অঘটন! বিশ্বের দু-নম্বরকে হারিয়ে সেমিফাইনালে সিঁধু!
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

প্রতি দু-মিনিট অন্তর একটি করে নারীঘটিত অপরাধ ‘রিপোর্টেড’ যে-দেশে, রিও অলিম্পিকে সেই দেশের মান রেখেছেন আপাতত দুই নারী – দীপা কর্মকার ও পুসারলা বেঙ্কট সিঁধু!
একজনের বয়স ২৩, অন্যজন ২১। জিমন্যাস্ট দীপার ইভেন্ট ‘হইয়াও হইল না শেষ’, সিঁধুর বাকি এখনও দুটি ম্যাচ। অন্তত একটি জিতলেই পদক। প্রথমটি জিতলে তো কথাই নেই। সাইনা নেহওয়ালের ছায়ার আড়াল থেকে বেরিয়ে আসবেন তখন পুসারলা, ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে মেয়েদের সেরা মুখ হয়ে!
বুধবার ভোরে অঘটন ঘটিয়েছেন সিঁধু। ব্যাডমিন্টনে বিশ্বের দ্বিতীয় চিনের ওয়াং ইহানকে সরাসরি হারিয়ে। ২২-২০, ২১-১৯ পয়েন্টে। ইহানকে হারিয়ে শোধ নিয়েছেন গতবার লন্ডন অলিম্পিকে সাইনা নেহওয়ালের হারের। সেমিফাইনালে এই ইহানের কাছেই হেরেছিলেন সাইনা, শেষে রুপো জিতেছিলেন ইহান। সিঁধুর সামনে এখন সোনার সোনালি স্বপ্ন!
খুব কঠিন হবে ম্যাচ, ভাবা হয়েছিল। স্বাভাবিক, অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর ম্যাচ কি আর সহজ হয় কখনও! দশম বাছাই সিঁধু তবু তুলে ধরলেন তেরঙা। আর বুঝিয়ে দিলেন খেলার সারসত্য, কঠিন সময়েই এগোতে শুরু করেন যিনি, আসলে তিনিই গ্রেট!
প্রথম গেমে সিঁধু প্রথমবার এগিয়েছিলেন ২৯তম পয়েন্টে! মানসিক কাঠিন্য কোন পর্যায়ে থাকলে ব্যাডমিন্টনে প্রথম ২৭ পয়েন্টে পিছিয়েও পরের পয়েন্টে বিপক্ষকে ধরে ফেলে তার পরের পয়েন্টে ১৫-১৪ এগিয়ে যাওয়া যায়, দেখালন হায়দরাবাদী। ইহান অবশ্য প্রতিপদেই বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন, কেন তিনি বিশ্বের দু-নম্বর তারকা। দুটি গেম-পয়েন্ট যখন সিঁধুর হাতে, ৪৫-শটের র্যালিতে জিতে ব্যবধান কমিয়ে ফেলেছিলেন ইহান। শেষে অবশ্য পারেননি, গেম হারতে হয় ২২-২০, সিঁধুর হার-না-মানা মানসিকতার কাছে।
দ্বিতীয় গেমে শুরু থেকেই এগিয়ে গিয়েছিলেন সিঁধু। কিন্তু, একবারও স্বস্তিতে থাকতে দেননি ইহান। শেষদিকে তো টানা ৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৯-এ পৌঁছে গিয়েছিলেন সিঁধুকে পেছনে ফেলে। ভারতের ২১ বছর বয়সী তরুণী তারপর আরও তিনটি পয়েন্ট পরপর জিতে জায়গা করে নেন সেমিফাইনালে। সাইনা-র পর দ্বিতীয় মেয়ে হিসাবে অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে।
এবার সামনে ষষ্ঠ বাছাই জাপানের নোজোমি ওকুহারা। তাঁর বিরুদ্ধেও মুখোমুখি রেকর্ডে পিছিয়ে সিঁধু, ১-৩। দুজনের প্রথম দেখা ২০১২ সালের ৭ জুলাই। ভারতীয় তরুণীর একমাত্র জয় ওই প্রথমবারে, এশিয়া যুব অনূর্ধ্ব ১৯ প্রতিযোগিতায়। তিনবার দেখা হয়েছে তারপর। হংকং ওপেন, মালয়েশিয়া মাস্টার্স ও এশিয়া টিম চ্যাম্পিয়নশিপে শেষবার, এ-বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি। তিনবারই হেরেছিলেন সিঁধু। তবে, দুই ২১ বছর বয়সী তরুণীর লড়াইয়ের ফয়সালা প্রতিবারই হয়েছে তিন গেমে।
১৮ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার, ভারতীয় সময় সন্ধে ৫-৫০, ১৩০ কোটি ভারতীয় আবার টিভি-র সামনে, সিঁধুর জন্য প্রার্থনায়, নিশ্চিত!
প্রতি দু-মিনিট অন্তর একটি করে নারীঘটিত অপরাধ ‘রিপোর্টেড’ যে-দেশে, রিও অলিম্পিকে সেই দেশের মান রেখেছেন আপাতত দুই নারী – দীপা কর্মকার ও পুসারলা বেঙ্কট সিঁধু!
একজনের বয়স ২৩, অন্যজন ২১। জিমন্যাস্ট দীপার ইভেন্ট ‘হইয়াও হইল না শেষ’, সিঁধুর বাকি এখনও দুটি ম্যাচ। অন্তত একটি জিতলেই পদক। প্রথমটি জিতলে তো কথাই নেই। সাইনা নেহওয়ালের ছায়ার আড়াল থেকে বেরিয়ে আসবেন তখন পুসারলা, ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে মেয়েদের সেরা মুখ হয়ে!
বুধবার ভোরে অঘটন ঘটিয়েছেন সিঁধু। ব্যাডমিন্টনে বিশ্বের দ্বিতীয় চিনের ওয়াং ইহানকে সরাসরি হারিয়ে। ২২-২০, ২১-১৯ পয়েন্টে। ইহানকে হারিয়ে শোধ নিয়েছেন গতবার লন্ডন অলিম্পিকে সাইনা নেহওয়ালের হারের। সেমিফাইনালে এই ইহানের কাছেই হেরেছিলেন সাইনা, শেষে রুপো জিতেছিলেন ইহান। সিঁধুর সামনে এখন সোনার সোনালি স্বপ্ন!
খুব কঠিন হবে ম্যাচ, ভাবা হয়েছিল। স্বাভাবিক, অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর ম্যাচ কি আর সহজ হয় কখনও! দশম বাছাই সিঁধু তবু তুলে ধরলেন তেরঙা। আর বুঝিয়ে দিলেন খেলার সারসত্য, কঠিন সময়েই এগোতে শুরু করেন যিনি, আসলে তিনিই গ্রেট!
প্রথম গেমে সিঁধু প্রথমবার এগিয়েছিলেন ২৯তম পয়েন্টে! মানসিক কাঠিন্য কোন পর্যায়ে থাকলে ব্যাডমিন্টনে প্রথম ২৭ পয়েন্টে পিছিয়েও পরের পয়েন্টে বিপক্ষকে ধরে ফেলে তার পরের পয়েন্টে ১৫-১৪ এগিয়ে যাওয়া যায়, দেখালন হায়দরাবাদী। ইহান অবশ্য প্রতিপদেই বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন, কেন তিনি বিশ্বের দু-নম্বর তারকা। দুটি গেম-পয়েন্ট যখন সিঁধুর হাতে, ৪৫-শটের র্যালিতে জিতে ব্যবধান কমিয়ে ফেলেছিলেন ইহান। শেষে অবশ্য পারেননি, গেম হারতে হয় ২২-২০, সিঁধুর হার-না-মানা মানসিকতার কাছে।
দ্বিতীয় গেমে শুরু থেকেই এগিয়ে গিয়েছিলেন সিঁধু। কিন্তু, একবারও স্বস্তিতে থাকতে দেননি ইহান। শেষদিকে তো টানা ৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৯-এ পৌঁছে গিয়েছিলেন সিঁধুকে পেছনে ফেলে। ভারতের ২১ বছর বয়সী তরুণী তারপর আরও তিনটি পয়েন্ট পরপর জিতে জায়গা করে নেন সেমিফাইনালে। সাইনা-র পর দ্বিতীয় মেয়ে হিসাবে অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে।
এবার সামনে ষষ্ঠ বাছাই জাপানের নোজোমি ওকুহারা। তাঁর বিরুদ্ধেও মুখোমুখি রেকর্ডে পিছিয়ে সিঁধু, ১-৩। দুজনের প্রথম দেখা ২০১২ সালের ৭ জুলাই। ভারতীয় তরুণীর একমাত্র জয় ওই প্রথমবারে, এশিয়া যুব অনূর্ধ্ব ১৯ প্রতিযোগিতায়। তিনবার দেখা হয়েছে তারপর। হংকং ওপেন, মালয়েশিয়া মাস্টার্স ও এশিয়া টিম চ্যাম্পিয়নশিপে শেষবার, এ-বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি। তিনবারই হেরেছিলেন সিঁধু। তবে, দুই ২১ বছর বয়সী তরুণীর লড়াইয়ের ফয়সালা প্রতিবারই হয়েছে তিন গেমে।
১৮ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার, ভারতীয় সময় সন্ধে ৫-৫০, ১৩০ কোটি ভারতীয় আবার টিভি-র সামনে, সিঁধুর জন্য প্রার্থনায়, নিশ্চিত!
No comments