রিওতে আট বাঙালি: পদক দিতে পারেন দীপা আর অনির্বাণ
অনেকেই বাঙালির হাতে প্রথম অলিম্পিক পদক দেখছেন রিওতে!
ত্রিপুরার প্রবাসী বাঙালি জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার যদি নিজের সেরা ছন্দে মেলে ধরতে পারেন নিজেকে। যদি বাঁশদ্রোণির আর্চার অতনু দাস পারেন সেরাটা দিতে। কে বলতে পারে, রিও থেকে পদক নিয়ে ফিরবেন না কোনও বাঙালি সন্তান?
বাংলার ছয় আর প্রবাসের দুই ধরলে সব মিলিয়ে আট বাঙালি নামছেন এই রিও অলিম্পিকে।
কার পদকের কতটা সম্ভাবনা? কার কখন ইভেন্ট? তুলে ধরল রাইট স্পোর্টস।
অতনু দাস (আর্চারি): সাম্প্রতিক কালে দেশের সবচেয়ে সফল আর্চার। দারুণ ফর্মেও আছেন। ছেলেদের ব্যক্তিগত বিভাগে নামবেন তিনি। যে ফর্মে আছেন, তার ধারেকাছে যদি থাকতে পারেন, তা হলে পদক এসেও যেতে পারে। এক মাস আগে ব্রাজিল চলে গিয়েছেন অতনু।
ইভেন্ট: ৬ অগাস্ট
দেবশ্রী মজুমদার (৪x৪০০ মিটার রিলে): নদিয়া জেলার বেথুয়াডহরি থেকে উঠে আসা দেবশ্রী ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে একমাত্র ভারতীয় মুখ। যিনি সুযোগ পেয়েছেন ৪x৪০০ মিটার রিলে টিমে। কিন্তু ট্র্যাকে নামবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় আছে। তা হলেও রিওতে পা রাখাটাও বিরাট ব্যাপার।
ইভেন্ট: ১৯ অগাস্ট
অনির্বাণ লাহিড়ি (গল্ফ): গত কয়েক বছর দেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক গল্ফার। যখন যে কোর্সে নেমেছেন, ঠিক সফল হয়েছেন। ২৯ বছরের বাঙালি অনির্বাণকে রাখা হচ্ছে সম্ভাব্য মেডেল তালিকায়। বলা হচ্ছে, খুব খারাপ হলেও অন্তত ব্রোঞ্জটা নিয়ে ফিরবেন তিনি।
ইভেন্ট: শুরু ১১ অগাস্ট
শিবপ্রসাদ চৌরাসিয়া (গল্ফ): ক্যাডির ছেলে হিসেবে অবিশ্বাস্য উত্তরণ। শিবপ্রসাদের ঝুলিতেও সাফল্য কম নেই। বিশেষ করে গত বছরটা দারুণ ফর্মে ছিলেন। রিওতে তিনি কী করতে পারেন, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন অনেকে।
ইভেন্ট: শুরু ১১ অগাস্ট
দীপা কর্মকার (জিমন্যাস্টিকস): ৫২ বছর পর কোনও ভারতীয় জিমন্যান্স এই প্রথম পা দিলেন অলিম্পিকে। দীপা দেশের একমাত্র মেয়ে, যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। আগরতলার এই বাঙালি মেয়ে যদি আর্টিস্ট জিমন্যাস্টিকসে নিজের ফর্মে ধারেকাছে থাকেন, তা হলেই পদক পেয়ে যাবেন।
ইভেন্ট: শুরু ৭ অগাস্ট
অয়নিকা পাল (শুটিং, ১০ মি এয়ার রাইফেল): মুম্বইয়েই জন্ম ও বড় হওয়া। কিন্তু নিজেকে মনে-প্রাণে বাঙালি বলেই মনে করেন। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে অপূর্বী চান্ডিলার সঙ্গে তিনিও পেয়েছেন রিও টিকিট। শুটিং গত কয়েক বছর ধরেই ভারতকে পদক দিয়ে আসছে। অয়নিকা যদি পারেন, ইতিহাস হয়ে যাবে।
ইভেন্ট: ৬ অগাস্ট
সৌম্যজিৎ ঘোষ (টেবল টেনিস): গত বার লন্ডন অলিম্পিকে সুযোগ পাওয়ার পর সে ভাবে কিছুই করতে পারেননি। এ বার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান। সৌম্যজিৎ নিজেও খুব একটা পিছিয়ে নেই। নিজের স্বপ্ন তৈরি করেছেন কয়েক বছর ধরে।
ইভেন্ট: শুরু ৬ অগাস্ট
মৌমা দাস (টেবল টেনিস): ২০০৪ সালে আথেন্সের পর ১২ বছর সময় লাগল মৌমার, আর একটা অলিম্পিকে নামতে। বয়স বেড়েছে। ধারাল হয়েছেন ততটাই। রিওতে মৌমা পদক পাবেন, এই আশা হয়তো করছেন না অনেকেই, তবে তিনি যে নিজেকে মেলে ধরবেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই।
ইভেন্ট: শুরু ৬ অগাস্ট
পুনশ্চ: আট বাঙালি কি সত্যিই পদক দিতে পারেন দেশকে? সম্ভব। গল্ফ থেকে একটা, আর একটা আসতে পারে জিমন্যাস্টিকস থেকে।
[gallery ids="995,994,993,992,991,990,989,988"]
ত্রিপুরার প্রবাসী বাঙালি জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার যদি নিজের সেরা ছন্দে মেলে ধরতে পারেন নিজেকে। যদি বাঁশদ্রোণির আর্চার অতনু দাস পারেন সেরাটা দিতে। কে বলতে পারে, রিও থেকে পদক নিয়ে ফিরবেন না কোনও বাঙালি সন্তান?
বাংলার ছয় আর প্রবাসের দুই ধরলে সব মিলিয়ে আট বাঙালি নামছেন এই রিও অলিম্পিকে।
কার পদকের কতটা সম্ভাবনা? কার কখন ইভেন্ট? তুলে ধরল রাইট স্পোর্টস।
অতনু দাস (আর্চারি): সাম্প্রতিক কালে দেশের সবচেয়ে সফল আর্চার। দারুণ ফর্মেও আছেন। ছেলেদের ব্যক্তিগত বিভাগে নামবেন তিনি। যে ফর্মে আছেন, তার ধারেকাছে যদি থাকতে পারেন, তা হলে পদক এসেও যেতে পারে। এক মাস আগে ব্রাজিল চলে গিয়েছেন অতনু।
ইভেন্ট: ৬ অগাস্ট
দেবশ্রী মজুমদার (৪x৪০০ মিটার রিলে): নদিয়া জেলার বেথুয়াডহরি থেকে উঠে আসা দেবশ্রী ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে একমাত্র ভারতীয় মুখ। যিনি সুযোগ পেয়েছেন ৪x৪০০ মিটার রিলে টিমে। কিন্তু ট্র্যাকে নামবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় আছে। তা হলেও রিওতে পা রাখাটাও বিরাট ব্যাপার।
ইভেন্ট: ১৯ অগাস্ট
অনির্বাণ লাহিড়ি (গল্ফ): গত কয়েক বছর দেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক গল্ফার। যখন যে কোর্সে নেমেছেন, ঠিক সফল হয়েছেন। ২৯ বছরের বাঙালি অনির্বাণকে রাখা হচ্ছে সম্ভাব্য মেডেল তালিকায়। বলা হচ্ছে, খুব খারাপ হলেও অন্তত ব্রোঞ্জটা নিয়ে ফিরবেন তিনি।
ইভেন্ট: শুরু ১১ অগাস্ট
শিবপ্রসাদ চৌরাসিয়া (গল্ফ): ক্যাডির ছেলে হিসেবে অবিশ্বাস্য উত্তরণ। শিবপ্রসাদের ঝুলিতেও সাফল্য কম নেই। বিশেষ করে গত বছরটা দারুণ ফর্মে ছিলেন। রিওতে তিনি কী করতে পারেন, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন অনেকে।
ইভেন্ট: শুরু ১১ অগাস্ট
দীপা কর্মকার (জিমন্যাস্টিকস): ৫২ বছর পর কোনও ভারতীয় জিমন্যান্স এই প্রথম পা দিলেন অলিম্পিকে। দীপা দেশের একমাত্র মেয়ে, যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। আগরতলার এই বাঙালি মেয়ে যদি আর্টিস্ট জিমন্যাস্টিকসে নিজের ফর্মে ধারেকাছে থাকেন, তা হলেই পদক পেয়ে যাবেন।
ইভেন্ট: শুরু ৭ অগাস্ট
অয়নিকা পাল (শুটিং, ১০ মি এয়ার রাইফেল): মুম্বইয়েই জন্ম ও বড় হওয়া। কিন্তু নিজেকে মনে-প্রাণে বাঙালি বলেই মনে করেন। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে অপূর্বী চান্ডিলার সঙ্গে তিনিও পেয়েছেন রিও টিকিট। শুটিং গত কয়েক বছর ধরেই ভারতকে পদক দিয়ে আসছে। অয়নিকা যদি পারেন, ইতিহাস হয়ে যাবে।
ইভেন্ট: ৬ অগাস্ট
সৌম্যজিৎ ঘোষ (টেবল টেনিস): গত বার লন্ডন অলিম্পিকে সুযোগ পাওয়ার পর সে ভাবে কিছুই করতে পারেননি। এ বার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান। সৌম্যজিৎ নিজেও খুব একটা পিছিয়ে নেই। নিজের স্বপ্ন তৈরি করেছেন কয়েক বছর ধরে।
ইভেন্ট: শুরু ৬ অগাস্ট
মৌমা দাস (টেবল টেনিস): ২০০৪ সালে আথেন্সের পর ১২ বছর সময় লাগল মৌমার, আর একটা অলিম্পিকে নামতে। বয়স বেড়েছে। ধারাল হয়েছেন ততটাই। রিওতে মৌমা পদক পাবেন, এই আশা হয়তো করছেন না অনেকেই, তবে তিনি যে নিজেকে মেলে ধরবেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই।
ইভেন্ট: শুরু ৬ অগাস্ট
পুনশ্চ: আট বাঙালি কি সত্যিই পদক দিতে পারেন দেশকে? সম্ভব। গল্ফ থেকে একটা, আর একটা আসতে পারে জিমন্যাস্টিকস থেকে।
[gallery ids="995,994,993,992,991,990,989,988"]
No comments