রিও অলিম্পিকে দুই সবচেয়ে ছোট দেশের গল্প
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
মিছিলে নাম লেখাচ্ছেন একের পর এক তারকা। জিকার ভয়ে যাঁরা নাম তুলে নিচ্ছেন রিও অলিম্পিক্স থেকে। তবু রিও ঘিরে উৎসাহের অন্ত নেই। উন্মাদনার অভাব নেই।
প্রায় এগারো হাজারেরও বেশি অ্যাথলিট। ২০৬ দেশ। আবার, এই অলিম্পিকেই তিরিশেরও উপর দেশ রয়েছে যাদের প্রতিযোগীর সংখ্যা তিন বা তারও কম।
মজার তথ্য হল, এই রিওতে এমন দুটো দেশও আছে, যাদের জনসংখ্যা অলিম্পিকের প্রতিযোগীর থেকে কম!
তুভালু
ওশিয়ানিয়ার ছোট্ট একটি দেশ। দীর্ঘ সময় গ্রেট ব্রিটেনের অধীনে ছিল। ১৯৭৮ সালে স্বাধীনতার সময় থেকে এলিস আইল্যান্ডসের নাম বদলে হয় তুভালু।
জনসংখ্যা: মাত্র ১০ হাজার ৬০০।
অ্যাথলিট: এখান থেকে মাত্র এক জনকেই দেখা যাবে রিও অলিম্পিকে। এতিমোনি তিমুয়ানি। যিনি আবার আদতে পেশাদার ফুটবলার। তুভালুর প্রিমিয়ার ডিভিশনে খেলেন। রিওতে উসেইন বোল্টের ইভেন্ট ১০০ মিটারে নামতে দেখা যাবে তাঁকে। যখন রিও অলিম্পিক্সের উদ্বোধন হবে মারাকানা স্টেডিয়ামে, দেশের ফ্ল্যাগ হাতে দেখা যাবে একমাত্র তিমুয়ানিকেই।
নাউরু
ওশিয়ানিয়ার আর একটি ছোট্ট দেশ। জার্মান, অস্ট্রিয়া, জাপানিদের অধীনে একটা সময় থাকতে হয়েছে। ১৯৬৮ সালে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ। ফসফরাসের খনির জন্য বিখ্যাত।
জনসংখ্যা: মাত্র ১১ হাজার।
অ্যাথলিট: এই প্রথম অলিম্পিকে দেখা যাবে নাউরুকে। দু’জন অ্যাথলিট সুযোগ পেয়েছেন। এক জন ওভিনি উয়েরা, নামবেন জুডোতে। অন্য জন ভারোত্তোলনে এলসন ব্রেচফেল্ড।
No comments