ম্যানচেস্টারে এসে ইব্রা, ‘সময় নষ্ট করার জন্য আসিনি, কিছু দিতে এসেছি’
[caption id="attachment_535" align="alignleft" width="300"]
ম্যানচেস্টারে এসে ইব্রা, ‘সময় নষ্ট করার জন্য আসিনি, কিছু দিতে এসেছি’[/caption]
যখন যেখানে গিয়েছেন, ভরিয়ে দিয়েছেন ট্রফিতে। নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স – লিগ জিতেছেন সর্বত্র। এবার এসেছেন ইংল্যান্ডে। খারাপ সময় যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। কোচ হিসাবে আনা হয়েছে মোরিনিওকে, আর মোরিনিও সই করিয়েছেন জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচকে। পিএসজি-তে শেষ চার বছরই লিগ জিতেছিলেন ইব্রা। ম্যানচেস্টারে এসে প্রথম সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে সবই।
প্রশ্ন: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে পা দিয়ে কেমন লাগছে?
ইব্রা: রোমাঞ্চিত! খুব খুশি। অনেক কথা উড়ছিল। শেষ পর্যন্ত সব মিটল। এখন অনুশীলনে নেমে পড়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।
প্রশ্ন: অনেক জল্পনা চলছিল। মিটে যাওয়ার পর খুশি?
ইব্রা: খুবই খুশি। এখন সামনে তাকাব। ইউরো কাপের সময়ই সব কিছু পিছনে ফেলে এসেছি। এখন নিজের সেরাটা দেওয়ার সময়।
প্রশ্ন: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আসার ক্ষেত্রে হোসে মোরিনিও কতটা ফ্যাক্টর?
ইব্রা: আমার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ ছিল। কিন্তু গোটা ব্যাপারটা সহজ করে দিয়েছেন মোরিনিও।
প্রশ্ন: মোরিনিওর কোচিংয়ে ইন্তার মিলানে খেলার স্মৃতি এখনও টাটকা?
ইব্রা: অনেক স্মৃতি। একটাই আক্ষেপ, ওকে পুরো সময়ের জন্য পাইনি। মাত্র একটা মরসুম ওর কোচিংয়ে খেলেছি। তবে উপভোগ করেছি। অনেক কিছু শিখেছি ওর কাছে। ও এক জন উইনার। আমিও তাই। আমরা দু’জন মিলে নিশ্চয় অনেক কিছু দিতে পারব ইউনাইটেডকে।
প্রশ্ন: ইপিএলে কী লক্ষ্য সামনে রেখে নামবেন?
ইব্রা: এই মরসুমটা আমার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এর আগে যেখানেই গিয়েছি, কিছু না কিছু জিতেছি। এখানেও সেটা করে দেখাতে চাই। আমার মানসিকতাই হল, কঠিন পরিশ্রম করে নিজের স্বপ্ন সফল করা।
প্রশ্ন: এ বার অনেক দলেই নতুন প্লেয়ার। কোচও বদল হয়েছে অনেক টিমে। কী ভাবে নিচ্ছেন ব্যাপারটা?
ইব্রা: আর সবার মতো আমার কাছেও ব্যাপারটা চ্যালেঞ্জিং। যে সব নতুন কোচ ও প্লেয়াররা আসছে, তারা নিজেদের সেরাটাই দিতে আসছে। আমিও। কঠিন প্রতিযোগিতা। তবে আমি চিন্তিত নই।
প্রশ্ন: শেষ ১১ বছরে ১০টা ট্রফি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেও সেটা করে দেখাতে পারবেন?
ইব্রা: কেন নয়? সময় নষ্ট করার জন্য আসিনি! জেতার জন্যই এসেছি। কিছু দিতে এসেছি। সবাই মিলে দল হিসাবে খেললে সেটা সম্ভব।
প্রশ্ন: মার্কাস র্যাশফোর্ড, অ্যান্টনি মার্শালের মতো তরুণরা আছে। ওদের কী ভাবে সাহায্য করবেন?
ইব্রা: কেরিয়ারে অনেক কিছু শিখেছি অনেকের কাছ থেকে। সেগুলো জুনিয়রদের শেখাতেই পারি। তবে, কতটা এগোবে, কীভাবে এগোবে, নির্ভর করে ফুটবলারের ওপর।
প্রশ্ন: ইন্তারে থাকাকালীন এক বার খেলেছিলেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। এবার ওল্ড ট্রাফোর্ড আপনার ‘হোম’। মাঠে নামার জন্য কতটা মুখিয়ে আছেন?
ইব্রা: প্রথম ম্যাচটা যত তাড়াতাড়ি আসে, ভাল! প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই। স্টেডিয়ামের উত্তাপ, সমর্থকদের উল্লাস — সব। দিনটা সত্যিই বড় হবে, অন্যরকম হবে।
প্রশ্ন: পিএসজি ছাড়ার সময় বলেছেন, রাজার মতো এসেছিলাম। লেজেন্ডের মতো চলে যাচ্ছি। এখানেও কি তেমন কিছু করে দেখাবেন?
ইব্রা: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আমার কাছে একটা নতুন চ্যাপ্টার। অতীতের সঙ্গে মেলানো যাবে না। তবে অবশ্যই তেমন কিছু করে দেখানোর তাগিদ তো থাকবেই।
প্রশ্ন: সমর্থকদের জন্য কী বার্তা?
ইব্রা: টিমকে সাপোর্ট করুন। দারুণ কিছু অপেক্ষা করে রয়েছে আপনাদের জন্য। অনেক কিছু ফিরিয়ে দেব। উপহার দেব ট্রফিও।
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
যখন যেখানে গিয়েছেন, ভরিয়ে দিয়েছেন ট্রফিতে। নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স – লিগ জিতেছেন সর্বত্র। এবার এসেছেন ইংল্যান্ডে। খারাপ সময় যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। কোচ হিসাবে আনা হয়েছে মোরিনিওকে, আর মোরিনিও সই করিয়েছেন জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচকে। পিএসজি-তে শেষ চার বছরই লিগ জিতেছিলেন ইব্রা। ম্যানচেস্টারে এসে প্রথম সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে সবই।
প্রশ্ন: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে পা দিয়ে কেমন লাগছে?
ইব্রা: রোমাঞ্চিত! খুব খুশি। অনেক কথা উড়ছিল। শেষ পর্যন্ত সব মিটল। এখন অনুশীলনে নেমে পড়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।
প্রশ্ন: অনেক জল্পনা চলছিল। মিটে যাওয়ার পর খুশি?
ইব্রা: খুবই খুশি। এখন সামনে তাকাব। ইউরো কাপের সময়ই সব কিছু পিছনে ফেলে এসেছি। এখন নিজের সেরাটা দেওয়ার সময়।
প্রশ্ন: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আসার ক্ষেত্রে হোসে মোরিনিও কতটা ফ্যাক্টর?
ইব্রা: আমার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ ছিল। কিন্তু গোটা ব্যাপারটা সহজ করে দিয়েছেন মোরিনিও।
প্রশ্ন: মোরিনিওর কোচিংয়ে ইন্তার মিলানে খেলার স্মৃতি এখনও টাটকা?
ইব্রা: অনেক স্মৃতি। একটাই আক্ষেপ, ওকে পুরো সময়ের জন্য পাইনি। মাত্র একটা মরসুম ওর কোচিংয়ে খেলেছি। তবে উপভোগ করেছি। অনেক কিছু শিখেছি ওর কাছে। ও এক জন উইনার। আমিও তাই। আমরা দু’জন মিলে নিশ্চয় অনেক কিছু দিতে পারব ইউনাইটেডকে।
প্রশ্ন: ইপিএলে কী লক্ষ্য সামনে রেখে নামবেন?
ইব্রা: এই মরসুমটা আমার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এর আগে যেখানেই গিয়েছি, কিছু না কিছু জিতেছি। এখানেও সেটা করে দেখাতে চাই। আমার মানসিকতাই হল, কঠিন পরিশ্রম করে নিজের স্বপ্ন সফল করা।
প্রশ্ন: এ বার অনেক দলেই নতুন প্লেয়ার। কোচও বদল হয়েছে অনেক টিমে। কী ভাবে নিচ্ছেন ব্যাপারটা?
ইব্রা: আর সবার মতো আমার কাছেও ব্যাপারটা চ্যালেঞ্জিং। যে সব নতুন কোচ ও প্লেয়াররা আসছে, তারা নিজেদের সেরাটাই দিতে আসছে। আমিও। কঠিন প্রতিযোগিতা। তবে আমি চিন্তিত নই।
প্রশ্ন: শেষ ১১ বছরে ১০টা ট্রফি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেও সেটা করে দেখাতে পারবেন?
ইব্রা: কেন নয়? সময় নষ্ট করার জন্য আসিনি! জেতার জন্যই এসেছি। কিছু দিতে এসেছি। সবাই মিলে দল হিসাবে খেললে সেটা সম্ভব।
প্রশ্ন: মার্কাস র্যাশফোর্ড, অ্যান্টনি মার্শালের মতো তরুণরা আছে। ওদের কী ভাবে সাহায্য করবেন?
ইব্রা: কেরিয়ারে অনেক কিছু শিখেছি অনেকের কাছ থেকে। সেগুলো জুনিয়রদের শেখাতেই পারি। তবে, কতটা এগোবে, কীভাবে এগোবে, নির্ভর করে ফুটবলারের ওপর।
প্রশ্ন: ইন্তারে থাকাকালীন এক বার খেলেছিলেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। এবার ওল্ড ট্রাফোর্ড আপনার ‘হোম’। মাঠে নামার জন্য কতটা মুখিয়ে আছেন?
ইব্রা: প্রথম ম্যাচটা যত তাড়াতাড়ি আসে, ভাল! প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই। স্টেডিয়ামের উত্তাপ, সমর্থকদের উল্লাস — সব। দিনটা সত্যিই বড় হবে, অন্যরকম হবে।
প্রশ্ন: পিএসজি ছাড়ার সময় বলেছেন, রাজার মতো এসেছিলাম। লেজেন্ডের মতো চলে যাচ্ছি। এখানেও কি তেমন কিছু করে দেখাবেন?
ইব্রা: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আমার কাছে একটা নতুন চ্যাপ্টার। অতীতের সঙ্গে মেলানো যাবে না। তবে অবশ্যই তেমন কিছু করে দেখানোর তাগিদ তো থাকবেই।
প্রশ্ন: সমর্থকদের জন্য কী বার্তা?
ইব্রা: টিমকে সাপোর্ট করুন। দারুণ কিছু অপেক্ষা করে রয়েছে আপনাদের জন্য। অনেক কিছু ফিরিয়ে দেব। উপহার দেব ট্রফিও।
No comments