অবসর নেওয়ার অধিকার রয়েছে, বলছেন মেসির প্রথম কোচ
রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
টুইটারে ট্রেন্ড চলছে মেসিকে নিয়ে, #নোতেবায়াসলিও, #নোতেবায়াসমেসি, #কোয়েদাতেমেসি।
যার অর্থ, ‘ডোন্ট গিভআপ!’ ছেড়ে যেও না লিও মেসি!
‘ফেলা’ মানসিক ভাবে যে কতটা বিধ্বস্ত, বুঝতে পারছেন প্রথম কোচ এমেস্তা বেচিও(Emesto Vecchio)। বুঝতে পারছেন, দিনের পর দিন সমালোচনায় বিদ্ধ ছেলেটা বাধ্য হয়েই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে জাতীয় টিম থেকে! ফেলা, মানে লিওনেল মেসির, যন্ত্রণার শরিক তাঁর ছেলেবেলার কোচও।
প্রিয় ছাত্রের জাতীয় দল থেকে অবসরের খবর শুনে এমেস্তো বলেই দিয়েছেন, ‘সমালোচকরা এত দিন ওকে ছিঁড়ে খেয়েছে। কে কী বলছে, আমি জানি না। এটুকু বলতে পারি, নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর অধিকার ওর রয়েছে। অবসর ঘোষণার অধিকারও।’
উত্তর রোসারিওতে এমেস্তোর কোচিংয়ে ছেলেবেলায় বেড়ে ওঠা মেসির। তিনিই মেসির প্রথম কোচ। বাচ্চাদের ফুটবলে ১১ বছরের মেসির অবিশ্বাস্য স্কিল দেখে চমকে গিয়েছিলেন বার্সেলোনার স্পটাররা। দ্রুত সই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল লিওকে।
বার্সেলোনায় খেলার আগে নিউওয়েলসের যুব টিমে খেলেছিলেন মেসি। সেখানে সেই সময় টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন এনরিকে দমিনিগেস। তিনিও লিওকে নিয়ে সাফ বলেছেন, ‘লিও অসম্ভব স্পর্শকাতর। ওকে দেখলে সেটা বোঝা যায় না। ভিতরে ভিতরে যে প্রচন্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে, সেটা ওকে দেখে বুঝতে পারছি।’
দুঃস্থ শিশুদের জন্য উত্তর রোসারিওতে মেসি ফাউন্ডেশনের একটি ফুটবল স্কুল চলে। তার নাম ‘পুলগা’। যার দায়িত্বে রয়েছেন মেসির ছেলেবেলার কোচ এমেস্তো। মেসিকে নিয়ে আর্জেন্তিনার এক কাগজে এমেস্তো বলেছেন, ‘মেসি ছেড়ে দিক, তা আমিও চাইছি না। কিন্তু কোপা ফাইনালে তো একা খেলেনি। তা হলে শুধু ওকে নিয়েই কেন এই সমালোচনা চলবে। যে লোকগুলো পিছন থেকে খেলছে, তাদের মুখোশ খুলে দেওয়া উচিত।’
মেসির প্রিয় বন্ধু সিন্তিয়া আরেলানোও বলেছেন একই কথা। এমেস্তোর ওই কোচিং ক্যাম্পেই মেসির ছেলেবেলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন সিন্তিয়া আরেলানো। যাঁর সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রয়েছে মেসির। বন্ধুর খারাপ দিনে সিন্তিয়ারও মন খারাপ। বলেছেন, ‘দিনের পর দিন একটা লোকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার চলতে থাকলে বা সমালোচনা করতে থাকলে এক দিন সে পাল্টা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেন। মেসিও তাই করেছে।’
No comments