওয়ার। ৬২৯ পয়েন্ট পেয়ে অলিম্পিক রেকর্ড করে শীর্ষে থেকে ফাইনালে গেলেন রাশিয়ার সের্গেই কামেনস্কি।
ভারতের দুর্দশা অবশ্য চলছেই!
No comments