রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দর্শকদের আচরণে মোহনবাগান-মাঠে ম্যাচ পরিত্যক্ত
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

বড় ম্যাচ তো বটেই, ২০১৬ কলকাতা প্রিমিয়ার লিগ এ-র ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠে গেল প্রশ্ন এবার!
নিজেদের মাঠে মোহনবাগান লিগের ষষ্ঠ ম্যাচ খেলছিল টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে। ম্যাচের ফল তখন ১-১। ২১ মিনিটে প্রবীরের গোল টালিগঞ্জের জেরিয়ান শোধ করেছিলেন ৮৪ মিনিটে। ইনজুরি টাইমে, ৯২ মিনিটে, অফসাইডের কারণে আজহারউদ্দিনের গোল বাতিল করেন রেফারি দীপু রায়। ম্যাচে তার আগে বিদেশি বিদেমি এবং প্রবীর দাসের গোলও বাতিল হয়েছিল। নিজেদের মাঠে তিন-তিনটি গোল ‘অফসাইড’-এর কারণে বাতিল, মেনে নিতে পারেননি মোহনবাগান সমর্থকরা। মাঠে গণ্ডগোল শুরু হয়। খেলা প্রায় ৫০ মিনিট বন্ধ থাকার পর ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন রেফারি।
মোহনবাগান আইএফএ-র কাছে দাবি জানিয়েছে, ‘রিপ্লে’ দিতে হবে এবং ‘সিকোয়েন্স’ মেনে। মানে, টালিগঞ্জ ম্যাচ আগে খেলবে, পরের ম্যাচগুলো তারপর। আর যদি এই ‘সিকোয়েন্স’ মানা না হয়, মোহনবাগান খেলবে না কলকাতা লিগে। সেই হিসাবে ৭ সেপ্টেম্বর ‘ডার্বি’ হওয়া কঠিন। এমনিতেই আগের ম্যাচে পিয়ারলেসের সঙ্গে ড্র করে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছিল মোহনবাগান। আবার টালিগঞ্জের সঙ্গে ড্র হলে খেতাবি লড়াইয়ে চার পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়তে হত, বড় ম্যাচের আগে। এমন পরিস্থিতিতে মোহনবাগান সমর্থকদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। নিজেদের মাঠে নেমে পড়েন তাঁরা। খেলা আর শুরু করা যায়নি তারপর।
আইএফএ-র তরফে উৎপল গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, রেফারি ও ম্যাচ কমিশনারের রিপোর্ট হাতে না-পেলে কিছু বলা সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে। কল্যাণীতে ৭ সেপ্টেম্বর বড় ম্যাচ আয়োজনের যে-পরিকল্পনা ছিল আইএফএ-র, তাতে আপাতত বিরাট প্রশ্নচিহ্ন ফেলে দিল মোহনবাগান!
বড় ম্যাচ তো বটেই, ২০১৬ কলকাতা প্রিমিয়ার লিগ এ-র ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠে গেল প্রশ্ন এবার!
নিজেদের মাঠে মোহনবাগান লিগের ষষ্ঠ ম্যাচ খেলছিল টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে। ম্যাচের ফল তখন ১-১। ২১ মিনিটে প্রবীরের গোল টালিগঞ্জের জেরিয়ান শোধ করেছিলেন ৮৪ মিনিটে। ইনজুরি টাইমে, ৯২ মিনিটে, অফসাইডের কারণে আজহারউদ্দিনের গোল বাতিল করেন রেফারি দীপু রায়। ম্যাচে তার আগে বিদেশি বিদেমি এবং প্রবীর দাসের গোলও বাতিল হয়েছিল। নিজেদের মাঠে তিন-তিনটি গোল ‘অফসাইড’-এর কারণে বাতিল, মেনে নিতে পারেননি মোহনবাগান সমর্থকরা। মাঠে গণ্ডগোল শুরু হয়। খেলা প্রায় ৫০ মিনিট বন্ধ থাকার পর ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন রেফারি।
মোহনবাগান আইএফএ-র কাছে দাবি জানিয়েছে, ‘রিপ্লে’ দিতে হবে এবং ‘সিকোয়েন্স’ মেনে। মানে, টালিগঞ্জ ম্যাচ আগে খেলবে, পরের ম্যাচগুলো তারপর। আর যদি এই ‘সিকোয়েন্স’ মানা না হয়, মোহনবাগান খেলবে না কলকাতা লিগে। সেই হিসাবে ৭ সেপ্টেম্বর ‘ডার্বি’ হওয়া কঠিন। এমনিতেই আগের ম্যাচে পিয়ারলেসের সঙ্গে ড্র করে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছিল মোহনবাগান। আবার টালিগঞ্জের সঙ্গে ড্র হলে খেতাবি লড়াইয়ে চার পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়তে হত, বড় ম্যাচের আগে। এমন পরিস্থিতিতে মোহনবাগান সমর্থকদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। নিজেদের মাঠে নেমে পড়েন তাঁরা। খেলা আর শুরু করা যায়নি তারপর।
আইএফএ-র তরফে উৎপল গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, রেফারি ও ম্যাচ কমিশনারের রিপোর্ট হাতে না-পেলে কিছু বলা সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে। কল্যাণীতে ৭ সেপ্টেম্বর বড় ম্যাচ আয়োজনের যে-পরিকল্পনা ছিল আইএফএ-র, তাতে আপাতত বিরাট প্রশ্নচিহ্ন ফেলে দিল মোহনবাগান!
No comments