রিও অলিম্পিকে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার পুরস্কার হাতে হাতেই পেলেন ভারতের তিন কন্যারত্ন। পুসারলা বেঙ্কট সিঁধু, সাক্ষী মালিক ও দীপা কর্মকারের নাম ঘোষিত হল, ২০১৬ সালের রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কারের জন্য। ভারতীয় খেলার ইতিহাসে যা সর্বোচ্চ সরকারি পুরস্কার।
পুসারলা প্রথম ভারতীয় মেয়ে শাটলার হিসাবে রুপো পেয়েছিলেন রিও-তে। তাঁর আগে সাইনা নেহওয়াল ব্যাডমিন্টনে পদক পেলেও লন্ডনে সাইনার গলায় ঝুলেছিল ব্রোঞ্জ। ভারতীয় মেয়ে হিসাবে যে কোনও খেলাতেও প্রথম রুপোর সম্মান পুসারলার। সাক্ষী আবার মেয়ে কুস্তিগীর হিসাবে প্রথম পদক এনেছিলেন ভারতে। এবার অলিম্পিকে মোট দটি পদক পেয়েছে ভারত। তার প্রথমটি এনে পদক-খরা কাটিয়েছিলেন রোহতকের সাক্ষীই।
দীপা কর্মকার চতুর্থ হলেও, জিমন্যাস্টিক্সে প্রথম ভারতীয় মেয়ে হিসাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন অলিম্পিকে। শুধু অংশ নেওয়াই নয়, ভল্টে সেরা আটে থেকে ফাইনালে যাওয়ার পর শেষ করেছিলেন চতুর্থ স্থানে, তৃতীয় স্থানের সঙ্গে যাঁর পার্থক্য ছিল মাত্রই ০.১৫০। তাঁর একার জন্যই ভারতজুড়ে জিমন্যাস্টিক্স নিয়ে উৎসাহের জোয়ার এসেছিল, অন্তত যে-রাতে দীপা নেমেছিলেন রিও-তে, ভল্ট ফাইনালে। আগরতলার দীপার অবদানও তাই অস্বীকার করেনি ভারত সরকার।
এই তিন ‘সোনার মেয়ে’-র সঙ্গেই অবশ্য খেলরত্ন পুরস্কার পাচ্ছেন শুটার জিতু রাই-ও। অলিম্পিকে তিনি প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। কিন্তু অন্য আন্তর্জাতিক মিটগুলোয় সাফল্যের জন্যই তাঁর নামও সুপারিশ করা হয়েছিল এবং কমিটি তা মেনে নিয়েছে। ফলে, এবার ২৯ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির হাত থেকে খেলরত্ন পুরস্কার নিতে দিল্লিতে হাজির হবেন ভারতের চার ক্রীড়াবিদ।
রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কারের আর্থিক মূল্য সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। ১৯৯১-৯২ সালে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়েছিল। প্রথম পেয়েছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। নতুন এই চারজনকে নিয়ে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার পেলেন ভারতের মোট ৩২ জন।
Monday, August 22, 2016
‘খেলরত্ন’ পুসারলা, সাক্ষী, দীপা, জিতু
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment